Pakistan

পাকিস্তানেই সম্ভব! ৫ বছর ধরে হাই কোর্টের বিচারপতি, তাঁর আইনের ডিগ্রিটাই ভুয়ো

তারেক মাহমুদ জাহাঙ্গিরি আদালতে ভুয়ো আইনের ডিগ্রির শংসাপত্র দিয়েছেন, এই অভিযোগে মামলা হতেই শুরু হয় তদন্ত প্রক্রিয়া। তাতেই একের পর এক চমকে দেওয়া তথ্য সামনে এসেছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৭:০৯

options
link
পাকিস্তানেই সম্ভব! ৫ বছর ধরে হাই কোর্টের বিচারপতি, তাঁর আইনের ডিগ্রিটাই ভুয়ো
১১৬ পাতার রায়ে আদালত জানিয়েছে, অভিযুক্ত বিচারপতি আসল নথি জমা দিতে পারেনি।

বৈধ-অবৈধের বিচার করেন যিনি, সেই বিচারপতির আইনের ডিগ্রিটাই নাকি ভুয়ো! এমন ঘটনা পাকিস্তানেই সম্ভব। গত পাঁচ বছর ধরে ইসলামাবাদ হাই কোর্টের বিচারপতির পদের দায়ভার সামলাচ্ছেন তারেক মাহমুদ জাহাঙ্গিরি। সম্প্রতি জানা গিয়েছে, তিনি জাল আইনের ডিগ্রি ব্যবহার করেই গুরু দায়িত্ব পেয়েছিলেন। এত বড় কেলেঙ্কারিতে প্রশ্ন উঠছে পাকিস্তানের বিচারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিয়েও।

Advertisement

তারেক মাহমুদ জাহাঙ্গিরি আদালতে ভুয়ো আইনের ডিগ্রির শংসাপত্র দিয়েছেন, এই অভিযোগে মামলা হতেই শুরু হয় তদন্ত প্রক্রিয়া। তাতেই একের পর এক চমকে দেওয়া তথ্য সামনে এসেছে। আদালত জানিয়েছে, জাহাঙ্গিরির শিক্ষাগত যোগ্যতার নথি জাল। পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক ডনের প্রতিবেদনে আদালতের ১১৬ পাতার রায় তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ১৯৮৮ সালে তিনি ভুয়ো এনরোলমেন্ট নম্বর ব্যবহার করে আইনের পরীক্ষা দেন। এমনকী পরীক্ষার সময় নকল করতে গিয়ে ধরা পড়েন। এরপর ১৯৮৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে তিন বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই শাস্তি এড়াতে নাম (তারিক জাহাঙ্গিরি) বদলে প্রতারণা করেন তিনি। ইমতিয়াজ আহমেদের নামে বরাদ্দ এনরোলমেন্ট নম্বর ব্যবহার করে পরীক্ষা দেন। চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন ওই ল কলেজের অধ্যক্ষও। তিনি জানান, জাহাঙ্গিরি কোনও দিন তাঁর প্রতিষ্ঠানে ভর্তিই হননি। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ডিসেম্বরে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন জাহাঙ্গিরি। তবে গত বছরের সেপ্টেম্বরেই তাঁকে বিচারকের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

Advertisement

১১৬ পাতার রায়ে আদালত জানিয়েছে, অভিযুক্ত বিচারপতি তারেক মাহমুদ জাহাঙ্গিরিকে আসল নথি জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। লিখিত জবাব চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি কোনওটাই জমা দিতে পারেননি। এর ফলেই তাঁকে অপসারিত করা হচ্ছে। যদিও এর পরেও প্রশ্ন উঠছে, বিচারপতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির জন্যই কি এই কাণ্ড ঘটেনি? জাল ডিগ্রি নিয়ে বিচারপতি হওয়া যতখানি ব্যক্তির অন্য়ায়, ততটাই প্রশাসনেরও। যাঁরা নকল ডিগ্রি পাইয়ে দিয়েছিলেন, নিয়োগ দিয়েছিলেন, তাদের শাস্তি হবে তো?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.