বেহালা

মস্তিষ্কে চলছে জটিল অস্ত্রোপচার, বেডে শুয়েই বেহালা বাজালেন লড়াকু রোগী

ভাইরাল ভিডিও দেখে চমকে গেল নেটদুনিয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২০, ২১:৩৬

options
link
মস্তিষ্কে চলছে জটিল অস্ত্রোপচার, বেডে শুয়েই বেহালা বাজালেন লড়াকু রোগী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অস্ত্রোপচারের কথা শুনলে অনেক রোগী দুশ্চিন্তা করতে শুরু করেন। চিকিৎসকরা নানা উপায়ে তাঁদের উদ্বেগ দূর করার চেষ্টা করেন। কিন্তু এ যেন একেবারে উলটপুরাণ। দুশ্চিন্তা তো দূর, টিউমার অস্ত্রোপচার করে বাদ দেওয়ার সময় নিজের মতো করে বেহালা বাজিয়ে গেলেন বছর তিপ্পান্নর এক মহিলা। সম্প্রতি এই ব্যতিক্রমী রোগীর এই ভিডিওই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। যা দেখে চিকিৎসকদের পাশাপাশি অবাক নেটিজেনরাও। এ-ও সম্ভব, প্রশ্নও তুলছেন অনেকেই।

Advertisement

ডাগমার টার্নার নামে ওই মহিলার মস্তিষ্কের ডানদিকে ফ্রন্টাল লোবের কাছে একটি টিউমার বাসা বেঁধেছে। তাই ইউরোপের একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসা চলছে তাঁর। চিকিৎসক কিংস কলেজের অধ্যাপক। মারণ টিউমারের জন্য সমস্ত ক্ষমতাই হারিয়েছেন তিনি। কঠিন অস্ত্রোপচার করে ওই টিউমার বাদ দেওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না চিকিৎসকদের। তাই বাধ্য হয়ে তাঁরা সেই সিদ্ধান্তই নেন। চিকিৎসক আগেই জানিয়েছিলেন, অস্ত্রোপচার যে সফল হবেই, তেমন গ্যারান্টি দেওয়া সম্ভব নয়। তা জানতেন ডাগমার নিজেও। কিন্তু অস্ত্রোপচারের দুশ্চিন্তা হার মানাতে পারেনি তাঁকে। পরিবর্তে অপারেশন টেবিলেও রোগী ছিলেন বেশ খোশমেজাজে। চিকিৎসকরা যখন রোগীকে সুস্থ করে তোলার জন্য প্রাণপণে চেষ্টা করছেন, তখন মনের সুখে বেহালা বাজাচ্ছেন রোগী। সেভাবে চলল অস্ত্রোপচারও। সেই ভিডিওই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। হু হু করে বাড়ছে লাইক-কমেন্টের সংখ্যা। রোগীর প্রাণশক্তি অবাক করে দিয়েছে প্রায় সকলকেই। ডাগমারের সুস্থতাও কামনা করছেন নেটিজেনরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: এই না হলে ভক্ত! ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূর্তি বানিয়ে ঈশ্বররূপে পুজো করেন তেলেঙ্গানার যুবক]

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে। ৯০ শতাংশ টিউমার বাদ দেওয়া গিয়েছে। বর্তমানে সুস্থ রয়েছেন ডাগমার। কিন্তু কেন অস্ত্রোপচারের সময় বেহালাতে মনোনিবেশ করলেন ডাগমার? তিনি বলেন, “দশ বছর বয়স থেকে বেহালা বাজাই। বেহালাই আমার নেশা। আমার সব কিছু। যখন শুনেছিলাম অস্ত্রোপচারে যথেষ্ট ঝুঁকি রয়েছে তখন সত্যিই খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। তবে চিকিৎসকদের ধন্যবাদ। তাঁরা অনেক পরিশ্রম করে আমাকে সুস্থ করে তুলেছেন।” জটিল অসুস্থতার জেরে অনেক সময় বহু মানুষই আতঙ্কিত হয়ে যান। তাই রোগ সারতে তো চায় না, পরিবর্তে আরও অসুস্থ পড়েন তাঁরা। কঠিন রোগে আক্রান্তদের কাছে ডাগমারই যেন একমাত্র অনুপ্রেরণা।

Advertisement

দেখুন ভিডিও:

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.