Shreyas Iyer

চোট পেয়ে অন্তত তিনমাস মাঠের বাইরে, টি-২০ বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ শ্রেয়সের?

সামান্যতম আঘাত লাগলেও ফের প্লীহা থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০২৫, ০৯:৪৬

options
link
চোট পেয়ে অন্তত তিনমাস মাঠের বাইরে, টি-২০ বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ শ্রেয়সের?
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাঁদিকের পাঁজরের নীচের অংশে আঘাত পেয়ে গুরুতর অসুস্থ শ্রেয়স আইয়ার। প্রাথমিকভাবে তাঁকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছিল। তবে আপাতত বিপদ কেটেছে শ্রেয়সের। কিন্তু চিকিৎসকদের অনুমান, পুরোপুরি সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরতে তারকা ব্যাটারের অন্তত তিনমাস সময় লাগবে। রিকভারির সময়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে শ্রেয়সকে।

Advertisement

ঠিক কী হয়েছে তারকা ক্রিকেটারের? বিসিসিআইয়ের তরফে জানানো হয়, আইয়ারের বাঁদিকের পাঁজরের নীচের অংশে আঘাত লাগে। স্ক্যানে প্লীহায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। প্লীহায় আঘাতের কারণেই শুরু হয় রক্তক্ষরণ। তার জেরে শ্রেয়স ড্রেসিংরুমেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন বলে সূত্রের খবর। প্লীহায় আঘাত লাগা নিয়েই শ্রেয়সকে নিয়ে উদ্বেগ ছড়ায়। তাঁকে তড়িঘড়ি আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তবে দ্রুত চিকিৎসা হয়েছে তাঁর, ফলে শ্রেয়স বিপন্মুক্ত।

Advertisement

তবে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও খুবই সতর্ক থাকতে হবে তারকা ক্রিকেটারকে। কারণ প্লীহায় আঘাত লাগলে তা সারতে অন্তত ৬ থেকে ১২ সপ্তাহ সময় লাগবে। এই সময়টা পুরোপুরি বিশ্রামে থাকতে হবে শ্রেয়সকে। দেহে আঘাত লাগতে পারে এমন কোনও কাজ করা যাবে না। ভারী বা শ্রমসাধ্য কাজ থেকেও দূরে থাকতে হবে। সামান্যতম আঘাত লাগলেও ফের প্লীহা থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে।

Advertisement

চিকিৎসকরা প্রথমে খতিয়ে দেখবেন, প্লীহার আঘাত পুরোপুরি সেরেছে কিনা। তারপরেই মাঠে নেমে হালকা ট্রেনিংয়ের অনুমতি পাবেন শ্রেয়স। সেখান থেকে ধীরে ধীরে ফিট হয়ে মাঠে নামতে পারবেন তিনি। অর্থাৎ গোটা প্রক্রিয়ায় অন্তত তিনমাস সময় লাগতে পারে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে ঘরের মাঠে টি-২০ বিশ্বকাপ। কিন্তু মেগা টুর্নামেন্টে শ্রেয়সের খেলা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়ে গেল এই চোটের ফলে। আপাতত সিডনির হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন থাকবেন শ্রেয়স, এমনটাই অনুমান করা হচ্ছে। পুরোপুরি সুস্থ হলে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে তিনি দেশে ফিরবেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.