Mohun Bagan

টানটান ম্যাচ শেষে টাই স্কোর, তবু ভবানীপুরকে হারিয়ে জেসি মুখার্জি চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান, কীভাবে? 

জেসি মুখার্জি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের ফাইনালে ভবানীপুর ক্লাবকে হারিয়ে শিরোপা জিতল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। সব মিলিয়ে দুরন্ত এক ম্যাচের সাক্ষী থাকলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।

Advertisement
আলাপন সাহা
আলাপন সাহা

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২৬, ১৬:৫৮

options
link
টানটান ম্যাচ শেষে টাই স্কোর, তবু ভবানীপুরকে হারিয়ে জেসি মুখার্জি চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান, কীভাবে? 
শিরোপাজয়ী মোহনবাগান। ছবি সিএবি।

রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনা, চূড়ান্ত নাটকীয়তা আর শেষ পর্যন্ত নিয়মের সূক্ষ্ম ব্যবধানে চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান। সিএবি জেসি মুখার্জি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের ফাইনালে ভবানীপুর ক্লাবকে হারিয়ে শিরোপা জিতল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। 

Advertisement

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় মোহনবাগান। শুরুটা কিছুটা ধীরগতির হলেও মাঝে এসে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন শাকির হাবিব গান্ধী। তাঁর ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৫৩ বলে ৯৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস। তাঁর এই বিস্ফোরক ব্যাটিং এবং বিবেক সিংয়ের ৩৮ বলে ৪৬ রানে ভর করেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান তোলে মোহনবাগান। ভবানীপুরের হয়ে তৌফিক উদ্দিন নেন ২৩ রানে ২ উইকেট এবং গীত পুরি শিকার ৩২ রানে ২ উইকেট।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শাকির হাবিব গান্ধীর বিস্ফোরক ব্যাটিং এবং বিবেক সিংয়ের লড়াকু ইনিংসে ভর করেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান তোলে মোহনবাগান। জবাবে আগ্রাসী শুরু করে ভবানীপুরও। 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভবানীপুর ক্লাব দারুণ লড়াই উপহার দেয়। শুরু থেকেই তাদের ব্যাটাররা আগ্রাসী মেজাজে খেলতে থাকে। অখিল মাত্র ২৭ বলে ঝড়ো ৫৫ রান করে দলের জয়ের আশা জিইয়ে রাখেন। যুবরাজ দীপক কেশওয়ানি করেন ২৭ বলে ৩২। ম্যাচ ক্রমশ রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতিতে পৌঁছায়। শেষ ওভারের শেষ বলে ভবানীপুরের জয়ের জন্য দরকার ছিল ২ রান। তবে সেই বলটি ওয়াইড হওয়ায় সমীকরণ নেমে আসে ১ বলে ১ রানে। সেই শেষ বলে রান নিতে গিয়ে ভবানীপুরের ব্যাটার আউট হয়ে যান। ফলে ম্যাচের স্কোর সমান হয়ে যায়।

Advertisement

শেষ বলে রান নিতে গিয়ে ভবানীপুরের ব্যাটার আউট হয়ে যান। ফলে ম্যাচের স্কোর সমান হয়ে যায়।

দুই দলের রান সমান হলেও শেষ পর্যন্ত বিজয়ী ঘোষণা করা হয় মোহনবাগানকে। সবুজ-মেরুন শিবির ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান তোলে, জবাবে ভবানীপুর ক্লাবও একই রান করলেও তাদের খরচ হয় ৮ উইকেট। কম উইকেট হারানোর নিরিখেই শেষ হাসি হাসে মোহনবাগান। ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন শাকির হাবিব গান্ধী, তাঁর ম্যাচজয়ী ইনিংসের জন্য। তাঁর দুর্দান্ত ব্যাটিংই শেষ পর্যন্ত দলের শিরোপা জয়ের ভিত গড়ে দেয়। বোলিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন মোহনবাগানের রবি কুমার। ৪৫ রান দিলেও ৩ উইকেট নেন তিনি। প্রদীপ্ত প্রামাণিক ২৭ রানে তুলে নেন ২টি উইকেট।

ফাইনাল শেষে সিএবি সচিব বাবলু কোলে মোহনবাগান অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণের হাতে ট্রফি তুলে দেন। পাশাপাশি ভবানীপুর ক্লাবের অধিনায়ক ঋত্বিক রায়চৌধুরীর হাতে রানার্স-আপ ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, সিএবি অবজার্ভার্স কমিটির চেয়ারম্যান শ্রীমন্ত কুমার মল্লিক ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হিসাবে মোহনবাগানের শাকির হাবিব গান্ধীকে পুরস্কৃত করেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.