FIFA World Cup 2026

ছুটছেন এমবাপে-দেম্বেলেরা, সুইডেনের বিরুদ্ধে নামার আগে দেশঁর মাথাব্যথা নিজের দলই!

এমবাপে গ্রুপের প্রথম দু'ম্যাচেই জোড়া গোল করেছেন। তৃতীয় ম্যাচে গোল না পেলেও করিয়েছেন। ডেম্বেলে শেষ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৬, ১৮:৫৮

options
link
ছুটছেন এমবাপে-দেম্বেলেরা, সুইডেনের বিরুদ্ধে নামার আগে দেশঁর মাথাব্যথা নিজের দলই!

কিংবদন্তি ইংলিশ ফরোয়ার্ড গ্যারি লিনেকার বিশেষ রাখঢাক করে কথা বলেন না। যা বলার সপাটে বলে দেন। এই যেমন ফ্রান্সকে এবারের বিশ্বকাপে (FIFA World Cup 2026) অন্যতম দাবিদার বলে মানছেন না একেবারেই। বরং বলে দিচ্ছেন, দিদিয়ের দেশঁরাই ট্রফির প্রধান দাবিদার। যে দেশের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার নিউ জার্সিতে নক আউটের প্রথম রাউন্ডে নামছে ফ্রান্স (France), সেই সুইডেনের (Sweden) প্রবাদপ্রতিম ফরোয়ার্ড জলাটান ইব্রাহিমোভিচও বলে দিয়েছেন, “ফ্রান্সকে হারানোর মতো দল খুব একটা নেই।”

Advertisement

“ফ্রান্স অন্যতম ফেভারিট নয়। ওরাই ফেভারিট। ট্রফি কীভাবে জিততে হয়, সেটা দেশঁর থেকে ভালো কে জানে? একমাত্র কোচ যার দল একবার বিশ্বজয়ী হয়ে পরের সংস্করণেও ফাইনাল খেলেছে। কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত ফ্রান্সের তেমন সমস্যা হওয়ার কথা নয়”, বলে দিয়েছেন লিনেকার। একমাত্র যদি ওরা গা ছাড়া দেয়, তবেই প্রতিপক্ষ জায়গা পেতে পারে। না হলে সম্ভাবনা নেই, বলছেন ইব্রা।” বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার মুখোমুখি হবে ইউরোপের এই দুই দেশ। এবার প্রতিযোগিতায় দুরন্ত ছন্দে রয়েছে ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপে, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে, ব্র্যাডলি বারকোলা, দেজিয়ের দুয়েকে নিয়ে ফরাসি ফরোয়ার্ড লাইন রীতিমতো হীরকখচিত। প্রত্যেকেই রয়েছেন গোলের মধ্যে। এমবাপে গ্রুপের প্রথম দু’ম্যাচেই জোড়া গোল করেছেন। তৃতীয় ম্যাচে গোল না পেলেও করিয়েছেন। ডেম্বেলে শেষ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন। বারকোলা আবার গোল করছেন পরিবর্ত হিসেবে নেমে। ফলে কাকে খেলাবেন আর কাকে বসাবেন, সেটাই ভাবনা দেশঁর।

Advertisement

যা খবর, নরওয়ের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচের দলে কিছু বদল করতে চলেছেন ফ্রান্স হেডস্যর। বারকোলা শুরু করতে পারেন লেফট উইংয়ে। মাঝমাঠে ফিরবেন আদ্রিয়ান র‍্যাবিও। সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবাকে পিঠের সমস্যার জন্য শেষ ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। তিনি পুরো ফিট না হলে মঙ্গলবার ম্যাজেন্স ল্যাক্রোঁই খেলবেন। পাশাপাশি ওলিসেকে ‘নম্বর ১০’ করে ডেম্বেলে খেলবেন রাইট উইংয়েই। তবে প্রশ্ন রয়েছে এনগেলো কন্তে এবং মার্কাস থুরামের খেলা নিয়ে। সুইডেন আবার নকআউটে পৌঁছেছে গ্রুপে তৃতীয় হয়ে। এমনিতে যোগ্যতা অর্জন পর্বে কোনও গোল না করেও, নেশনস লিগের পারফরম্যান্সের বিচারে বিশ্বকাপে এসেছে তারা। সুইডিশ ফরোয়ার্ড লাইন এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা। ভিক্টর গয়োকেরেস, আলেকজান্ডার ইসাক, অ্যান্থনি এলাঙ্গারা প্রিমিয়ার লিগের তারকা। বিশ্বকাপেও ছন্দে আছেন তাঁরা।

Advertisement

তবে প্রশ্নে স্ক্যান্ডেনেভিয়ার দেশটির ডিফেন্স। তিন ম্যাচে সাত গোল খেয়েছে সুইডেন। নক আউটে ওঠা দেশগুলির মধ্যে তাদের থেকে বেশি গোল খায়নি কেউই। তারপরও প্রতিপক্ষকে সতর্কবার্তা দিচ্ছেন দলের সাপোর্ট স্টাফ সেবাস্টিয়ান লারসন। ২০১২ ইউরোয় ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ২-০ গোলে জয়ের ম্যাচে স্কোর শিটে নাম তুলেছিলেন সুইডিশ মিডফিল্ডার। সে কথা মনে করিয়ে লারসনের বার্তা, “বড় দলকে হারানো আমাদের কাছে নতুন নয়। আমাদের ইতিহাসে এমন ম্যাচ অনেক আছে। ফলে প্রতিপক্ষ ফ্রান্স হলেও আগে হার মেনে নেওয়ার কিছু নেই। আশা করছি, আমাদের প্লেয়াররাও সেটাই ভাবছে।” এই ম্যাচে প্রধান ডিফেন্ডার আইজ্যাক হেউনকে পাচ্ছে না সুইডেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.