Meteor

আমেরিকায় উল্কাপাত! প্রচণ্ড শব্দ ও আলোর ঝলকানি ঘিরে চাঞ্চল্য

উল্কাটি মাটিতে আছড়ে পড়ার সময় কাঁপিয়ে দিয়েছিল আশপাশের বাড়িগুলিকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২১, ১৬:৫২

options
link
আমেরিকায় উল্কাপাত! প্রচণ্ড শব্দ ও আলোর ঝলকানি ঘিরে চাঞ্চল্য
প্রতীকী ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সন্ধের অন্ধকার আকাশে হঠাৎই ছুটন্ত আলোর রেখা। আর তারপরই প্রচণ্ড শব্দ ও আলোর ঝলকানি। এভাবেই আমেরিকার (US) ভারমন্ট প্রদেশের বাসিন্দারা সাক্ষী হলেন এক চাঞ্চল্যকর উল্কাপাতের। কেবল আমেরিকাই নয়, ওই উল্কাপাতের ছটা নজরে এসেছে নিউ ইংল্যান্ড ও কানাডা থেকেও।

Advertisement

নাসা জানিয়েছে, ওই উল্কা (Meteor) মাটিতে আছড়ে পড়ার তীব্রতা ছিল ২০০ কিলোগ্রাম টিএনটি বা ট্রাইনাইট্রোটলুইন বিস্ফোরণের সমান। বিজ্ঞানীদের অনুমান, ওই উল্কাপিণ্ডটির ওজন ছিল প্রায় সাড়ে চার কেজি। দৈর্ঘ্যে ১৫ সেন্টিমিটার। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঢুকে পড়ার পরে তার গতিবেগ ছিল প্রতি ঘণ্টায় ৬৮ হাজার কিলোমিটার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Advertisement

[আরও পড়ুন: সমুদ্রের তীরে উদ্ধার অতিকায় প্রাণীর দেহ! রহস্য ঘনাচ্ছে ২৩ ফুটের ‘দানব’ শরীর ঘিরে]

ওজনে পাঁচ কেজির কম হওয়া সত্ত্বেও কী করে ওই পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করল উল্কাটি? বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, এর পিছনে অন্যতম কারণ উল্কাপিণ্ডটির দুর্দান্ত গতি। যার ফলে বায়ুমণ্ডলে ঢুকে পড়ার পর তার গতিপথে তৈরি হয়েছিল প্রবল চাপ। যার ফলে বাতাসে খানিকটা করে শূন্য অংশ সৃষ্টি হয়। নাসা জানিয়েছে, এর ফলেই ওই প্রবল শব্দের জন্ম হয়েছিল। উল্কাটি মাটিতে আছড়ে পড়ার সময় প্রবল ভাবে কেঁপে উঠেছিল আশপাশের বাড়ি। আর সেই সঙ্গে উৎপন্ন হয়েছিল প্রচণ্ড শব্দ।

উল্কাটি প্রথম দেখতে পাওয়ার উত্তেজনাময় মুহূর্তটির কথা জানিয়েছেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। তাঁর কথায়, ”আমি ভাগ্যবান যে একই সঙ্গে উল্কাটিকে দেখতেও পেয়েছিলাম। আবার তার আছড়ে পড়ার শব্দও পেয়েছিলাম মিসিসকোই নদীর ধারে। সূর্যাস্তের ঠিক আগে আছড়ে পড়েছিল উল্কাটি। যেখানে ছিলাম, সেখানে শব্দের প্রাবল্য অত বেশি না থাকলেও শব্দ হয়েছিল। আর ঠিক তখনই আমি আকাশের দিকে তাকিয়েছিলাম। দেখেছিলাম আকাশে আলোর ছটা। দারুণ অভিজ্ঞতা!”

প্রসঙ্গত, উল্কাকে বলা হয় মহাকাশের জানলা। বিভিন্ন সময়ে পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়া উল্কাপিণ্ডকে নিরীক্ষণ করেই সভ্যতার গতিবিধি ও বিশ্বে প্রাণের স্বরূপকে বুঝতে সাহায্য করেন বিজ্ঞানীরা।

[আরও পড়ুন: বিনা খরচে বেড়াতে যেতে চান চাঁদে? সঙ্গী খুঁজছেন জাপানের ধনকুবের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন