CJP Protest Delhi

ইন্টারনেট ছাড়াই মেসেজ চালাচালি করছে ‘আরশোলা’রা! তাজ্জব পুলিশ, নেপথ্যে কোন প্রযুক্তি?

দিল্লি পুলিশের নজরে পুরো বিষয়টাই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২২, ২০২৬, ১৬:৪৩

options
link
ইন্টারনেট ছাড়াই মেসেজ চালাচালি করছে ‘আরশোলা’রা! তাজ্জব পুলিশ, নেপথ্যে কোন প্রযুক্তি?
ছবি: এআই নির্মিত।

ইন্টারনেট বন্ধ। তবু চালাচালি হচ্ছে মেসেজ! দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদীরা (CJP Protest Delhi) এভাবেই যোগাযোগ রাখছে বলে নজরে এসেছে দিল্লি পুলিশের। কনট প্লেস বা যন্তর মন্তরের মতো জায়গায় নেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার পরও কীভাবে সম্ভব হচ্ছে মেসেজ আদনপ্রদান? জানা যাচ্ছে, এর নেপথ্যে রয়েছে কিছু অ্যাপ! যার সাহায্যে ইন্টারনেট ব্লকিং কিংবা মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকার মতো পরিস্থিতিতেও দিব্যি চ্যাটিং করা যায়।

Advertisement

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পুলিশের সন্দেহের তির ব্লুটুথ-নির্ভর পরিষেবাকারী অ্যাপের দিকে। যদিও এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলা যায়নি। তবে প্রাথমিক ভাবে এটাই মনে করা হচ্ছে। বলে রাখা ভালো, হোয়াটসঅ্যাপ, সিগনাল, টেলিগ্রামের মতো অ্যাপের ক্ষেত্রে মোবাইল ডেটা কিংবা ওয়াই ফাই দরকার। কিন্তু অফলাইন মেসেজিং অ্যাপগুলি ব্যবহার করে ‘ব্লুটুথ লো এনার্জি’ প্রযুক্তি। এটা এমন এক তারবিহীন প্রযুক্তি, যা প্রায় সব আধুনিক স্মার্টফোনেই থাকে। এমন কিছু কিছু অ্যাপ স্থানীয় ভাবেই সীমাবদ্ধ। আবার বহু অ্যাপ আরও ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়।

Advertisement
Delhi Police investigate offline messaging apps used during the CJP protest
ছবি: সংগৃহীত।

সবচেয়ে পরিচিত অফলাইন মেসেজিং অ্যাপগুলোর মধ্যে একটি হল বিটচ্যাট। টুইটারের প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসি ২০২৫ সালের জুলাই মাসে এই অ্যাপটি বাজারজাত করেন। গুগল প্লে স্টোরে অ্যাপটি দশ লাখেরও বেশিবার ডাউনলোড করা হয়েছে। কোনও অ্যাকাউন্ট খোলা, ফোন নম্বর বা কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার প্রয়োজন নেই এই অ্যাপ ব্যবহার করতে গেলে। ব্লুটুথের মাধ্যমেই বার্তা চালাচালির সুবিধা দেয়। অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের আরও অফলাইন মেসেজিং অ্যাপও রয়েছে।

Advertisement

হোয়াটসঅ্যাপ, সিগনাল, টেলিগ্রামের মতো অ্যাপের ক্ষেত্রে মোবাইল ডেটা কিংবা ওয়াই ফাই দরকার। কিন্তু অফলাইন মেসেজিং অ্যাপগুলি ব্যবহার করে ‘ব্লুটুথ লো এনার্জি’ প্রযুক্তি।

দিল্লি পুলিশ ইতিমধ্যেই ইউজারদের তথ্য চেয়ে এই ধরনের অ্যাপের পরিষেবা প্রদানকারীদের কাছে চিঠি পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। তবে আপাতত কোনও নির্দিষ্ট অ্যাপের নাম উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া বিক্ষোভকারীদের শনাক্ত করতে কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেট প্রোটোকল ডিভাইস রেকর্ড (আইপিডিআর) পরীক্ষা ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছে এবং ফেসিয়াল রিকগনিশন বা মুখাবয়ব শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। উল্লেখ্য, বিশ্বজুড়ে বিশেষত হংকং, ইউক্রেন ও নেপালের বিভিন্ন বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের এই ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ও অনেক সময় এসব অ্যাপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.