IND vs ENG

লর্ডসে আগ্রাসনের নাম সিরাজ, ইংরেজদের ভাষাতেই পালটা দিয়ে জয়ের খোঁজে টিম ইন্ডিয়া

ইংল্যান্ডের মতো করেই ফাঁদে ফেলে আউট করা হল ইংরেজ ব্যাটারদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৫, ১৭:৪৯

options
link
লর্ডসে আগ্রাসনের নাম সিরাজ, ইংরেজদের ভাষাতেই পালটা দিয়ে জয়ের খোঁজে টিম ইন্ডিয়া

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুভমান গিল নাকি আগ্রাসী নন! এজবাস্টনে ঐতিহাসিক জয়ের আগে পর্যন্ত সমালোচনা কম হয়নি। আগ্রাসনের নিরিখে তিনি নাকি বিরাট কোহলির জুতোয় পা গলাতে শেখেননি। গিল কী শিখেছেন আর কী শেখেননি, তার প্রমাণ ইতিমধ্যেই দিয়েছেন। লর্ডস টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষে ইংরেজরা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন অধিনায়ক গিলের আগ্রাসন কাকে বলে? চতুর্থ দিনে আগুনে মেজাজে তাঁকে সঙ্গ দিলেন মহম্মদ সিরাজ, নীতীশ কুমার রেড্ডিরা। শুধু বোলিংয়ে নয় শরীরী ভাষাতেও। চতুর্থ দিনে লাঞ্চ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের রান ৪ উইকেট হারিয়ে ৯৮।

Advertisement

লর্ডসে তৃতীয় দিনের শেষ ওভারে ইংরেজ ব্যাটারদের রীতিমতো মারকাটারি মেজাজে তেড়ে গেছিলেন ভারত অধিনায়ক। এমনকী, দুই ইংরেজ ওপেনারকে গালাগালও করতে শোনা যায় তাঁকে। প্রথম ইনিংসে অল আউট হওয়ার পর যেটুকু সময় বাকি ছিল, তাতে অন্তত দু’ওভার বল করার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ভারতীয় শিবিরের। দিনের শেষদিকে নতুন বলের সুইং সামলানোটা যে কোনও ব্যাটারের পক্ষেই চাপের। বেন ডাকেট, জ্যাক ক্রলিরা তাই নানা আছিলায় সময় নষ্টের চেষ্টা করেন তাঁরা। তাতেই রেগে যান ভারত অধিনায়ক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অবশ্য ‘রাগ’ কাকে বলে, সেটা চতুর্থ দিনে গোটা ভারতীয় দলের থেকেই টের পেল ইংল্যান্ড। প্রথম থেকেই ইংরেজ ব্যাটারদের শরীরের কাছে বল নিয়ে আসছিলেন বুমরাহরা। যেভাবে আহত ঋষভ পন্থকে লক্ষ্য করে ‘বডিলাইন’ করছিলেন আর্চাররা। ভারতই বা কম যাবে কেন? হাতে বলের আঘাতে ক্রলি গ্লাভস খুলে ফেললেন। অসমান বাউন্সও সাহায্য করল। অস্বস্তিতে পড়লেন বেন ডাকেটও। তারপর শুরু হল সিরাজের আক্রমণ। ডাকেট (১২) ও অলি পোপ (৪) দুজনকেই দ্রুত ফেরালেন তিনি। ডাকেটকে আউট করে তো আগুনে মেজাজ নিয়ে তেড়ে গেলেন। পোপের ক্ষেত্রেও আগ্রাসন লুকনো রইল না। এমনকী এই এলবিডব্লুর ক্ষেত্রে গিলকে কার্যত জোর করলেন রিভিউ নিতে। 

Advertisement

কিছুক্ষণের মধ্যেই গিল নিয়ে এলেন নীতীশ রেড্ডিকে। ডিউক বল পুরনো হতে শুরু করেছে, নিষ্প্রাণ পিচ থেকেও বিশেষ কিছু পাওয়া যাবে না। তাই বদলি উইকেটকিপার ধ্রুব জুরেলকে সামনে নিয়ে এলেন। ক্রিজ ছেড়ে সামনে বেরিয়ে খেলার পথ বন্ধ হয়ে গেল ক্রলির। ঠিক যেভাবে গিলকে আউট করেছিল ইংল্যান্ড। নীতীশ রেড্ডি ক্রমাগত বল ভিতর দিকে নিয়ে এলেন। ফাঁদে পা দিয়ে ক্যাচ দিলেন ক্রলি। ক্ষিপ্রতার সঙ্গে সেই ক্যাচটা ধরলেন কে? যশস্বী জয়সওয়াল। তাঁর ক্যাচ মিসের বদনাম কিছুটা ঘুচল। হ্যারি ব্রুক পালটা আক্রমণের পথ নিয়েছিলেন। ১৯ বলে ২৩ রানও করে ফেলেন তিনি। তাঁকেও পছন্দের শট সুইপের ফাঁদে ফেলেই আউট করলেন আকাশ দীপ। লাঞ্চের সময় ব্যাট করছেন জো রুট ও বেন স্টোকস। বল বা পিচ, দুটো থেকেই বেশি কিছু আশা করা মুশকিল। সেক্ষেত্রে মিলিত আগ্রাসনে চাপ তৈরি করেই ইংল্যান্ডকে দ্রুত আউট করে জয়ের খোঁজ করতে পারে টিম ইন্ডিয়া।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.