অভিরূপ দাস: নাক দিয়ে নিঃশ্বাস নিলে নাইট্রিক অক্সাইউ সরাসরি ফুসফুসে পৌঁছয়। এতে এন্ডোথেরিয়াম তৈরি হয়। সত্যিই কি তাই?
করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে ১৯৯৮ সালের মেডিসিনের নোবেলজয়ী বলছেন, নাক দিয়ে নিঃশ্বাস নিয়ে মুখ দিয়ে তা পরিত্যাগ করাটা ভীষণ উপকারী পদ্ধতি। এতে নাইট্রিক অক্সাইড উৎপন্ন হয়। ফলে ফুসফুসে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে ও গোটা শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। তাতেই নাকি ঠেকানো যাবে করোনা। যদিও বিশিষ্ট পালমোনোলজিস্ট ডা. ধীমান গঙ্গোপাধ্যায় বলছেন, “গোটা বিষয়টি অত্যন্ত উদ্ভট।” তাঁর কথায়, “অতীতেও এমন চিকিৎসার কথা শুনিনি।”
[ আরও পড়ুন: ‘যজ্ঞের বেদির ছক থেকেই আবিষ্কার হয়েছে জ্যামিতির’, ‘হাস্যকর’ মন্তব্য বিজেপি সাংসদের ]
এদিকে বিশ্বখ্যাত দ্য কনভার্সেসন পত্রিকায় প্রকাশিত নোবেলজয়ী লুই জে ইগনারোর বক্তব্য নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে শ্বাসপ্রশ্বাস করোনা রুখে দিতে পারে। কী সেই পদ্ধতি? নাক দিয়ে নিঃশ্বাস গ্রহণ করতে হবে আর মুখ দিয়ে ছাড়তে হবে। তাতেই আটকে দেওয়া যাবে করোনার বিপদ। লুই জে ইগনারো আরও বলেছেন,
এতে শরীরের নাসাল ক্যাভিটিতে নাইট্রিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয়। শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ে। ফুসফুস করোনা ভাইরাসের প্রাথমিক হানা আটকে দেয়। এদিকে এই তত্ত্বে এখনই সিলমোহর দিতে রাজি নন শহরের ফুসফুসের অসুখের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
পালমোনোলজিস্ট চিকিৎসক ডা. রাজা ধর জানিয়েছেন, আদৌ এর বৈজ্ঞানিক সত্যতা কতটা, তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে। তাঁর কথায়, “নাক দিয়ে নিশ্বাস নিয়ে মুখ দিয়ে তা ছাড়া অত্যন্ত ভাল নিশ্বাসের ব্যায়াম। তা দিয়ে করোনা ঠেকানো যায় এমন প্রমাণ পেতে গেলে পরীক্ষা বাঞ্ছনীয়।”
[ আরও পড়ুন: খরচ কমানোই লক্ষ্য, জুলাই থেকে বন্ধ হচ্ছে হাওড়া, শিয়ালদহের ১৭ জোড়া ট্রেন ]
সর্বশেষ খবর
-
ফের বিতর্কে সিএবি, স্বার্থের সংঘাতের ‘ফাঁসে’ বাংলার বোর্ড আম্পায়ার
-
‘পুরো বন্দে মাতরম গাওয়া হবে না কর্নাটকে’, কেন্দ্রের নির্দেশ উড়িয়ে ঘোষণা শিবকুমারের
-
সিআইএ-র সতর্কবার্তা শোনেননি, নেতানিয়াহুর টোপ গিলেই ইরানে জোর ফেঁসেছেন ট্রাম্প!
-
বিশ্বজুড়ে বন্ধ মার্কিন ভিসা ইন্টারভিউ, ট্রাম্পের কড়া অভিবাসন নীতির জের?
-
আড়াই বছরের ‘রাজত্ব’ খোয়ালেন বুমরাহ, শ্রীলঙ্কায় আগ্রাসী ইনিংসের পুরস্কার পেলেন পন্থ