Wriddhiman Saha

লাইনে দাঁড়িয়েই মিলবে গিলের সাক্ষাৎ, বাড়তি সুবিধা নয়, মেয়েকে জীবনের শিক্ষা বাবা ঋদ্ধির

নিজেকে এখন আর 'তারকা' বলে মানতে চান না ঋদ্ধি। নিজেকে নিয়ে তিনি বলেন, 'তারকা ছিলাম।' বাবা-মেয়ের কথোপকথন সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২৬, ১৪:০৭

options
link
লাইনে দাঁড়িয়েই মিলবে গিলের সাক্ষাৎ, বাড়তি সুবিধা নয়, মেয়েকে জীবনের শিক্ষা বাবা ঋদ্ধির
শুভমান গিল ও মেয়ের সঙ্গে ঋদ্ধিমান সাহা

মেয়ে শুভমান গিলের অন্ধভক্ত। কিশোরী মেয়ের আবদার গিলের সঙ্গে দেখা করতে চায়। ক্রিকেটার বাবা চাইলে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে মেয়ের সাক্ষাৎ করাতে পারে। কিন্তু বাবা তাতে রাজি নন। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ ভক্তদের মতো মেয়েকেও অপেক্ষা করে দেখা করতে হবে। কোনও ‘অন্যায্য’ সুবিধা পাওয়া যাবে না। বাবার নাম ঋদ্ধিমান সাহা (Wriddhiman Saha), মেয়ে আনভি। দু’জনের কথোপকথন সোশাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যে ভাইরাল।

Advertisement

ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা উইকেটকিপার বলে ধরা হয় ঋদ্ধিকে। তবে বাংলার গর্ব নিজেকে এখন আর ‘তারকা’ বলে মানতে চান না। নিজেকে নিয়ে তিনি বলেন, ‘তারকা ছিলাম।’ যা শুনে অনেক ভক্তর মনখারাপ হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু মেয়েকে জীবনের পাঠ দিয়ে যে কথাগুলো বললেন, তা সমর্থকদের মন ছুঁয়ে গিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আনভি গিলের ভক্ত। যাঁর সঙ্গে গুজরাট টাইটান্সে দীর্ঘদিন খেলেছেন বঙ্গ উইকেটকিপার। মেয়ে গিলের সঙ্গে দেখা করতে চায়। কিন্তু ঋদ্ধির বক্তব্য, সাধারণ ভক্তের মতোই আনভিকে যেতে হবে। তিনি নিয়ে যাবেন না। তাঁর যুক্তি, “গিল এখন ভারতের তারকা। তাঁর সাক্ষাৎ পেতে হলে অপেক্ষা করতেই হবে।” তাতে মেয়ে বলে, “তুমিও তো তারকা।” ঋদ্ধির সংক্ষিপ্ত উত্তর, “ছিলাম।” ২০২৫ সালে ক্রিকেট থেকে অবসর নেন ঋদ্ধি। দেশের হয়ে ৪০টি টেস্ট খেলেছেন, ৯২টি ক্যাচ রয়েছে। আইপিএলেও একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজিতে খেলেছেন। দু’বার আইপিএল জিতেছেন। তারপরও নিজেকে ‘তারকা ছিলাম’ বলায় নেটিজেনদের বক্তব্য, মাটিতে পা রেখে চলতেই ঋদ্ধি ভালোবাসেন।

Advertisement

অবশ্য মেয়েকে স্টাম্প করতেও সময় লাগল না শিলিগুড়ির পাপালির। আনভিকে তিনি বলেন, “আমি যদি তারকা হই, তাহলে আমাকে নিয়ে তুই খুশি?” উত্তরে হ্যাঁ বলে মেয়ে। সঙ্গে সঙ্গে ঋদ্ধি বলেন, “তাহলে শুভমানের সঙ্গে দেখা করার কী দরকার?” এরপর বাংলার উইকেটকিপার বলেন, “তোমাকে ঋদ্ধিমান সাহার মেয়ে বলে কেউ চেনে কি? লাইন দিয়ে অপেক্ষা করো। তাহলেই পাবে।” অর্থাৎ ঋদ্ধিমান সাহার মেয়ে হলেও আনভিকে অপেক্ষা করতেই হবে। বাবা-মেয়ের ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় আপলোড করেন তাঁর স্ত্রী রোমি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Romi Mitra (@romi_mitra)

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.