Prescription Plus

হাঁচি-কাশি কিছুতেই কমছে না? ঋতু বদলের এই সময়ে সাবধান! হতে পারে ‘অ্যালার্জিক রাইনাইটিস’

অ্যালার্জির সঙ্গে কোনও আপস নয়, আগেভাগে সতর্ক হোন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০২৫, ১৫:৩২

options
link
হাঁচি-কাশি কিছুতেই কমছে না? ঋতু বদলের এই সময়ে সাবধান! হতে পারে ‘অ্যালার্জিক রাইনাইটিস’

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নভেম্বরে তাপমাত্রার পারদ কমতে শুরু করেছে। অনেকেই ঋতু বদলের এই সময় সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হন। নাক থেকে জল পড়তে দেখা যায়। চোখ ফোলা কিংবা গালের ত্বকে চুলকানিও দেখা যায়। এই উপসর্গ আমাদের পরিচিত। তবে, এই লক্ষণগুলি যদি লাগাতার আপনাকে বিরক্ত করতে থাকে তাহলে আগেভাগে সাবধান হোন। এটি অ্যালার্জিক রাইনাইটিস নয় তো?

Advertisement

Prescription Plusশীতকালে অ্যালার্জি বাড়ে। ত্বকের অ্যালার্জি সহজেই চিনে নেওয়া সহজ। তবে শ্বাসনালি, খাদ্যনালি কিংবা চোখের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় অ্যালার্জি দেখা দিলে তা সময় বিশেষে মারাত্মক আকার নিতে পারে। অ্যালার্জিক রাইনাইটিস তেমন ধরনেরই এক রোগ। এতে নাকের প্রদাহ বাড়ে। অ্যালার্জেন, যেমন পরাগ বা ধূলিকণার কারণে এটি হয়। ফলে নাক বন্ধ হয়ে যায়, জল পড়ে এবং সমানে হাঁচি হতে থাকে। চোখে চুলকানিও দেখা দেয়। প্রথমে ততটা সমস্যা না হলেও সময়মতো চিকিৎসা না করালে বড়সড় ক্ষতির আশঙ্কা।

Advertisement

অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের লক্ষণ কী?
(১) কোনও অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে এলেই বারবার হাঁচি হতে থাকে।
(২) নাক থেকে পাতলা জলের মতো শ্লেষ্মা বের হতে থাকে।
(৩) শ্বাস নিতে অসুবিধা হওয়া।
(৪) নাক, চোখ, গলা বা কানের ভেতরে চুলকানি।
(৫) চোখ লাল হয়ে জল ঝরতে থাকে।
(৬) রাতে গলার পিছনে শ্লেষ্মা পড়ার কারণে অনবরত কাশি।

Advertisement

Symptoms and Remedies for Allergic Rhinitis

এর হাত থেকে বাঁচতে কী কী করবেন?
রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু সতর্কতা নেওয়া প্রয়োজন। আপনার কীসে অ্যালার্জি হয় তা জেনে নিয়ে সেগুলি এড়িয়ে চলুন। বালিশ, তোশক এবং লেপ-কম্বলে অ্যালার্জেন-ব্লকিং কভার ব্যবহার করুন। সপ্তাহে একবার গরম জলে বিছানার চাদর ও বালিশের কভার ধুয়ে নিন। সকালে ও বিকালে জানলা-দরজা বন্ধ রাখুন। বাইরে থেকে ঘরে ফিরেই পোশাক পালটে ফেলুন। সম্ভব হলে স্নান করে নিন। বাইরে যাওয়ার সময় মাস্ক ব্যবহার করুন। পোষ্য প্রাণী থেকে দূরে থাকুন। ঘরের বাতাস পরিষ্কার রাখতে HEPA ফিল্টার যুক্ত এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন। সিগারেটের ধোঁয়া এবং অন্যান্য কড়া গন্ধ বা রাসায়নিক এড়িয়ে চলুন। নিয়মিত নুন জল দিয়ে নাক ধুতে পারেন। এতে নাকের ভেতরের অ্যালার্জেন ও শ্লেষ্মা পরিষ্কার হয়।

যদি প্রতিরোধের পরেও উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে না আসে, তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ডাক্তার না দেখিয়ে অনেকেই দোকান থেকে বলে অ্যান্টিহিস্টামিন ট্যাবলেট বা নেজাল কর্টিকোস্টেরয়েড স্প্রে কিনে ব্যবহার করেন। এমনটা ভুলেও করবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে তবেই ওষুধ খান।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.