আগুনে তপ্ত বৈশাখ। বাইরের চড়া রোদে শুধু যে শরীর অসুস্থ হচ্ছে তা নয়, প্রভাব পড়ছে ঘরের হেঁশেলেও। সাধারণ কিছু রান্নার উপকরণ এই গরমে সামলানো দায় হয়ে পড়ছে। কখনও দই টক হয়ে যাচ্ছে, আবার কখনও পনির হয়ে যাচ্ছে রাবারের মতো শক্ত। এই অস্বস্তিকর গরমে হেঁশেলের অবস্থা অথৈবচ। রান্নাঘর সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন গেরস্তরা। কয়েকটি কৌশলে এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। কীভাবে? জানুন।
আরও পড়ুন:

দই থাকবে টাটকা
গরমের দিনে দইয়ের পাত্র বাইরে রাখলেই দ্রুত গেঁজে ওঠে। সেই টক দই মুখে তোলা দায়। এই সমস্যার সমাধানে দইয়ের পাত্রে ফেলে রাখুন সামান্য এক টুকরো নারকেল। এতে দই দীর্ঘক্ষণ ফ্রেশ থাকবে। সহজে টক ভাব আসবে না। স্বাদও থাকবে একদম অটুট।
পনিরে আসবে নরম ভাব
ফ্রিজে রাখা পনির রান্না করলেই অনেক সময় শক্ত হয়ে যায়। রান্নার পর কামড় দিলে মনে হয় রাবার চিবোচ্ছেন। পনিরের সেই তুলতুলে ভাব ফেরাতে রান্নার আগে খানিকটা প্রস্তুতি নিন। পনিরের ছোট টুকরোগুলো হালকা গরম নুন-জলে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। এরপর রান্না করলে পনির হবে মাখনের মতো নরম। মশলাও ঢুকবে ভেতর পর্যন্ত।
বাসন পরিষ্কারের জাদু
রান্না করতে গিয়ে কড়াইয়ের তলা পুড়ে গেলে চিন্তার শেষ থাকে না। পোড়া দাগ তুলতে কালঘাম ছোটে গৃহিণীদের। এই কষ্ট কমাতে পোড়া কড়াইতে জল আর বেকিং সোডা দিয়ে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিন। দেখবেন পোড়া অংশগুলো ম্যাজিকের মতো আলগা হয়ে আসছে। ধোয়ার পর কড়াই ফিরে পাবে হারানো জেল্লা।

জ্বালা কমবে হাতে
লঙ্কা কাটলেই কি হাতে আগুন জ্বলে? এই বিড়ম্বনা এড়াতে লঙ্কা কাটার আগে হাতে সামান্য সরষের তেল বা দই মাখুন। এটি ত্বকের ওপর রক্ষাকবচ তৈরি করে। ফলে সরাসরি ঝালের ছোঁয়া লাগে না। লঙ্কা কাটার পরেও হাত থাকবে একদম শীতল।
রান্নায় অতিরিক্ত তেলের বিড়ম্বনা
কখনও কড়াইতে বেশি তেল পড়ে গেলে আঁতকে ওঠার কিছু নেই। তরকারির ঝোলে ভাসমান বাড়তি তেল সরাতে কয়েক টুকরো বরফ ফেলে দিন। তেলের ওপর বরফ পড়লে তেলের স্তরটি দ্রুত জমাট বেঁধে যায়। বরফ গলে যাওয়ার আগেই দ্রুত চামচ দিয়ে সেই জমাট বাঁধা তেলটুকু তুলে নিন। এই কৌশলে রান্না হবে স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু। সামান্য কিছু বুদ্ধি প্রয়োগ করলেই তীব্র গরমেও আপনার হেঁশেল থাকবে ঝঞ্ঝাটমুক্ত।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
কড়ি ফেললেই আফগান হচ্ছে ভারতীয়! বার্থ সার্টিফিকেট তৈরির অভিযোগে গ্রেপ্তার মালবাজারে পুরকর্মী
-
লাইন এড়িয়ে আউটডোরের টিকিট কাটার টোপ! এসএসকেএমে জালচক্রের রমরমা, গ্রেপ্তার ৩
-
রক্তপাতহীন বই-হত্যা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধ্বংসযজ্ঞ!
-
প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতিতে ভরসা বাড়ছে, এইমসের আদলে বঙ্গে এবার আয়ুর্বেদ হাসপাতাল!
-
‘এমন সিদ্ধান্ত কেন নেন যাতে বিতর্ক হয়’, খাম প্রতীক জটিলতায় কমিশনকে প্রশ্ন হাই কোর্টের