Durand Cup

ফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ ডায়মন্ড হারবারের, ফের ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন নর্থইস্ট ইউনাইটেড

স্বপ্নের দৌড় থামল কিবু ভিকুনার ছেলেদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৫, ০৯:৫৬

options
link
ফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ ডায়মন্ড হারবারের, ফের ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন নর্থইস্ট ইউনাইটেড
নিজস্ব চিত্র

নর্থইস্ট: ৬ (আশির, পার্থিব, থই, জাইরো, রদ্রিগেজ, আলাদিন)
ডায়মন্ড হারবার: ১ (লুকা)

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফাইনালে এসে স্বপ্নভঙ্গ! ডুরান্ড ফাইনালে নর্থইস্টের কাছে হেরে স্বপ্নের দৌড় থামল ডায়মন্ড হারবার এফসি’র। অথচ প্রথম গোল হজম করার আগে অসাধারণ খেলছিলেন লুকা মায়সেন, জবি জাস্টিনরা। কিন্তু বিপক্ষের দলটা যে চ্যাম্পিয়ন টিম, প্রমাণ করলেন জুয়ান পেদ্রো বেনালির ছেলেরা। প্রতিপক্ষকে প্রথমে মেপে নিয়ে যে খেলাটা খেলল নর্থইস্ট, তা তারিফযোগ্য। দলকে উজ্জীবিত করার জন্য যুবভারতীতে উপস্থিত ছিলেন নর্থইস্টের অন্যতম কর্ণধার জন আব্রাহাম। তাঁর সামনেই ডায়মন্ড হারবারকে ৬-১ গোলে হারিয়ে পরপর দু’বার ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন হল ‘হাইল্যান্ডার্স’রা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

৩ মিনিটের মধ্যেই গোলের সুযোগ পেয়ে গিয়েছিল নর্থইস্ট। আলাদিন আজারাইরার দূরপাল্লার শট মিরশাদের দস্তানায় প্রতিহত হয়ে চলে যায় পার্থিব গোগোইয়ের কাছে। তাঁর হেডও বাঁচান ডায়মন্ড গোলরক্ষক। এরপর নিজেদের মধ্যে বল দেওয়া-নেওয়ার খেলায় মন দেয় ডায়মন্ড হারবার। ৮ মিনিটে জবি জাস্টিন দূরপাল্লার শট নিয়েছিলেন বটে। কিন্তু মাটিঘেঁষা সেই শট ছিল বেশ দুর্বল। এরপর অনেকবারই আক্রমণ শানায় কিবু ভিকুনার ছেলেরা। ১৭ মিনিটে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন নর্থইস্টের রিদিম তিলং। এর ঠিক পরের মিনিটেই জবির গোছানো সেন্টার পেয়েও গোল করতে পারলেন না মিকেল। ২৩ মিনিটে গিরিক খোসলার ক্রস থেকে জবির হেড কোনও রকমে বাঁচান নর্থইস্ট গোলকিপার। ২৭ মিনিটে জবির শট সাইড নেটে লাগে। এই সময় পর্যন্ত ডায়মন্ড হারবার সমস্ত দিক থেকে এগিয়ে ছিল নর্থইস্টের থেকে।

Advertisement

এরপরেই ছন্দপতন! ৩০ মিনিটে আশির আখতারের গোলে এগিয়ে যায় নর্থইস্ট। এক্ষেত্রে ডায়মন্ড গোলরক্ষক মিরশাদকে দায়ী করা যায়। ৩৫ মিনিটে সুযোগ নষ্ট নর্থইস্টের। পার্থিব গোগোইয়ের শট দারুণভাবে বাঁচান মিরশাদ। ফিরতি বলে মিস করে থই সিং। ৩৮ মিনিট ফাঁকা গোলে ঠেলতে ব্যর্থ হন চেমা। বিরতির ঠিক আগে পার্থিব গোগোইয়ের বাঁকানো শটে ব্যবধান বাড়ায় নর্থইস্ট। প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় নর্থইস্ট।

ম্যাচে ফিরতে গেলে দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত কিছু করতে হত ডায়মন্ড হারবারকে। কিন্তু সেটা হতে দেয়নি নর্থইস্ট। ৫০ মিনিটে এগিয়ে যায় নর্থইস্ট। মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে ক্ষিপ্র গতিতে ডায়মন্ডের বক্সে ঢুকে পড়েন আলাদিন। ডান পায়ের ইনস্টেপে অনবদ্য বল বাড়ান থই সিংকে। অরক্ষিত অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকা থই সিং বল জালে জড়িয়ে দিতে কোনও ভুল করেননি। ৬০ মিনিটে চতুর্থ গোলে এগিয়ে যেতে পারত নর্থইস্ট। বাঁ দিক থেকে বল পেয়ে একাই উঠে গিয়েছিলেন আলাদিন। বাঁ পায়ে শটও নিয়েছিলেন। যদিও তা পোস্টের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায়।

৬৮ মিনিটে কর্নার থেকে হেড করেছিলেন জবি। জটলার মধ্যে লুকার মুখে লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়। এই গোলের পরও অবশ্য ম্যাচে ফিরতে পারেনি ডায়মন্ড হারবার। ৮১ মিনিটে জাইরো বুস্তারার গোল করে ব্যবধান বাড়ায় নর্থইস্ট। ফ্রি-কিক থেকে ডায়মন্ড গোলরক্ষক ঠিকমতো বল ক্লিয়ার করতে পারেননি। ফিরতি বলে জাইরো বুস্তারার সহজেই গোল করে। এখানেই শেষ নয়, ৮৬ মিনিটে আলাদিনের সেন্টার থেকে গোল করে নর্থইস্টের পক্ষে স্কোর লাইন ৫-১ করেন আন্দ্রে রদ্রিগেজ। অতিরিক্ত সময়ে (৯০+৩) পেনাল্টি থেকে নর্থইস্টের পক্ষে ষষ্ঠ গোল করেন আলাদিন। ডুরান্ডে আশা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত স্বপ্ন সফল হল না বাংলার ক্লাবের। অন্যদিকে, ডায়মন্ড হারবারকে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ নিজেদের কাছেই রাখল নর্থইস্ট।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.