Guinness World Records

এত বড়! সত্যি! গিনেস বুকে নাম উঠল বিশ্বের সবচেয়ে ভারী এই আমটির

ওজন শুনলে অবাক হবেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২১, ২২:০৪

options
link
এত বড়! সত্যি! গিনেস বুকে নাম উঠল বিশ্বের সবচেয়ে ভারী এই আমটির

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সামনেই গরমের মরশুম। আবারও বাজারে দেখা মিলবে আমের। কিন্তু জানেন কী এর মধ্যেই খোঁজ মিলেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আমের। ভারতের জাতীয় ফল হলেও বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ওজনের আমের হদিশ কিন্তু এদেশে মেলেনি। বরং তা পাওয়া গিয়েছে কলম্বিয়ায় (Colombia)। শুধু খুঁজে পাওয়াই নয়, ইতিমধ্যে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে (Guinness World Records) নামও উঠে গিয়েছে ওই আমটির।

Advertisement

একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, কলম্বিয়ার বোয়াক্কা এলাকার গুয়াতার সান মার্টিনের এক ফার্মে দুই কলম্বিয়ান জার্মান অরল্যান্ডো নোভোয়া বারেরা এবং রেইনা মারিয়া মারোকুইন এই কীর্তি অর্জন করেছেন। কিন্তু কত ওজন ওই আমটির? জানা গিয়েছে, কলম্বিয়ার এই আমটির ওজন ৪.২৫ কেজি। হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। আর প্রায় সাড়ে চার কেজির আমটিই বিশ্বের সবচেয়ে ভারী আম। এর আগে এই রেকর্ডের মালিক ছিল ফিলিপিন্স। সেখানকার আমটির ওজন ছিল ৩.৪৩৫ কেজি। তবে জার্মান এবং রেইনারের এই আমটি সেই রেকর্ডই এবার ভেঙে দিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: অন্য মহিলার সঙ্গে ফোনে কথা, রাগে বয়ফ্রেন্ডের গলার নলি কেটে খুন করল যুবতী]

এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে জার্মান এবং রেইনা জানান, প্রাথমিকভাবে আমটি বড় হওয়ার সময়ই সেটি যে অন্যান্য ফলের থেকে আলাদা তা বুঝতে পারেন তাঁরা। এরপর জার্মানের মেয়ে নেট ঘেঁটে জানতে পারেন, তাঁদের ফার্মের আমটিই বিশ্বের সবচেয়ে ভারী আম। অর্থাৎ সেটির ওজনের সমান আম বিশ্বে আর একটিও নেই। এরপরই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম উঠে যায় জার্মান এবং রেইনা ও তাঁদের আমটির।

Advertisement

এই প্রসঙ্গে জার্মান বলেন, “এর মাধ্যমে আমরা গোটা বিশ্বকে জানাতে পেরেছি কলম্বিয়ার মানুষও কর্মঠ। যাঁরা ভালবেসেই চাষবাস করেন এবং এত সুন্দর ফলও উৎপাদন করতে পারেন। আশা করি, করোনা আবহে এই সাফল্য এলাকার অনন্যাদের মুখেও হাসি ফোটাবে।” তিনি এই সাফল্য আবার গুয়াতার লোকজনকেই উৎসর্গ করেন। তবে আমটি কিন্তু আর গাছে নেই। ইতিমধ্যে জার্মানরা সেটি খেয়েও ফেলেছেন। আর আমটি যে মিষ্টি ছিল, সেটিও জানিয়েছেন তাঁরা। তবে ইতিমধ্যে আমটির একটি রেপ্লিকা তৈরি করে স্মৃতি হিসেবে স্থানীয় প্রশাসনের হাতে তুলেও দিয়েছেন জার্মান এবং রেইনা। সেকথাও তাঁরা জানাতে ভোলেননি।

দেখুন ভিডিও:

 

[আরও পড়ুন:ছেলের বিয়ের দিনই মায়ের ঘোষণা, তিনি গর্ভবতী! একই সঙ্গে অন্তঃসত্ত্বা বউমাও]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন