Mohun Bagan

লোবেরার ছোঁয়ায় ফের স্বপ্নের ফর্মে দিমি, টানা জয়ে ‘খরগোশ’ ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা মোহনবাগান কর্তাদের

ম্যাচ জিতলেও রেফারিং নিয়ে অসন্তুষ্ট সবুজ-মেরুন কর্তারা। তবে একটা বিষয়ে একমত যে আরও গোলে চেন্নাইয়িনকে হারাতে পারত মোহনবাগান।

প্রসূন বিশ্বাস
প্রসূন বিশ্বাস

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১৪:০০

options
link
লোবেরার ছোঁয়ায় ফের স্বপ্নের ফর্মে দিমি, টানা জয়ে ‘খরগোশ’ ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা মোহনবাগান কর্তাদের
গোলের পর উচ্ছ্বাস মোহনবাগানের দিমিত্রি পেত্রাতোসের। ছবি: মোহনবাগান সোশাল মিডিয়া

দুই ম্যাচ, দুই জয়। আইএসএলে ছুটছে মোহনবাগানের (Mohun Bagan) জয়রথ। গত মরশুমের অফ ফর্ম কাটিয়ে গোলের দেখা পাচ্ছেন দিমি পেত্রাতোস। অ্যাসিস্টও করছেন। ‘দিমি গডের’ প্রত্যাবর্তন নিঃসন্দেহে সবুজ-মেরুন সমর্থকদের জন্য স্বস্তির খবর। কিন্তু কীভাবে বদলে গেলেন অজি তারকা? দিমি কৃতিত্ব দিচ্ছেন কোচ সের্জিও লোবেরাকে। অন্যদিকে টানা দুই জয়ের পর নাম না করে ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিতে ছাড়লেন না মোহনবাগান কর্তারা।

Advertisement

২৩ ফেব্রুয়ারি দিনটা এমনিতেই মোহনবাগান ও দিমির জন্য ‘শুভ’। গত বছর এই দিনেই তাঁর পায়ের ছোঁয়ায় ‘ভারতসেরা’ হয়েছিল মোহনবাগান। সেদিন যিনি ছিলেন প্রতিপক্ষ শিবিরে, সেই লোবেরাই এখন দিমি-ম্যাকলারেনদের ‘হেড স্যর’। লোবেরা অনেক স্বাধীনতা দিচ্ছেন, উদ্বুদ্ধ করেছেন। দিমি নিজেও ফিট হয়েছেন। কেরালার বিরুদ্ধে অ্যাসিস্ট, এবার চেন্নাইয়িনের বিরুদ্ধে গোল। আর এই ‘বদলের’ কৃতিত্ব পুরোপুরি লোবেরাকে দিচ্ছেন সবুজ-মেরুন তারকা।

Advertisement

প্রীতম কোটালদের ২-০ গোলে হারানোর পর তিনি বলে গেলেন, “কোচ আলাদা। আমি নিজেও উন্নতির চেষ্টা করে গেছি। গোল করেছি বলে খুশি। দলও আগের থেকে ভালো খেলছে। দর্শকরা তো জয় দেখতেই আসে। গোলের পর তাই আবেগ চেপে রাখতে পারিনি।” আগের মরশুমটা ভালো যায়নি। এবারও শুরুর দিকে মোলিনার অধীনে চেনা ছন্দে ছিলেন না। দিমি বলে যান, “জীবন এরকমই। উত্থান-পতন থাকবেই। ভালো-মন্দ যাই আসুক, নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।”

Advertisement

কোচ আলাদা। আমি নিজেও উন্নতির চেষ্টা করে গেছি। গোল করেছি বলে খুশি। দলও আগের থেকে ভালো খেলছে। দর্শকরা তো জয় দেখতেই আসে। গোলের পর তাই আবেগ চেপে রাখতে পারিনি।

মোহনবাগানের মতো ইস্টবেঙ্গলও টানা দুই ম্যাচ জিতেছে। বরং অস্কার ব্রুজোর দল বেশি গোল করেছে। খেলাও অনেক গোছানো। তবে এই নিয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবকে খোঁচাও দিতে ছাড়লেন না মোহনবাগানের সভাপতি দেবাশিস দত্ত। তিনি বললেন, “আমার মনে হয় কচ্ছপের গতিতে এগোনোই ভালো। অনেকের খরগোশের গতিতে এগিয়ে লাফালাফি করছে। কিন্তু কচ্ছপের গতিতে এগিয়েই এক নম্বর হওয়া যায়।” তবে রেফারিং নিয়ে অসন্তুষ্ট মোহনবাগান কর্তারা। ক্লাব সচিব সৃঞ্জয় বোস ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, “জঘন্য রেফারিং। হ্যান্ডবল দেখতে পায় না। চোখের সামনে ফাউল হলে লাইন্সম্যান পতাকা তোলে না। আমাদের চারটে হলুদ কার্ড। আর ওদের একটাও হলুদ কার্ড নেই। হাস্যকর!” তবে দু’জনেই একমত যে আরও গোলে মোহনবাগান জিততে পারত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.