Time capsule

ফিরে এল থমকে থাকা অতীত, হাঙ্গেরিতে মিলল ১৭৬ বছর পুরনো টাইম ক্যাপসুল

নথিগুলি শেষবার মানুষের হাতের স্পর্শ পেয়েছিল ১৮৪৫ সালে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২১, ১৪:০০

options
link
ফিরে এল থমকে থাকা অতীত, হাঙ্গেরিতে মিলল ১৭৬ বছর পুরনো টাইম ক্যাপসুল

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাঙ্গেরির (Hungary) বৃহত্তম গির্জার ক্রুশের মধ্যে পাওয়া গেল ১৭৬ বছরের পুরনো একটি টাইম ক্যাপসুল (Time capsule)। এস্টারগম ক্যাথিড্রাল নামক ওই গির্জার ভিতরে এত বছর তা গোপন ছিল। চলতি বছর গির্জা মেরামতির কাজ হওয়ার সময় আবিষ্কার হয় তামার সিল করা একটি কৌটো। গির্জার একশো মিটার চুড়োর উপর যে ক্রুশ রয়েছে, তার মধ্যে থেকে। এই চুড়ো হাঙ্গেরির সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গোলাগুলিতে তা অক্ষত ছিল। তামার কৌটোটি অবশ্য অক্ষত ছিল না। তবু তার ভিতর থেকে গির্জা নির্মাণ সংক্রান্ত নথি প্রায় নতুন অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে।

Advertisement

ক্যাথিড্রালের কোষাগারের ডিরেক্টর সাবা টরক জানিয়েছেন, ১৮২২ সাল থেকে যখন গির্জার নির্মাণকার্য শুরু হয়, সেই সময়ের বিরল বিবরণ রয়েছে ওই নথিতে। ১৮৪৫ সালে আর্চবিশপ জোসেফ কোপাচি এবং গির্জার প্রধান স্থপতি জোসেফ হিল্ড তামার ওই সিলিন্ডারটি গির্জার ক্রুশের মধ্যে রেখে দিয়েছিলেন। টরক বলেন, “আর্চবিশপ কোপাচি জানতেন, তাঁর জীবনকালে গির্জার কাজ সম্পূর্ণ হবে না। তাই ক্রুশের নির্মাণ শেষ হওয়ার পরে তিনি তাঁর সময়কার একটি চিহ্ন তার মধ্যে সংরক্ষিত করে যান।” এই নথির মধ্যে রয়েছে গির্জা নির্মাণের নানা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের স্মারক এবং একটি বই, যার মধ্যে নানা উপাসকের নাম নথিভুক্ত করা রয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ৯৯ বছরে যুবরাজ হয়েই প্রয়াণ, কেন ‘রাজা’ হওয়া হল না প্রিন্স ফিলিপের?]

“এই নথিগুলি শেষবার মানুষের হাতের স্পর্শ পেয়েছিল ১৭৬ বছর আগে। মনে হচ্ছে বহু বছর পেরিয়ে একটা অদ্ভুত যোগাযোগ স্থাপন হল,” বলেছেন অভিভূত টরক। সঙ্গে যোগ করেছেন, “তবে আমাদের দুর্ভাগ্য, কৌটোর মধে্য টাকাপয়সা ছিল না। তা হলে ওই টাকা থেকে গির্জা মেরামতি করার টাকা উঠে আসত।”

Advertisement

হাঙ্গেরির কাসল হিলে এস্টারগম ক্যাথিড্রাল তৈরি হয়েছিল। এক হাজার বছরেরও বেশি আগে ওই জায়গায় একটি গির্জা নির্মাণ করা হয়। ক্যাথিড্রালের লোহার চুড়ো তৈরি হয় ভিয়েনায়। দানিউব নদীর উপর তা ভাগ ভাগ করে নিয়ে আসা হয়েছিল হাঙ্গেরিতে।

[আরও পড়ুন: ইউরি গ্যাগারিন কি সত্যিই মহাকাশে যাওয়া প্রথম মানুষ? ইতিহাসের আড়ালে সংশয়ের কাঁটা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন