Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
T20 World Cup

ইউনুস সরকারের আতঙ্কেই খারিজ লিটনদের দাবি! ‘বাংলাদেশের ক্রিকেট শেষ’, ক্ষুব্ধ ক্রিকেটাররা

বিসিবি কর্তারা ও বাংলাদেশ সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলেন। 'কথা বলা'র অর্থ ইউনুস সরকারের অবস্থান ক্রিকেটারদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মতামত শোনা হয়নি। ঠিক কী বলতে চেয়েছিলেন লিটন দাস, নাজমুল হাসান শান্তরা?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৪:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৪:১৯

options
link
ইউনুস সরকারের আতঙ্কেই খারিজ লিটনদের দাবি! ‘বাংলাদেশের ক্রিকেট শেষ’, ক্ষুব্ধ ক্রিকেটাররা zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার আশা শেষই বলা যায়। অতি সাহস দেখাতে গিয়ে আইসিসি’র বিরুদ্ধাচরণ করে বিপাকে সে দেশের ক্রিকেট বোর্ড। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনের আগে বিসিবি কর্তারা ও বাংলাদেশ সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলেন। ‘কথা বলা’র অর্থ ইউনুস সরকারের অবস্থান ক্রিকেটারদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মতামত শোনা হয়নি। ঠিক কী বলতে চেয়েছিলেন লিটন দাস, নাজমুল হাসান শান্তরা? সে কথা শোনা না হলেও বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মত বুঝতে কারও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। সেটা হল, “বাংলাদেশের ক্রিকেট শেষ। আর তাতে কর্তাদের কোনও মাথা ব্যথা নেই।”

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়ে দেন, তাঁরা ক্রিকেটারদের সরকারের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছেন। তবে ক্রিকেটাররা তাঁদের কী বলেছেন, সেটা তিনি জানাননি। তারপর থেকেই কথা ওঠে, তাহলে ‘আলোচনা’ বলার কোনও মানেই নেই। এটা তো একতরফা আলোচনা! তবু ক্রিকেটাররা নিজেদের কথা বলার চেষ্টা করেছিলেন। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ যাত্রা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাঁদের ক্ষোভও কম নয়।

Advertisement

একটি ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইটের মতে, এক ক্রিকেটার হতাশা প্রকাশ করে জানান, “সবাই সব ঠিক করে এসেছিল। সরকারের সিদ্ধান্ত শুধু জানিয়ে দেওয়া হয়। আমাদের কোনও মতামত নেওয়া হয়নি। সরকার ঠিক করেই রেখেছিল আমাদের খেলতে যেতে দেওয়া হবে না। সেই আদেশটা জানিয়ে দেওয়ার জন্যই আমাদের ডাকা হয়েছিল।” আরেক ক্রিকেটার বলেন, “বাংলাদেশের ক্রিকেট শেষ। যদি আমরা না যাই, সেটা আমাদের ক্রিকেটের ক্ষতি। তাতে কার কী যায় আসে?”

সবাই সব ঠিক করে এসেছিল। সরকারের সিদ্ধান্ত শুধু জানিয়ে দেওয়া হয়। আমাদের কোনও মতামত নেওয়া হয়নি। সরকার ঠিক করেই রেখেছিল আমাদের খেলতে যেতে দেওয়া হবে না। সেই আদেশটা জানিয়ে দেওয়ার জন্যই আমাদের ডাকা হয়েছিল।

একটি ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইটের মতে, ওই মিটিংয়ে টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাস ও টেস্ট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত কথা বলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, দল তৈরি এবং তাঁরা খেলতে প্রস্তুত। তাতে বিসিবি’র কর্তারা জানিয়ে দেন ভারতে যাওয়া ঝুঁকি হতে পারে। এই ব্যাপারে ইউনুস সরকার রীতিমতো ‘যুদ্ধং দেহী’ অবস্থান দেখিয়েছে। সেই অবস্থানটা স্পষ্ট করাই ছিল বিসিবি’র কাজ। অর্থাৎ তাঁরা সরকারের ‘মাউথপিস’ হিসেবে কাজ করছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.