IVF after 50

আইভিএফ-এ মা হওয়ার চ্যালেঞ্জ নিয়ে হাই কোর্টে পঞ্চাশোর্ধ্ব ২ মহিলা, স্বাস্থ্যঝুঁকি কতটা?

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের স্বাভাবিক সহনশক্তি কমে যায়, তাই এই ধরনের চিকিৎসা নেওয়ার আগে চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। এই মামলার চূড়ান্ত রায় ভবিষ্যতে ভারতে আইভিএফ ও প্রজনন অধিকার সংক্রান্ত আইনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ১৫:১২

options
link
আইভিএফ-এ মা হওয়ার চ্যালেঞ্জ নিয়ে হাই কোর্টে পঞ্চাশোর্ধ্ব ২ মহিলা, স্বাস্থ্যঝুঁকি কতটা?
বেশি বয়সে আইভিএফ-এ কি বাড়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি? ছবি: সংগৃহীত

বয়সসীমা ৫০ পেরনোয় মিলল না আইভিএফের অনুমতি। আর তাতেই দুই মহিলা দ্বারস্থ হলেন বোম্বে হাই কোর্টের। একজনের বয়স ৫৩, অন্যজনের ৫৫। বর্তমান আইনে, অ্যাসিস্টেড রিপ্রোডাক্টিভ টেকনোলজি বা সহায়ক প্রজনন প্রযুক্তি, যেমন আইভিএফ, ২১ থেকে ৫০ বছর বয়সি মহিলাদের জন্য অনুমোদিত। এই বয়সসীমা পেরিয়ে যাওয়ায় ক্লিনিক তাঁদের চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করে, আর সেখান থেকেই শুরু আইনি লড়াই।

Advertisement
Women aged 53 and 55 approach Bombay High Court after IVF denial.
ছবি: সংগৃহীত

আবেদনকারীদের দাবি, এই নির্দিষ্ট বয়সসীমা অযৌক্তিক এবং বৈষম্যমূলক। তাঁদের মতে, মাতৃত্বের অধিকার একটি মৌলিক অধিকার এবং শুধুমাত্র বয়সের ভিত্তিতে সেই অধিকার সীমাবদ্ধ করা ঠিক নয়। তাঁরা মেডিক্যাল সার্টিফিকেটও জমা দিয়েছেন, যেখানে উল্লেখ রয়েছে যে তাঁরা শারীরিকভাবে গর্ভধারণের জন্য সক্ষম। তাই তাঁদের বক্তব্য, সবার ক্ষেত্রে এক নিয়ম না করে, ব্যক্তিগত শারীরিক সক্ষমতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বোম্বে হাই কোর্ট এই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত রায় দেয়নি। আদালতের পর্যবেক্ষণ ৫০ বছরের পর গর্ভধারণে ঝুঁকি থাকে, তবে এই বিষয়ে পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক তথ্যও আদালতের সামনে এখনও উপস্থাপিত হয়নি। তবে আদালত আবেদনকারীদের দাবি সরাসরি খারিজও করেনি।

Advertisement

অন্তর্বর্তী নির্দেশ হিসেবে, আদালত তাঁদের শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য মেডিক্যাল পরীক্ষা করানোর অনুমতি দিয়েছে। তবে এর মানে এই নয় যে তাঁরা এখনই আইভিএফ করাতে পারবেন। পাশাপাশি, বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে বিশেষজ্ঞদের মতামত চাওয়া হয়েছে।

Denied IVF for crossing age 50, two women seek justice.
ছবি: সংগৃহীত

বয়স বেশি হলে আইভিএফের সম্ভাব্য ঝুঁকি
৫০ বছরের পর গর্ভধারণ, বিশেষ করে আইভিএফের মাধ্যমে, বেশ কিছু শারীরিক জটিলতার ঝুঁকি বাড়ে। যেমন-

  • উচ্চ রক্তচাপ ও প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়ার সম্ভাবনা
  • গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি
  • হার্টের উপর অতিরিক্ত চাপ
  • সিজারিয়ান ডেলিভারির সম্ভাবনা
  • প্রিম্যাচিউর (সময়ের আগে) সন্তান জন্মানোর ঝুঁকি
  • কম ওজন নিয়ে সন্তান জন্মানো
  • গর্ভপাত বা জটিলতার ঝুঁকি

বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের স্বাভাবিক সহনশক্তি কমে যায়, তাই এই ধরনের চিকিৎসা নেওয়ার আগে চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। এই মামলার চূড়ান্ত রায় ভবিষ্যতে ভারতে আইভিএফ ও প্রজনন অধিকার সংক্রান্ত আইনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.