Mars

মঙ্গলে দীর্ঘ সময় ধরেই ছিল জলের অস্তিত্ব! চাঞ্চল্যকর দাবি চিনের রোভারের

গত মে মাস থেকে মঙ্গলের মাটিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে রোভার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০২২, ১৭:৩৬

options
link
মঙ্গলে দীর্ঘ সময় ধরেই ছিল জলের অস্তিত্ব! চাঞ্চল্যকর দাবি চিনের রোভারের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মঙ্গলে (Mars) যে এই মুহূর্তে জল নেই, সেকথা প্রমাণিত। কিন্তু কোনও সময়ই কি জলের অস্তিত্ব ছিল না পৃথিবীর প্রতিবেশী গ্রহে? নাকি সুদূর অতীতে সত্যিই জল ছিল এখানে? এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এখনও জানা যায়নি। তবে নানা সময়ে নানা সম্ভাবনার কথা শুনিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এবার মঙ্গলের মাটিতে গবেষণা চালিয়ে চিনের রোভার দাবি করল, মঙ্গলে অবশ্যই জল ছিল। এবং সেটাও ততটা প্রাগৈতিহাসিক সময়ে নয়, যতটা ভাবা হয়।

Advertisement

গত ফেব্রুয়ারিতে মঙ্গলের কক্ষপথে ঢুকে পড়েছিল চিনের মহাকাশযান। মে মাসে মঙ্গলপৃষ্ঠে অবতরণ করেছিল বেজিংয়ের মঙ্গলযান তিয়ানওয়েন-১ (Tianwen-1)। তারপর থেকে মঙ্গলপৃষ্ঠে ঘুরে বেড়িয়ে নমুনা সংগ্রহের কাজ করেছে রোভার জুরং। সেই রোভারেরই সংগ্রহ করা হাইড্রেটেড খনিজের নমুনায় মিলেছে মঙ্গলে জল থাকার চিহ্ন। মনে করা হচ্ছে, ৩০০ কোটি বছর আগেই হয়তো জল ছিল লালগ্রহে। ‘সায়েন্স অ্যাডভান্সেস’ নামের একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই সংক্রান্ত এক গবেষণাপত্র।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়ল ইডির, দিল্লি নয়, অভিষেক-রুজিরাকে কলকাতায় জেরার নির্দেশ]

গবেষকদের দাবি, রোভার সংগৃহীত নমুনা থেকে দেখা যাচ্ছে, মঙ্গলের মাটিতে ভূগর্ভস্থ জল ও বরফগলা জলের অস্তিত্ব ছিল একসময়। তারই চিহ্ন রয়ে গিয়েছে। এবং এো দাবি করা হয়েছে, সম্ভবত দীর্ঘ সময় ধরেই জলের অস্তিত্ব ছিল প্রতিবেশী গ্রহে।

Advertisement

মঙ্গলে জলের অস্তিত্ব নিয়ে এর আগে আমজনতার কৌতূহল বাড়িয়ে তুলেছিল পারসিভিয়ারেন্স (Perseverance)। সেই সময় কিছু পাথরের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছিল NASA। বিজ্ঞানীরা বলেছিলেন, এর খাঁজে খাঁজেই জল বয়ে গিয়েছিল একটা সময়ে। এখন তা শুকিয়ে খটখটে। চিহ্ন বয়ে রেখেছে শুধু পাথর। আমেরিকার পরে এবার একই দাবি চিনেরও। যা একদা মঙ্গলে জলের অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনাকেই আরও জোরাল করে তুলল।

[আরও পড়ুন: কেন্দ্রের কাছে বকেয়া ১০০ দিনের কাজের টাকা, সমস্যা মেটাতে নয়া দাওয়াই মুখ্যমন্ত্রীর]

প্রসঙ্গত, চিনের উপাস্য পৌরাণিক অগ্নিদেবতার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে রোভার জুরং-এর। দীর্ঘ সময়ে মঙ্গলপৃষ্ঠে নানা নমুনা সংগ্রহ করে চলেছে সেটি। খতিয়ে দেখছে মঙ্গলপৃষ্ঠের গঠন। চলছে বরফের সন্ধানও। যদি কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নজরে আসে তবে সেটিকে বিশেষ ভাবে পর্যবেক্ষণও করবে জুরং। এই মঙ্গল অভিযান নিয়ে অত্যন্ত উচ্চাশা রয়েছে চিনের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন