Sahibzada Farhan

কোন মন্ত্রে বুমরাহকে ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন? এশিয়া কাপের ছ’মাস পর মুখ খুললেন ফারহান

এশিয়া কাপ তিনবার মুখোমুখি হয়েছিল ভারত-পাকিস্তান। তিনবারই পাক দলকে হারায় টিম ইন্ডিয়া। তবে নজর কেড়েছিলেন পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান। তিনবারই পাক ওপেনারকে আউট করতে পারেননি জশপ্রীত বুমরাহ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ১৬:১৬

options
link
কোন মন্ত্রে বুমরাহকে ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন? এশিয়া কাপের ছ’মাস পর মুখ খুললেন ফারহান
ফাইল ছবি।

এশিয়া কাপ তিনবার মুখোমুখি হয়েছিল ভারত-পাকিস্তান। তিনবারই পাক দলকে হারায় টিম ইন্ডিয়া। তবে নজর কেড়েছিলেন পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান। তিনবারই পাক ওপেনারকে আউট করতে পারেননি জশপ্রীত বুমরাহ। উলটে বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলারকে তিনটে ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন তিনি। এশিয়া কাপের ছ’মাস পর সেই দ্বৈরথ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সাহিবজাদা। 

Advertisement

ফাইনাল ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে বুমরাহর একটি স্লোয়ার ডেলিভারিকে লং-অফের উপর দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে টি-টোয়ান্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ব্যাটার হিসাবে বুমরাহর বলে তিনটি ছক্কার নজির গড়েন ফারহান। পরিসংখ্যানও বলছে, বুমরাহর বিরুদ্ধে ৩৪ বলে ৫১ রান করেছেন তিনি। স্ট্রাইক রেট ১৫০। সঙ্গে রয়েছে ছ’টি চার ও তিনটি ছক্কা। যদিও শেষ হাসি হাসে ভারত। পাকিস্তানের দেওয়া ১৪৭ রানের লক্ষ্য ১৯.৪ ওভারে টপকে যায় ভারত।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এক ক্রিকেট ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফারহান জানিয়েছেন, শুরুর দিকে তাঁকে যথেষ্ট সমস্যায় ফেলে দিয়েছিলেন বুমরাহ। তিনি বলেন, “শুরুর দিকে ও আমাকে ভীষণ চাপে ফেলেছিল। স্লোয়ার বল, ইয়র্কার, ইনসুইং, আউটসুইং, বাউন্সার, সবই করছিল। স্বাভাবিকভাবেই ওকে খেলা কঠিন। কিন্তু সেই ধাপটা পেরিয়ে গেলে বাকিদের খেলাটা তুলনামূলক সহজ মনে হয়। তাই আমাকে পালটা আঘাতের কথা ভাবতে হয়।”

Advertisement

সাহিবজাদা আরও জানান, “খেয়াল করলে দেখবেন, বুমরাহকে প্রতিটা ছক্কা মেরেছি লেংথ বলে। ও আমার শরীরে বল করেছিল। দুবাইয়ের উইকেট মন্থর ছিল। ফলে বল ভালো উচ্চতায় আসছিল। নিজেকে আগে থেকেই তৈরি রেখেছিলাম। তাই ছক্কা মারতে পেরেছি।”

সাহিবজাদা ম্যাচের পর নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বলেন, জশপ্রীত বুমরাহর বিরুদ্ধে তিনি আগেই কৌশল ঠিক করে নেমেছিলেন। তিনি বলেন, “আমি ঠিক করেছিলাম, ওর বলে আউট হব না। তা হলেই ও আউট করার জন্য বেশি বৈচিত্র করার চেষ্টা করবে। তাতে আমার সুবিধা হবে।” সাহিবজাদা আরও জানান, “খেয়াল করলে দেখবেন, বুমরাহকে প্রতিটা ছক্কা মেরেছি লেংথ বলে। ও আমার শরীরে বল করেছিল। দুবাইয়ের উইকেট মন্থর ছিল। ফলে বল ভালো উচ্চতায় আসছিল। নিজেকে আগে থেকেই তৈরি রেখেছিলাম। তাই ছক্কা মারতে পেরেছি।”

তার এই পরিকল্পিত ব্যাটিং-ই শেষ পর্যন্ত তাঁকে সফল করে তোলে এবং বুমরাহর মতো বিশ্বসেরা বোলারের বিরুদ্ধে আত্মবিশ্বাসী শট খেলতে সাহায্য করে। তিনি বলেন, “ওদের দলে শুধু বুমরাহই ছিল না। অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদবের মতো বোলারও ছিল। তবে আমি শুরুটা বুমরাহকে দিয়েই করি। একজন ভালো বোলারকে ছক্কা মারলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে।” উল্লেখ্য, এশিয়া কাপে পাকিস্তানের ব্যাটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রান করেছিলেন ফারহান (সাত ম্যাচে ২১৭)। তবে ম্যাচের মাঝেই বিতর্কে জড়ান ফারহান। হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর ব্যাট দিয়ে বন্দুক দেখানোর মতো ভঙ্গি করে উদযাপন করেন তিনি। যা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন ভারতীয় সমর্থকরা। বিষয়টি নজরে আসতেই ম্যাচ রেফারি তাঁকে তিরস্কার করেন। সব মিলিয়ে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে উজ্জ্বল হলেও বিতর্কের ছায়া এড়াতে পারেননি পাকিস্তানের এই ওপেনার।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.