Mohammed Shami

‘ওকে যা খুশি বলতে দিন’, আগরকরকে খোঁচা দেওয়ার পরেই রনজিতে সাফল্য শামির

আর কী বলেছেন তারকা পেসার?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৮, ২০২৫, ১৯:০৫

options
link
‘ওকে যা খুশি বলতে দিন’, আগরকরকে খোঁচা দেওয়ার পরেই রনজিতে সাফল্য শামির
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতীয় দলে এখন তিনি ব্রাত্য। ফিটনেস সংক্রান্ত সমস্যা নেই বলেই ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলছেন। ওভারের পর ওভার বলও করছেন পুরনো মেজাজে। ফিট না থাকলে কি সেটা সম্ভব হত? এ কথা নিজেও বলেছিলেন মহম্মদ শামি। অথচ টিম ইন্ডিয়ার নির্বাচকপ্রধান অজিত আগরকরের দাবি, তাঁকে নিয়ে বিসিসিআইয়ের কাছে নাকি কোনও তথ্য নেই। এসব ধোঁয়াশাপূর্ণ মন্তব্যের মাঝেও রনজিতে উজ্জ্বল তারকা পেসার। তবে, আগরকরকে রনজির তৃতীয় দিন খোঁচা দিতে ছাড়েননি শামি। এর পরেই জ্বলে উঠলেন তিনি। উত্তরাখণ্ডের ধাঁচা ভেঙে বাংলার গোটা ৬ পয়েন্ট এল যেভাবে, তার মূল কাণ্ডারি তারকা এই পেসার।

Advertisement

নিখুঁত লাইন-লেংথ, দুর্দান্ত সিম মুভমেন্ট, অবিশ্বাস্য কন্ট্রোল। শামির বোলিংকে এভাবেই ব্যাখ্যা করা যায়। তৃতীয় দিনের শেষে মনে হয়েছিল ম্যাচটা ড্রয়ের দিকে যাচ্ছে। জিততে গেলে অতিমানবীয় কিছু করতে হত বাংলাকে। শনিবার সেই দায়িত্ব নিলেন শামি। উইকেটে থিতু হয়ে যাওয়া কুণাল চান্ডেলা তাঁর বলে ঠকে এলবিডব্লিউ। সেই শুরু। তারপর আয়ারাম গয়ারাম অবস্থা হল উত্তরাখণ্ডের। শামির ব্রেক থ্রুর পর বাংলার অন্য পেসাররাও রীতিমতো জ্বলে উঠলেন। আসলে মাঠে যখন শামির মতো বোলার থাকলে বাকিরা অনুপ্রাণিত হবেই। এটাই স্বাভাবিক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মাত্র একটা দিন আগে আগরকর বলেছিলেন, “ইংল্যান্ড সিরিজের আগে আমরা বলেছিলাম যদি শামি ফিট থাকে, তাহলে দলে জায়গা পাবে। আমাদের ঘরোয়া মরশুম সদ্য শুরু হয়েছে। আমরা দেখব ও যথেষ্ট ফিট কি না। আরও কয়েকটা ম্যাচ দেখতে চাই। কিন্তু গত ৬-৮ মাসে ছবিটা এরকম ছিল না। অস্ট্রেলিয়া সফরে আমরা ওকে মরিয়া হয়ে দলে নিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ওর ফিটনেস সেরকম নয়। যদি আগামী কয়েকমাস ফিট থাকতে পারে, তাহলে গল্পটা অন্যরকম হতে পারে।”

Advertisement

রনজি ট্রফির বাংলার প্রথম ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেট পান শামি। দ্বিতীয় ইনিংসেও ৪ উইকেট পান। আর আগে অবশ্য আগরকরকে একহাত নিয়ে শামি বলেছেন, “যা খুশি বলতে দাও ওকে। সবাই দেখেছে কেমন বোলিং করেছি। সব কিছুই চোখের সামনে ঘটেছে।” উত্তরাখণ্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে অধিনায়ক কুণাল চান্ডেলার সঙ্গে শামি সাজঘরে ফেরান অভয় নেগি, জন্মেজয় জোশি এবং রাজন কুমারকে। দু’টি ইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন মহম্মদ শামি। এই পারফরম্যান্সই বুঝিয়ে দিল অস্ট্রেলিয়া সফরে তাঁর ভারতীয় দলে থাকা উচিত ছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.