মহিলা দলের প্রাক্তন নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছিলেন তিনি। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তদন্তে অসন্তুষ্ট জাহানারা আলম। তদন্ত কমিটির প্রাথমিক রিপোর্ট নিয়ে সরাসরি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক।
আরও পড়ুন:
জাহানারার অভিযোগের ভিত্তিতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল বিসিবি। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি তারিক উল হাকিম কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিসিবি আধিকারিক রুবাবা দৌলা এবং সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা। জাহানারার অভিযোগ ছিল, ২০২২ সালে মহিলাদের বিশ্বকাপ চলার সময় তাঁকে যৌন হেনস্তা করেছিলেন মঞ্জুরুল। এমনকী তাঁকে ভয়ও দেখানো হয়। এরপর তদন্ত কমিটি গঠনের পর ১৫ দিনের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে বলা হলেও পরে দু-দু’বার সময় বাড়ানো হয়।
বিসিবি’র একটি বিবৃতিতে জানা যায়, জাহানারার মোট চারটি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত হয়েছে। এর মধ্যে দু’টি অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রাথমিক তদন্তের প্রমাণ মঞ্জুরুলের বিরুদ্ধে গেলেও বাকি দু’টি ক্ষেত্রে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিবৃতিতে বলা হয়, “স্বাধীন কমিটির তদন্ত চালিয়েছে। বিসিবি তাদের আইনি দলকে বিষয়টি দেখতে বলেছে। যৌন হেনস্তার মতো ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। এই বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কড়া ব্যবস্থা নেবে।”
যদিও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তদন্তে অসন্তুষ্ট জাহানারা। তাঁর আইনজীবী অভিযোগের সুরে বলেন, “অভিযোগকারী হিসাবে তদন্তের ফলাফল জানার পূর্ণ অধিকার রয়েছে জাহানারার। কিন্তু বিসিবি’র তরফে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। এমনকী তদন্ত রিপোর্টের কোনও কপি তাঁকে সরবরাহ করা হয়নি। যৌন হেনস্তা, অসদাচরণ, গোপনীয়তা লঙ্ঘনের মতো গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে এ ধরনের গোপনীয়তা হতাশাজনক।” আরও বলা হয়, স্বচ্ছভাবে তদন্ত হলে জাহানারাকে জানানো হত। জানা গিয়েছে, বিসিবি’র কাছে আরও স্বচ্ছতার দাবি করেছেন জাহানারা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
পুরাতনের গন্ধমাখা পোড়ো বাড়িই হোম স্টে! মধুচন্দ্রিমার নয়া ডেস্টিনেশন চিনের এই উপত্যকা
-
একবার ভিজলেই দফারফা! বর্ষায় চামড়ার জুতোর যত্ন নেবেন কীভাবে?
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে লজ্জার মুখে টিম ইন্ডিয়া, সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে সুযোগ পাবে বৈভব?
-
এবার কলকাতার রাস্তা হকারমুক্ত হবে? বড় ইঙ্গিত দিলীপ ঘোষের
-
এক সপ্তাহের ডেডলাইন! জবরদখল হঠাতে শিয়ালদহ ও সুকান্ত সেতুতে নোটিস পুরসভার