টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬
MS Dhoni-Gautam Gambhir

‘বিশ্বকাপ কি হাসিঠাট্টার জায়গা?’, ধোনির পোস্টের পর ডাগআউটে ‘গম্ভীর’ থাকার কারণ ব্যাখ্যা গৌতমের

অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার ড্যারিল মিচেলকে বল ছোড়ার বিতর্কে অর্শদীপ সিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে গম্ভীরের প্রশ্ন, "কেন ক্ষমা চাইল?"

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ১৫:৩৯

options
link
‘বিশ্বকাপ কি হাসিঠাট্টার জায়গা?’, ধোনির পোস্টের পর ডাগআউটে ‘গম্ভীর’ থাকার কারণ ব্যাখ্যা গৌতমের
গৌতম গম্ভীর ও মহেন্দ্র সিং ধোনি। ফাইল ছবি

গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir) কেন হাসেন না? ডাগআউটে সব সময়ই তিনি ‘গম্ভীর’। একেবারে হাসলেন ভারত বিশ্বকাপ জেতার পর। তা নিয়ে মজা করতে ছাড়লেন না মহেন্দ্র সিং ধোনিও (MS Dhoni)। কিন্তু সত্যিই তো, কেন হাসেন না তিনি? অবশেষে কারণ ব্যাখ্যা করলেন ‘গুরু’গম্ভীর। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার ড্যারিল মিচেলকে বল ছোড়ার বিতর্কে অর্শদীপ সিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে গম্ভীরের প্রশ্ন, “কেন ক্ষমা চাইল?”

Advertisement

বিশ্বকাপ জয়ের পর মহেন্দ্র সিং ধোনি ‘কোচ সাহেব’কে হাসতে বলেছিলেন। শেষমেশ পুরনো সতীর্থর অনুরোধে হেসেছিলেন গম্ভীর। তবে তাঁর সাফ বক্তব্য, “লোকে জানে না কোচের কাজ কতটা কঠিন। লোকে তো সেই জায়গায় কখনও যায়নি। তবে ধোনি টুইট করেছে বলে আমি খুশি। যদিও কোচের উপর গুরু দায়িত্ব থাকে। ভারতীয় দলের কোচ হওয়া মানে তোমার উপর প্রত্যাশার চাপ থাকবে। হারের কোনও জায়গা নেই। বিশ্বকাপের মতো জায়গায় হাসিঠাট্টার জায়গা নেই। যদি সেমিফাইনালে হেরে যেতাম, তাহলে ফলাফল তো শূন্য হত। ওই জন্য বলি, খেলাধুলো খুব কঠিন জায়গা।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অন্যদিকে বিশ্বকাপ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার ড্যারিল মিচেলের শরীর লক্ষ্য করে বল ছুড়ে মারেন অর্শদীপ। শেষ পর্যন্ত আম্পায়ার এগিয়ে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। ম্যাচের পর দেখা যায় মিচেলের সঙ্গে কথা বলছেন অর্শদীপ। কী কথা হল? অর্শদীপ পরে বলেন, “ক্ষমা চাইতে গিয়েছিলাম।” লেভেল ১ পর্যায়ের শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য ম্যাচ ফি’র ১৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে অর্শদীপের। পাশাপাশি অখেলোয়াড়োচিত আচরণের জন্য তাঁর নামে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যুক্ত হয়েছে।

Advertisement

যা নিয়ে এএনআই’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গম্ভীর বলেন, “তুমি যখন দেশের প্রতিনিধিত্ব করছে, তখন আগ্রাসন দেখাতেই হবে। যদি তুমি প্রতিপক্ষকে বল ছোড়ো, সেটাও বেশ করেছো। কোনও বোলারই দু’টো ছক্কা খেতে চান না। আমি প্লেয়ারদের থেকে এরকম প্রতিক্রিয়াই দেখতে চাই। তার জন্য ক্ষমা চাওয়ার দরকার নেই। ক্ষমা চেয়েছে ঠিক আছে। কিন্তু ক্রিকেট মাঠে কেউ বন্ধু বা শত্রু হয় না। তোমার একমাত্র কাজ দেশের জন্য ম্যাচ জেতা।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.