Eco-Friendly Ganesh Chaturthi

গণেশপুজো হয়ে উঠুক পরিবেশবান্ধব, ঘরেই ময়দা-হলুদে রূপ দিন সিদ্ধিদাতার

বেশিরভাগ প্রতিমা তৈরিতেই ব্যবহার হয় প্লাস্টার অফ প্যারিস, রাসায়নিক রং বা অন্যান্য অ-বিয়োজ্য উপকরণ। তবে চাইলেই বাড়িতে সহজ উপকরণে তৈরি হবে পরিবেশবান্ধব গণেশমূর্তি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬, ১৬:১৪

options
link
গণেশপুজো হয়ে উঠুক পরিবেশবান্ধব, ঘরেই ময়দা-হলুদে রূপ দিন সিদ্ধিদাতার
এআই দ্বারা নির্মিত চিত্র।

গণেশ চতুর্থী মানেই ঘরে ঘরে সিদ্ধিদাতা গণেশের আরাধনা। ভক্তের সেবায় তুষ্ট হয়ে আশীর্বাদে ভরাবেন সিদ্ধিদাতা। উৎসবশেষে প্রতিমার বিসর্জন হবে জলে। তারপর ফের এক বছরের অপেক্ষা। তবে উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি পরিবেশের কথাও ভাবতেই হয়। বেশিরভাগ প্রতিমা তৈরিতেই ব্যবহার হয় প্লাস্টার অফ প্যারিস, রাসায়নিক রং বা অন্যান্য অ-বিয়োজ্য উপকরণ। ফলে দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও তা জলে মেশে না।

Advertisement

চাইলে বাড়িতে থাকা কয়েকটি সাধারণ উপকরণ দিয়েই তৈরি করা যায় পরিবেশবান্ধব গণেশমূর্তি। আকারে তা ছোট হলেও রূপে তিলমাত্র কম নয়। এমন মূর্তি হাতেই বানাতে পারলে উৎসবের আনন্দে যোগ করা যায় নিজস্বতার ছোঁয়া (Eco-Friendly Ganesh Chaturthi)।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Eco-Friendly Ganesh Chaturthi: How to Make and Naturally Immerse Your Own Idol

Advertisement

যা যা লাগবে—
এই মূর্তি তৈরি করতে প্রয়োজন হলুদ গুঁড়ো, ময়দা, চিনি গুঁড়ো ও সামান্য জল। মূর্তির গায়ে নকশা করতে চাইলে কাঠের চামচ, টুথপিক প্রভৃতি ব্যবহার করা যায়। হাত মোছার জন্য নরম কাপড় সবসময় রাখুন নাগালে। শিশুরা এ কাজ করলে বড়দের নজরদারি থাকা জরুরি।

কীভাবে তৈরি করবেন?
প্রথমে একটি পাত্রে ময়দা, হলুদ গুঁড়ো ও চিনি গুঁড়ো নিন। অল্প অল্প করে জল দিয়ে মিশিয়ে নরম কিন্তু শক্তপোক্ত একটি ডো তৈরি করুন। খুব বেশি জল একসঙ্গে দেবেন না, কারণ মিশ্রণ অতিরিক্ত নরম হয়ে গেলে মূর্তির আকার দেওয়া কঠিন হবে।

এবার ডো-টি কয়েকটি ভাগে ভাগ করুন। একটি বড় অংশ দিয়ে গণেশের শরীর, আর ছোট অংশ দিয়ে মাথা তৈরি করুন। আলাদা করে শুঁড়, কান, হাত ও পা তৈরি করে শরীরের সঙ্গে জুড়ে দিন। শুঁড়টি সামান্য বাঁকিয়ে দিলে মূর্তি আরও সুন্দর হয়ে ওঠে।

এরপর কাঠি বা অন্য কোনও ভোঁতা সরঞ্জামের সাহায্যে চোখ, কানের নকশা এবং অন্যান্য সূক্ষ্ম অংশ ফুটিয়ে তুলুন। খুব ছোট বা ধারালো কোনও জিনিস ব্যবহার না করাই ভালো, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে। মূর্তি তৈরি হয়ে গেলে এবার শুকানোর পালা। বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় রেখে ধীরে ধীরে শুকিয়ে নিন।

সাজসজ্জাতেও থাকুক প্রকৃতির ছোঁয়া। কৃত্রিম গ্লিটার বা প্লাস্টিকের অলংকারের বদলে ফুল, পাতা দিয়ে তৈরি করুন সিদ্ধিদাতার আভূষণ।

উৎসবশেষে বালতির জলেই বিসর্জন দিন প্রতিমাটিকে। একদিকে তা যেমন পরিবেশবান্ধব হবে, অন্যদিকে তেমনই তা হয়ে উঠতে পারে পাখি ও পিঁপড়েদের খাদ্য। অর্থাৎ যথার্থ অর্থেই প্রকৃতিতে ফিরে যায় সিদ্ধিদাতার এই প্রতিমা। তবে প্রতিমা নির্মাণে যদি কৃত্রিম আঠা বা অন্য কোনও কৃত্রিম উপকরণ ব্যবহার করে থাকেন, তবে তা প্রাণীর ভোগ্য হয়ে না ওঠাই যথাযথ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.