PM Modi

সেশেলসে সনাতন ধর্মের জয়গান! একমাত্র হিন্দু মন্দিরে পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী

উথালপাথাল নীল সমুদ্র আর বিলাসবহুল রিসোর্টের জন্য বিশ্বজুড়ে খ্যাতি সেশেলসের। কিন্তু এই দ্বীপরাষ্ট্রেরই বুকে লুকিয়ে রয়েছে এক টুকরো ভারতবর্ষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ২০:৪৭

options
link
সেশেলসে সনাতন ধর্মের জয়গান! একমাত্র হিন্দু মন্দিরে পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী
সেশেলসের একমাত্র হিন্দু মন্দিরে প্রধানমন্ত্রী, ভ্রমণ তালিকায় রাখুন এই পুণ্যভূমি।

উথালপাথাল নীল সমুদ্র আর বিলাসবহুল রিসোর্টের জন্য বিশ্বজুড়ে খ্যাতি সেশেলসের। কিন্তু এই দ্বীপরাষ্ট্রেরই বুকে লুকিয়ে রয়েছে এক টুকরো ভারতবর্ষ। সম্প্রতি তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে সেশেলস গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর সেখানে গিয়েই তিনি পৌঁছে গেলেন ভিক্টোরিয়া শহরের বিখ্যাত ‘আরুল মিহু নবশক্তি বিনায়গর’ মন্দিরে। সেশেলসের একমাত্র হিন্দু মন্দিরে প্রধানমন্ত্রীর এই প্রার্থনা ঘিরে এখন নতুন করে চর্চায় এই পুণ্যভূমি। পর্যটকদের জন্যও এটি এক অনন্য আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।

Advertisement
ছবি: সংগৃহীত

এই মন্দিরের বিশেষত্ব কী?
১৯৯২ সালে সেশেলসের প্রবাসী হিন্দু সম্প্রদায়ের হাত ধরে গড়ে ওঠে এই মন্দির। এখানকার প্রধান আরাধ্য দেবতা বিঘ্নহর্তা গণেশ। তামিলনাড়ুর দ্রাবিড় স্থাপত্যশৈলীর আদলে তৈরি এই মন্দিরের প্রধান আকর্ষণ এর প্রায় ১০০ ফুট উঁচু প্রবেশদ্বার বা ‘গোপুরাম’। রঙিন ও নিখুঁত কারুকার্যে ভরা দেবদেবীর মূর্তি দূর থেকেই পথচলতি মানুষের চোখ টেনে নেয়। বাইরের চটকদার রঙের ঠিক বিপরীতে মন্দিরের গর্ভগৃহ বা ‘গর্ভগৃহম’ এক অদ্ভুত শান্ত ও স্নিগ্ধ পরিবেশে মোড়া।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উৎসবের মরশুম কখন?
যদিও বছরভর এখানে পুণ্যার্থীদের আনাগোনা থাকে, তবে উৎসবের দিনগুলিতে এই মন্দির অন্য রূপ নেয়। আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে দশ দিন ব্যাপী ‘রথ শোভাযাত্রা’ এবং জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে ‘কাভাদি উৎসব’ দেখতে বহু পর্যটক ভিড় করেন। এছাড়া গণেশ চতুর্থী ও দীপাবলির আলোয় সেজে ওঠে এই চত্বর।

Advertisement
ছবি: সংগৃহীত

কীভাবে যাবেন?
সেশেলসের রাজধানী ভিক্টোরিয়ার কুইন্সি স্ট্রিটে এই মন্দির অবস্থিত। সেশেলস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে মাত্র ২০ মিনিটের পথ। ট্যাক্সি বা পাবলিক বাসে সহজেই পৌঁছানো যায়। প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা এবং বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মন্দিরের দরজা খোলা থাকে।

ছবি: সংগৃহীত

আশেপাশে আর কী দেখার আছে?
মন্দির দর্শন শেষ করে পায়ে হেঁটেই ঘুরে নেওয়া যায় ভিক্টোরিয়ার বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান। ঢিলছোঁড়া দূরত্বেই রয়েছে বিখ্যাত ‘স্যার সেলউইন সেলউইন-ক্লার্ক মার্কেট’। এছাড়া কাছেই রয়েছে ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া ক্লক টাওয়ার, সেন্ট পলস ক্যাথেড্রাল এবং বোটানিক্যাল গার্ডেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.