Python

পাখি ধরতে গাছের মগডালে অজগর! তাড়া খেয়ে সোজা নিচে, তার পর…

আলিপুরদুয়ারের ঘটনায় উদ্ধার ৮ ফুট লম্বা বার্মিজ পাইথন। দেখে তাজ্জব এলাকাবাসী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৪, ২০:৫৯

options
link
পাখি ধরতে গাছের মগডালে অজগর! তাড়া খেয়ে সোজা নিচে, তার পর…

রাজ কুমার, আলিপুরদুয়ার: পাখি ধরতে গাছের মগডালে উঠে পড়েছিল বিশাল অজগর। কিন্তু এত বড় প্রাণী দেখে ভয়ে উড়ে যাওয়া দূর, পাখিরা এমনই কিচিরমিচির শুরু করল যে বিপদে পড়তে হল শিকারিকেই! বরং তাড়া খেয়ে পালিয়ে বাঁচল সে। এমনই অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে আলিপুরদুয়ারের ডিএস কলোনিতে। যা দেখে হেসে খুন এলাকাবাসী। কেউ কেউ অবশ্য ভয়ও পেয়েছেন।

Advertisement

আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জংশনের ডিএস কলোনি এলাকার পানাপুকুর সংলগ্ন একটি গাছে বাসা বেঁধে রয়েছে প্রচুর পাখি। মঙ্গলবার দুপুরে আচমকাই সেই গাছ দেখে পাখিদের কলতান শুনতে পান এলাকাবাসী। প্রচণ্ড চিৎকার-চেঁচামেচি করতে শুরু করে পাখিরা। তাতেই বাইরে ছুটে আসেন তাঁরা। গাছের দিকে নজর দিতেই তাঁরা দেখেন, মগডাল থেকে প্রায় ৮ ফুট লম্বা একটি বার্মিজ পাইথন (Python) ঝুলছে। তা দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে ভয় পেলেও সঙ্গে সঙ্গে খবর  পাঠানো হয় স্থানীয় এক পশুপ্রেমী সংস্থাকে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভোটের দিন বলিউড পরল সাদা পোশাক, টলিপাড়া কী ভাবছে?]

এলাকার বাসিন্দা রবীন্দ্র চক্রবর্তী জানিয়েছেন, তিনি যখন বাথরুমে স্নান করছিলেন, তখন হঠাৎ গাছে পাখিদের (Birds) তুমুল আওয়াজ শুনতে পান। কৌতূহলবশত তিনি বাইরে এসে দেখেন, গাছের ডালে একটি অজগর সাপ পেঁচিয়ে আছে। তিনি স্থানীয় ‘পিপলস ফর অ্যানিম্যালস’ সংস্থার সদস্যদের ডাকেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সংস্থার সদস্যরা। সকলে মিলে সাবধানে গাছের মগডাল থেকে বার্মিজ পাইথনটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যান। তাঁরা জানিয়েছেন, সাপটিকে প্রাথমিক শারীরিক পরীক্ষার পর গভীর জঙ্গলে (Jungle) ছেড়ে দেওয়া হবে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁরা বলছেন, পাখিদের কিচিরমিচির শুনেই অজগরটি খানিকটা ভয় পেয়ে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। লোকজনের চোখে ধরা পড়ার পরই তাকে উদ্ধার করা হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘সনাতন বিরোধী’ তোপ তৃণমূলকে, বিজেপির সোশাল মিডিয়া পোস্ট নিয়ে কমিশনে নালিশ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.