সারাদিনের অফিস শেষে যখন ক্লান্ত শরীরে ঘরে ফেরেন, তখন চারদিকের জঞ্জাল দেখলে বিরক্তি আসাটাই স্বাভাবিক। অধিকাংশ ব্যাচেলরের কাছেই ঘর গোছানো মানে এক হিমালয় সমান কঠিন কাজ। অথচ দৈনন্দিন অভ্যাসে সামান্য রদবদল আনলেই আপনার ছোট ঘরটিও হয়ে উঠতে পারে এক টুকরো শান্তির নীড়। একা থাকার ঝক্কি সামলেও কীভাবে ঘরকে পরিপাটি রাখবেন, রইল তার হদিশ।
আরও পড়ুন:

ঘর গোছানোর প্রধান অন্তরায় হল অপ্রয়োজনীয় জিনিসের স্তূপ। বিছানায় বাড়তি বালিশ বা চাদর থাকলে প্রতিদিন তা গোছাতে আলসেমি লাগে। তাই বাড়তি জিনিসপত্র আজই বিদায় করুন। ঋতুভেদে ভারী কম্বল বা বাড়তি লেপ গুছিয়ে রাখুন আলমারির ওপরের তাকে। মনে রাখবেন, বিছানায় জিনিসের ভিড় যত কম হবে, ঘর তত বেশি খোলামেলা দেখাবে।

কর্মব্যস্ত জীবনে ঘর গোছানোকে আলাদা কাজ না ভেবে অভ্যাসে পরিণত করাই আসল কৌশল। সকালে ঘুম থেকে উঠেই মাত্র দু-মিনিট সময় দিন। চাদরটা টেনে সমান করা আর বালিশগুলো ঠিক করে রাখলেই ঘরের ভোল বদলে যায়। সপ্তাহে প্রতিদিন সময় না পেলেও, ছুটির দিনটি বরাদ্দ রাখুন বড়সড় সাফাইয়ের জন্য। এতে ধুলোবালির স্তর জমবে না, মনের ওপর চাপও কমবে।
ব্যাচেলরদের ঘরের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল যত্রতত্র ছড়িয়ে থাকা পোশাক। চেয়ারের হাতল বা বিছানার কোণে কাপড় জমিয়ে রাখবেন না। বদলে হ্যাঙ্গার ব্যবহার করুন। ময়লা কাপড়ের জন্য ঘরের এক কোণে রাখুন একটি নির্দিষ্ট লন্ড্রি ব্যাগ। এতে ঘরের শ্রী যেমন ফিরবে, তেমনই নির্দিষ্ট দিনে কাপড় কাচতেও সুবিধা হবে।

জরুরি কাগজপত্র, চাবি বা নিয়মিত খাওয়ার ওষুধগুলো বিছানায় না ফেলে নির্দিষ্ট ড্রয়ার বা টেবিলের একপাশে গুছিয়ে রাখুন। দরকারের সময় হাতড়ে বেড়াতে হবে না। সামান্য সদিচ্ছা আর একটু গুছিয়ে চলার মানসিকতা থাকলে ব্যাচেলর জীবনও হতে পারে রাজকীয় ও আরামদায়ক। দিনশেষে পরিষ্কার ঘরই কিন্তু আপনার মানসিক প্রশান্তির চাবিকাঠি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
রামমন্দিরে ‘চুরি’ করেই বাড়ি, ফার্মহাউজ, গাড়ি! ফুলেফেঁপে উঠেছিল শ্যালক-জামাইবাবু জুটি
-
স্ট্রিটফুড হিসেবে দেদার বিকোচ্ছে ফড়িং-রেশমকীট ভাজা, অক্টোপাস-ঝিনুকেও রসনা চিনে
-
বিশ্বকাপ থেকে গ্রুপ পর্বে বিদায়, নেতৃত্ব হারাচ্ছেন হরমনপ্রীত? মুখ খুললেন কোচ অমল
-
বিজেপি তো কাউকে তো বলেনি পার্টি করলে এক্সট্রা করে কাজ পাবে: মল্লিকা
-
১৪৯ বছরের টেস্ট ক্রিকেটের বিশ্বরেকর্ড, ৪০১ রানের জুটিতে বিরাট জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের