সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চেন্নাইয়ের যে বাড়িতে ছোটবেলার অনেকটা সময় কেটেছে, যে বাড়ির আনাচে-কানাচে বড় হয়ে ওঠার বহু স্মৃতি জড়িয়ে, সুন্দর পিচাইয়ের সেই বাড়িই বিক্রি হয়ে গেল। গুগল সিইওর (Google CEO) অভিভাবকরা অশোক নগরের সেই বাড়িটি ভেঙে ফেলার পর সেই জমিটি বিক্রি করে দিলেন। পুরনো স্মৃতিকে বিদায় জানাতে হওয়ায় কান্নায় ভেঙে পড়েন পিচাইয়ের বাবা।
জানা গিয়েছে, তামিল অভিনেতা তথা প্রযোজক সি মানিকন্দন সুন্দর পিচাইয়ের (Sundar Pichai) বাড়িটি কিনেছেন। আসলে দীর্ঘদিন ধরে ফাঁকাই পড়েছিল এই বাড়ি। সুন্দরের পিতা স্টেনোগ্রাফার রেগুনাথ পিচাই আপাতত আমেরিকার বাসিন্দা। তাই চেন্নাইয়ের বাড়িটি বিক্রিরই সিদ্ধান্ত নেন তিনি। গুগল সিইও-র বাড়ি বিক্রির খবরটি পাওয়ামাত্র আসরে নেমে পড়েন মানিকন্দন। মানিকন্দন জানান, “সুন্দর আমাদের দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন। তাই তাঁর বাড়ি কিনতে পারাটা আমার কাছে অত্যন্ত সৌভাগ্যের। পিচাইয়ের মা আমায় নিজের হাতে কফি বানিয়ে খাইয়েছেন। প্রথম সাক্ষাতেই পিচাইয়ের বাবা আমার হাতে সমস্ত ডকুমেন্ট তুলে দিয়েছিলেন।”
[আরও পড়ুন: দ্রুত শুনানি সম্ভব নয়, প্রয়োজনও নেই, হাই কোর্টের নির্দেশে পিছিয়ে গেল অভিষেকের মামলা]
তবে রেগুনাথ পিচাই আমেরিকায় থাকায় এই সম্পত্তি কিনতে অন্তত চার মাস সময় লেগেছে মানিকন্দনের। পিচাইয়ের পিতা রেজিস্ট্রেশন অফিসে এসে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে যাবতীয় কাজ সেরেছেন। সেই সঙ্গে অভিনেতা আরও জানান, “আমার হাতে সব নথি তুলে দেওয়ার সময় চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি রেগুনাথ।” তবে এ নিয়ে সুন্দরের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি। ২০২১ সালে শেষবার এই বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। যদিও বাড়িটি তাঁর নামে না থাকায় বিক্রির প্রক্রিয়ায় তাঁকে অংশ নিতে হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।
[আরও পড়ুন: নাড্ডার আপ্ত সহায়ক সেজে ফোন! BJP বিধায়কদের থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতানোর ছক প্রতারকের]
সর্বশেষ খবর
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের
-
জুলাই গণহত্যা মামলায় ঢাকার প্রাক্তন কমিশনার-সহ ৩ পুলিশকর্মীর মৃত্যুদণ্ড
-
৭ মাস পর খুলছে কাঁকিনাড়া জুটমিল, শিল্পের পুনর্জাগরণে খুশি ৩০০০ শ্রমিক