Moon

জানলা দিয়ে দেখতেন চাঁদ ছোঁয়ার স্বপ্ন! এবার বিক্রি হচ্ছে নীল আর্মস্ট্রংয়ের সেই ছোটবেলার বাড়ি

আইওয়ার শতাব্দীপ্রাচীন বাড়িটির দাম কত উঠল জানেন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৬, ১৬:০০

options
link
জানলা দিয়ে দেখতেন চাঁদ ছোঁয়ার স্বপ্ন! এবার বিক্রি হচ্ছে নীল আর্মস্ট্রংয়ের সেই ছোটবেলার বাড়ি
আমেরিকার আইওয়ায় নীল আর্মস্ট্রিংয়ের ছোটবেলার বাড়ি বিক্রির পথে, ছবি: সংগৃহীত

স্বপ্ন দেখলে তবেই তা সত্যি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু সকলের স্বপ্ন কি বাস্তবায়িত হয়? এই সংখ্যা খুব কম। অবশ্য বলা হয়, স্বপ্নদ্রষ্টার জোর তেমন থাকলে অবশ্যই একদিন তা ছোঁয়া যায়। সেই স্বপ্ন সত্যি করার এক কারিগর নিশ্চিতভাবে প্রথম চাঁদের মাটিতে পা রাখা আমেরিকার নীল আর্মস্ট্রং। সেই ছোট্টবেলা থেকে জানলা দিয়ে চাঁদের তাকিয়ে কতই না স্বপ্ন দেখতেন। সেটাই একদিন বাস্তবে ঘটিয়ে ফেলেছেন তিনি। আর্মস্ট্রংয়ের সেই ছোটবেলার স্মৃতি বিজড়িত বাড়িটি এবার বিক্রির পথে। আমেরিকার আইওয়ার তিনতলা বাড়ির দাম কত উঠল প্রায় ৪ লক্ষ ৩০ হাজার ডলার! কারা কিনছেন? এরপর কী হবে বাড়িটির? এসব নিয়ে স্বভাবতই কৌতূহল বাড়ছে সকলের। আসলে এই বাড়ি তো শুধু ইতিহাস নয়, বরং এক ইতিহাস রচয়িতার আবেগের সৌধ।

Advertisement

৬০১, ডব্লু বেন্টন স্ট্রিট, আইওয়া। এই ঠিকানাই আপাতত আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনতলা বাড়িটির বয়স ঠিক ১১৮ বছর। ১৯০৮ সালে তৈরি বাড়িটি ১৯৪৪ সালে কিনেছিল আর্মস্ট্রং পরিবার। তখন নীল আর্মস্ট্রং কিশোর। কিন্তু সেই সময় থেকেই স্বপ্ন দেখতেন। খোলা জানলা দিয়ে রাতের আকাশে চাঁদের দিকে তাকিয়ে দেখতে দেখতে কখন যে চাঁদ ছোঁয়ার ইচ্ছেটা তীব্রভাবে তাঁর ভিতরে জেগে উঠেছিল, হয়ত জানতেও পারেননি।

৬০১, ডব্লু বেন্টন স্ট্রিট, আইওয়া। এই ঠিকানাই আপাতত আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনতলা বাড়িটির বয়স ঠিক ১১৮ বছর। ১৯০৮ সালে তৈরি বাড়িটি ১৯৪৪ সালে কিনেছিল আর্মস্ট্রং পরিবার। তখন নীল আর্মস্ট্রং কিশোর। কিন্তু সেই সময় থেকেই স্বপ্ন দেখতেন। খোলা জানলা দিয়ে রাতের আকাশে চাঁদের দিকে তাকিয়ে দেখতে দেখতে কখন যে চাঁদ ছোঁয়ার ইচ্ছেটা তীব্রভাবে তাঁর ভিতরে জেগে উঠেছিল, হয়ত জানতেও পারেননি। কাগজের বিমান বানিয়ে জানলা দিয়ে ওড়াতেন। বাড়ির পিছনের খোলা জায়গায় হাওয়ার গতিবেগ নিয়ে নিজের মতো পরীক্ষানিরীক্ষা করতেন। কিশোরকালে দেখা এসব স্বপ্নই বড় হয়ে বাস্তবায়িত করেন নীল আর্মস্ট্রং। প্রথম মানুষ হিসেবে চাঁদের মাটিতে পা রাখার ইতিহাস গড়েছিলেন। এখনও মহাকাশ গবেষণায় তিনিই পথিকৃৎ।

Advertisement

যে বাড়িতে বসে একদিন ইতিহাসের সূচনা করেছিলেন কিশোর আর্মস্ট্রং, আইওয়ার সেই শতাব্দীপ্রাচীন বাড়িটি এবার বিক্রির পথে। অবশ্য এবারই প্রথম নয়। ১৯৮৮ সালে আর্মস্ট্রং পরিবারের কাছ থেকে বাড়িটি কিনে নিয়েছিলেন কারেন মাইকসেল নামে ইতিহাসের শিক্ষক। এতদিন তিনি বাড়িটিকে নীল আর্মস্ট্রংয়ের বাড়ি হিসেবেই রেখেছিলেন। যতটা সম্ভব পরিবেশ বজায় রেখেছিলেন। কারেন জানান, বাড়িটি কেনার সময় তিনি জানতেন না যে এককালে এখানে থাকত আর্মস্ট্রং পরিবার। পরে তা জানার সঙ্গে সঙ্গেই পরিবেশ সংরক্ষণের দিকে নজর দেন।

Advertisement

প্রায় ৪০ বছর পর ঐতিহাসিক বাড়িটির মালিকানা বদল হতে চলেছে। ৪ লক্ষ ৩০ হাজার ডলারে বিক্রি হচ্ছে বাড়িটি। কে বা কারা কিনবেন, সেই তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি এখনও। বিক্রির প্রাক্কালে কারেনের একটাই আর্জি, ‘‘আমার মতো করে যেন নতুন মালিক বাড়ির পরিবেশ অটুট রাখেন। নীল আর্মস্ট্রংয়ের বাড়িতে থাকা বড় আশীর্বাদ। আমার মতো আরও কেউ সেই আশীর্বাদ পান, এই শুভেচ্ছা রইল।”

প্রায় ৪০ বছর পর ঐতিহাসিক বাড়িটির মালিকানা বদল হতে চলেছে। ৪ লক্ষ ৩০ হাজার ডলারে বিক্রি হচ্ছে বাড়িটি। কে বা কারা কিনবেন, সেই তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি এখনও। বিক্রির প্রাক্কালে কারেনের একটাই আর্জি, ‘‘আমার মতো করে যেন নতুন মালিক বাড়ির পরিবেশ অটুট রাখেন। নীল আর্মস্ট্রংয়ের বাড়িতে থাকা বড় আশীর্বাদ। আমার মতো আরও কেউ সেই আশীর্বাদ পান, এই শুভেচ্ছা রইল।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.