প্রেম বয়সের বাধানিষেধ মানে না। আমির খান তার প্রমাণ দিয়েছেন। রিনা এবং কিরণের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মিস্টার পারফেকশনিস্টের মনের ঠিকানা বদল হয়েছে। গত দেড় বছর ধরে গৌরী মেগান স্প্র্যাটের প্রেমে পড়েছেন ষাটের 'যুবক'। আমিরের মনের মানুষই এখন টক অফ দ্য টাউন। কে এই গৌরী? জেনে নিন তাঁর পরিচয়।
২১০
গৌরী স্প্র্যাটের দাদু ফিলিপ স্প্র্যাট ইংল্যান্ড থেকে ভারতে আসেন। স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ দেন। স্বাধীন হওয়ার পর ভারতেই পাকাপাকিভাবে থেকে যান।
ওই পরিবারেই ১৯৭৮ সালের ২১ আগস্ট বেঙ্গালুরুতে জন্ম গৌরীর। বাবা রবার্ট স্প্র্য়াট, তামিল ব্রিটিশ এবং মা পাঞ্জাবি আইরিশ। উটির ব্লু মাউন্টেন স্কুলে পড়াশোনা করেন গৌরী। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী গৌরী আমিষ খাবারদাবার খেতে অভ্যস্ত। ২০০২ সালে পড়াশোনার জন্য টেমসের পাড়ে পাড়ি জমান। ইউনিভার্সিটি অফ দ্য আর্টস লন্ডনে পড়াশোনা করেন। এফডিএ স্টাইলিং অ্যান্ড ফটোগ্রাফি এবং ফ্যাশন নিয়ে পড়াশোনা করেন গৌরী।
৪১০
পড়াশোনা শেষের পর ২০০৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মার্মালেড নামে এক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০০৭ সালে বি ব্লান্ট@স্প্র্যাট প্রাইভেট লিমিটেডের ডিরেক্টর ছিলেন। জুহুর এই শোরুমটিতে কেশচর্চার সামগ্রীও বিক্রি হত। ২০০৮-২০১১ সাল পর্যন্ত ৩'সি টেক্স প্রাইভেট লিমিটেড সংস্থার ডিরেক্টর এবং ডিজাইন হেড ছিলেন। ২০০৯-২০১১ সাল পর্যন্ত প্রুহা ক্লথিং প্রাইভেট লিমিটেডের ডিরেক্টর ছিলেন গৌরী। ২০১২-২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বেঙ্গালুরুর দ্য লেদার বুটিকের কনসাল্টিং...
৫১০
পশু অধিকার আন্দোলন কর্মী হিসাবে বিপুল পরিচিতি রয়েছে গৌরীর। বাড়িতে একটি চারপেয়ে সঙ্গী রয়েছে তাঁর।
নিয়মিত যোগচর্চা করেন। ক্রিস্টাল হিলিংয়েও বিশ্বাসী গৌরী। অবসরযাপনে গল্পের বই পড়তে ভালোবাসেন। সুযোগ পেলেই ব্যাগ গুছিয়ে দূর দেশে বেড়াতে বেরিয়ে পড়েন গৌরী।
৭১০
এক সন্তানের মা গৌরী বিবাহবিচ্ছিন্না। বর্তমানে সিঙ্গল মাদার হিসাবেই ছেলের দায়িত্ব সামলান তিনি।
৮১০
আমির খানের সঙ্গে পঁচিশ বছরের বন্ধুত্ব গৌরীর। একসময় নাকি মিস্টার পারফেকশনিস্টের ছবি প্রযোজনায় সাহায্য করেছিলেন মোহময়ী।
৯১০
মাঝে বেশ কয়েকবছর অবশ্য যোগাযোগ ছিল না আমির-গৌরীর। রিনা ও কিরণের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আমিরের মনের শূন্যস্থান দখল করেন গৌরী।
১০১০
জীবনের বাকি পথ একে অপরের হাত ধরে হাঁটার পরিকল্পনা নেন। মন দেওয়া নেওয়া হয় দুজনের। সম্প্রতি আমিরের ৬০ তম জন্মদিনে শেষ হয় লুকোছাপা। সেদিনই নাকি সকলের সঙ্গে গৌরীর আলাপ করিয়ে দেন আমির।
লাইট-ক্যামরা, অ্যাকশন... বন্ধ সব! শুক্রবার দোল উদযাপনে মেতেছেন টলিউড সেলেবরা। কেউ জুটিতে, কারও বা দোলযাপন একাকী। রং বাহারি ছবি দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন মধুমিতা সরকার।
২১০
শুটের ব্যস্ততা, মেকআপের তাড়া, ডায়েট ভুলে হোলিতে মেতেছেন যশ-নুসরত। দোলে একে-অপরের সঙ্গে খুনসুঁটিতে মাতলেন। তবে সঙ্গে দেখা গেল না তাঁদের সন্তান জিশানকে।
মিমি চক্রবর্তী বরাবরই রঙের উৎসব থেকে খানিকটা দূরে থাকেন। টলিপাড়ার হইহট্টগোলের পার্টিতে তাঁকে দেখা যায় না। এবার দোল পূর্ণিমায় বাড়িতে রাধামাধবের পুজোর পাশাপাশি মা-বাবা এবং দুই পোষ্য সন্তানের সঙ্গে বসন্ত উৎসবে মাতলেন মিমি।
৫১০
টলিপাড়ার সবথেকে 'রঙিন জুটি'র খেতাব যদি কাউকে দিতে হয়, সেটা অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার প্রাপ্য। শুক্রবার রংবাহারি আবির দিয়ে একে-অপরের সঙ্গে দোলযাপন করলেন।
এদিকে 'খাদান'-এর 'কিশোরী' ইধিকা পালকে দেখা গেল একক রঙিন ফটোশুটে। অভিনেত্রীর চেহারায় যতটা না রঙের ছোঁয়া, তার চেয়েও চোখ টানল তাঁর রংবাহারি সুতোয় কাজ করা শাড়ি। নেপথ্যের কারিগর অনুশ্রী মালহোত্রা। সুন্দরী ইধিকার ফটোশুটে ঘায়েল নেটপাড়া।
৭১০
তবে শুক্রবার টলিপাড়ার জুটিদের মধ্যে কেউ যদি নজর কাড়েন, তাঁরা হলেন বনি-কৌশানী। রঙের উৎসবে 'জামাল কুদু' গানে তুমুল নাচ কৌশানীর। যোগ্য সঙ্গত দিলেন বনি। আর তাদের চিয়ারলিডারের ভূমিকায় নুসরত জাহান।
৮১০
অন্যদিকে ডিভোর্সের জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে হোলিতে পুরোদস্তুর রঙিন মেজাজে ধরা দিলেন টেলিপর্দার তারকাজুটি নীল-তৃণা।