Jemimah Rodrigues

তীব্র অবসাদে ছিলেন জেমাইমা, বিশ্বকাপের মাঝপথে ফিরতে বলেন মা, কী এমন ঘটেছিল?

ওই 'অস্থির' সময় পাশে ছিলেন দুই সতীর্থ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০২৫, ২১:৩৫

options
link
তীব্র অবসাদে ছিলেন জেমাইমা, বিশ্বকাপের মাঝপথে ফিরতে বলেন মা, কী এমন ঘটেছিল?
ফাইল চিত্র

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর ১৩৪ বলে অপরাজিত ১২৭ রানের অনবদ্য ইনিংস ক্রিকেট ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বলা চলে, প্রায় একার হাতেই সাতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে সেমিফাইনালে হারিয়েছিলেন তিনি। ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম কাণ্ডারি জেমাইমা রডরিগেজ মহিলাদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ চলার সময় অবসাদের শিকার হয়েছিলেন। এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে, তাঁর মা তাঁকে বিশ্বকাপ না খেলেই বাড়ি ফিরে আসার পরামর্শ দেন। এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন জেমি স্বয়ং। 

Advertisement

এক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ওয়েবসাইটকে তিনি বলেন, “প্রথম ম্যাচ থেকেই মানসিক অবসাদের মধ্যে ছিলাম। এর নেপথ্যে কোনও কারণ ছিল না। কিন্তু কিছুতেই ওই পরিস্থিতি থেকে বের হতে পারছিলাম না। একটা মানসিক অশান্তির মধ্যে ছিলাম। এর প্রভাব আমার পারফরম্যান্সেও পড়েছিল। ফিল্ডিং করতেও সমস্যা হচ্ছিল। ব্যাটটাও ঠিকমতো করতে পারছিলাম না। মোট কথা, খেলাটাকেও উপভোগ করতে পারছিলাম না।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জেমি আরও বলেন, “এই পরিস্থিতিটা বলে বোঝানো কঠিন। সেই সময় কিছুই করতে ইচ্ছা করত না। অবসন্ন মনে হত। অসাড় লাগত। আমার মা শুনে বলেছিলেন, ‘বিশ্বকাপ না খেলে বাড়ি ফিরে আসতে পারো। কারণ আমার কাছে সবার আগে তোমার আনন্দ।’ তাঁর কথা শুনে বলেছিলাম, যে সাহসটা দিলে সেটাই আমার সব কিছু। আমার মা-ই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।”

Advertisement

তিনি জানিয়েছেন ওই ‘অস্থির’ সময় অরুন্ধতী রেড্ডি, স্মৃতি মন্ধানারা তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। জেমাইমার সংযোজন, “অরু প্রত্যেকদিন খোঁজ নিত। আমার পরিস্থিতিটা ও সবচেয়ে ভালো বুঝতে পেরেছিল। স্মৃতিও আমাকে নানাভাবে বোঝাতে, শান্ত করতে চেষ্টা করত।” এহেন জেমাইমা সেমিফাইনালে যে তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামবেন, তা জানতেনই না।

সেই বহুচর্চিত সেমিফাইনালের পর জেমি বলছিলেন, “ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। কারণ, আমি একা কিছুই করিনি। তিনি পাশে না থাকলে কিছুই করতে পারতাম না। আমি জানি, তিনি আমার পাশে ছিলেন। ধন্যবাদ জানাতে চাই আমার বাবা-মা, আমার কোচ এবং কঠিন সময়ে যাঁরা আমার পাশে ছিলেন, তাঁদের সবাইকে। গত চারটে মাস কী গিয়েছে তা বলে বোঝাতে পারব না। ফিরে আসাটা ভীষণই কঠিন ছিল। স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে।” আর এখন নিজের কঠিন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরলেন জেমাইমা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.