বাংলা: ১ (নরহরি)
উত্তরাখণ্ড: ০
আরও পড়ুন:
নাগাল্যান্ডের বিরুদ্ধে চার গোলের দুরন্ত জয় দিয়ে সন্তোষ ট্রফির (Santosh Trophy) মূলপর্ব শুরু করেছিল বাংলা। এই ম্যাচে গোড়ালিতে হালকা চোটের কারণে প্রথম এগারোয় ছিলেন না বাংলার আক্রমণভাগের গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার উত্তম হাঁসদা। তবে সঞ্জয় সেনের চালেই উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নরহরি শ্রেষ্ঠার শেষ মুহূর্তের গোলে জয় পেল বাংলা।
এই ম্যাচে নামার আগে উত্তমের চোট ছাড়া বাংলার দু’টি চিন্তা ছিল। প্রথমত, উত্তরাখণ্ডের লম্বা থ্রো। যদিও তাদের প্রথম ম্যাচের ভিডিও দেখে পরিকল্পনা ছকে রেখেছিলেন। ছেলেদের বুঝিয়েছিলেন, নিজেদের অর্ধে উত্তরাখণ্ডের লম্বা থ্রো’র সময় সতর্ক থাকতে হবে। তাছাড়াও বিপক্ষের ধ্বংসাত্মক ফুটবলের সময় সাবধান থাকতে হবে। দ্বিতীয় চিন্তাটা আগের ম্যাচের মতোই ‘কমন’। ম্যাচের দিন হোটেল থেকে স্টেডিয়ামে পাঁচ ঘণ্টা যাওয়া আসার ক্লান্তির বিষয়টি। প্রথম ম্যাচের ক্লান্তিকে ‘ক্ষমা’ করে উত্তরাখণ্ডকে পরাস্ত করল বঙ্গ ব্রিগেড।
উত্তম ছাড়া প্রথম একাদশে পরিবর্তন আনেননি বাংলা কোচ। মনে করা হয়েছিল বহু যুদ্ধের নায়ক নরহরি প্রথম একাদশে থাকবেন। অনেকটা অবাক করেই কোচ সঞ্জয় সেন তাঁকে প্রথম এগারোয় রাখেননি। হয়তো তুরুপের তাস আড়ালে রেখেছিলেন। সেই নরহরিই পরিবর্ত হিসাবে নেমে বিশ্বমানের গোলে বাজিমাত করলেন।
যদিও নিজেদের প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়া উত্তরাখণ্ড বাংলার বিরুদ্ধে যথেষ্ট উজ্জীবিত ফুটবল উপহার দিল। কিন্তু যে দলের কোচের ভূমিকায় সঞ্জয় সেন, সেই দল যে কোনও মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধেও গোল পেতে কালঘাম ছোটাতে হল দুই দলকেই। গোলের একাধিক সুযোগ পেলেও কিছুতেই ডেডলক ভাঙেনি। একটা সময় যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচটা ড্রয়ের দিকেই যাচ্ছে, ঠিক তখন সংযুক্তি সময় (৯০+৬ মি.) ডেডলক ভাঙেন নরহরি। তাঁর গোলেই পুরো পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে বঙ্গ ব্রিগেড।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়! শীতলকুচিতে গ্রেপ্তার বিজেপি নেতা
-
আবহাওয়াই ভিলেন! দিল্লিতে বিপজ্জনক হারে বাড়ছে শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ, সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত ১,৩৪৯
-
আজও প্রাসঙ্গিক, গান্ধীর লেখা পাণ্ডুলিপি নিলামে বিক্রি হল রেকর্ড দামে
-
তিন বছর পর ডুরান্ড ফাইনালে ডার্বি, শুরু টিকিট বিক্রি, কত টাকা দাম?
-
নিয়ম না মেনেই স্কুল চত্বরে হানা! ‘ককরোচ’দের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াল রাজস্থানের গ্রামবাসীরা