টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬
T20 World Cup

উসমানের আগে ভারতকে ভুগিয়ে গেলেন ‘উসমান টু’, পাক ম্যাচে কী শিক্ষা নিয়ে নামবেন তিলকরা?

প্রশ্ন এখন একটাই। 'উসমান টু'-র বোলিং খেলে প্রাপ্ত শিক্ষা এবার আসল উসমানের বিরুদ্ধে ভারতীয় ব্যাটাররা প্রয়োগ করতে পারেন কি না?

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬, ২০:৩১

options
link
উসমানের আগে ভারতকে ভুগিয়ে গেলেন ‘উসমান টু’, পাক ম্যাচে কী শিক্ষা নিয়ে নামবেন তিলকরা?

আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বো বাইশ গজে পাকিস্তানি উসমান তারিকের স্পিন খেলতে হবে ভারতীয় ব্যাটারদের। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup) ‘সারপ্রাইজ প্যাকেজ’ বলা হচ্ছে যাঁকে। তবে তার আগে বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে ‘উসমান টু’-কে খেলে নিলেন ভারতীয় ব্যাটাররা। তবে সে অভিজ্ঞতা মোটেও সুখের হল না।

Advertisement

কে তিনি? কে ‘উসমান টু’? তিনি, নামিবিয়া অধিনায়ক জেরহার্ড এরাসমাস!

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু হঠাৎ নামিবিয়া অধিনায়কের সঙ্গে পাকিস্তানি স্পিনারের তুলনা কেন? তথ্যের খাতিরে এখানে বলে রাখা যাক, চার ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে এ দিন চার-চারটে উইকেট তুললেন এরাসমাস। তাঁর শিকারের তালিকা এ রকম: ঈশান কিষান। তিলক বর্মা। হার্দিক পাণ্ডিয়া। অক্ষর প্যাটেল। এঁদের মধ্যে অক্ষর আবার লাইন মিস করে বোল্ড। মজার হল, পাকিস্তানের উসমান আর নামিবিয়ার এরাসমাস দুই ভিন্ন দেশের ক্রিকেটার হলেও এক জায়গায় প্রায় অবিকল এক। বোলিং অ্যাকশনে।

Advertisement

একই রকম সাইড আর্ম ডেলিভারি দু’জনের। একই রকম বল ব্রিলিজের আগে মুহূর্তের ‘পজ’ দেওয়ার ধাত। পাকিস্তানের উসমান আর নামিবিয়ার এরাসমাস যেন একে অন্যের ‘কার্বন কপি’।

এ দিন ভারত যে প্রথম সাত ওভারে ১০৪-১ তোলার পর কুড়ি ওভার শেষে ২০৯-৯ করে থেমে গেল, তার নেপথ্য অনুঘটক এরাসমাস। মনে রাখা দরকার, চার ওভারের স্পেলে ১৫টা বলে কোনও রানই দেননি তিনি। ছয় দিয়েছেন দু’টো, বাউন্ডারি একটাও নয়। ওয়াঘার ওপার থেকে উসমান নিয়ে ইতিমধ্যে ভারতীয় ব্যাটারদের উদ্দেশে নানাবিধ গোলাগুলি উড়ে আসছে। কিন্তু তাঁর ‘ডুপ্লিকেট’-এর সামনে এ দিন যা হাল হল ভারতীয় ব্যাটারদের, তা যথেষ্ট চিন্তায় রাখবে গৌতম গম্ভীরকে।

ইনিংস বিরতিতে ভারতীয় ওপেনার ঈশান কিষানও পরোক্ষে নামিবিয়া অধিনায়কের বোলিংয়ের প্রশংসা করে যান। বলেন, “শেষ দিকে আমাদের আরও ভালো ব্যাট করা উচিত ছিল। প্রতিপক্ষের বোলিংকে কৃতিত্ব দিতে হবে। ওরা পরিকল্পনামাফিক বোলিং করেছে। যার ফলে আমাদের ব্যাটাররা বড় শট খেলতে পারেনি।”

উসমান আর এরাসমাসে আরও একটা মিল রয়েছে। তা হল, বোলিং করে যে ক্রিকেট জগতে পরিচিতি পাওয়া সম্ভব, দু’জনের একজনও জানতেন না। মহেন্দ্র সিং ধোনির বায়োপিক থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে ক্রিকেট খেলতে এসেছিলেন পাকিস্তানের উসমান। নেট বোলার ছিলেন। সেখান থেকে পাকিস্তান দলে সুযোগ শুধু নয়। একেবারে বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নেওয়া। নামিবিয়া অধিনায়ক এরাসমাস আবার কখনওই বোলিংকে সেভাবে সিরিয়াসলি নেননি। তিনি চিরকাল শখের বোলার। কে জানত, এরাসমাসের সেই শখই তাঁকে একদিন বিশ্ব-পরিচিতি দিয়ে যাবে?

প্রশ্ন এখন একটাই। ‘উসমান টু’-র বোলিং খেলে প্রাপ্ত শিক্ষা এবার আসল উসমানের বিরুদ্ধে ভারতীয় ব্যাটাররা প্রয়োগ করতে পারেন কি না?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.