Portugal vs Spain Match Report

লাস্ট ডান্সেও অধরা মাধুরী, স্পেনের কাছে হেরে শূন্য হাতেই বিশ্বকাপকে চিরবিদায় রোনাল্ডোর

মাঠ ও মাঠের বাইরের শত্রু স্পেনের কাছে হেরেই আরও একবার পর্তুগালের স্বপ্নভঙ্গ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ০৩:৩২

options
link
লাস্ট ডান্সেও অধরা মাধুরী, স্পেনের কাছে হেরে শূন্য হাতেই বিশ্বকাপকে চিরবিদায় রোনাল্ডোর

স্পেন: ১ (মেরিনো)
পর্তুগাল: ০

Advertisement

ইউরো, উয়েফা, ক্লাব বিশ্বকাপ, ৫টা ব্যালন ডি’অর-সহ অজস্র ট্রফি তাঁর ঝুলিতে। বিশ্বের সর্বোচ্চ গোলদাতার পাশেও জ্বলজ্বল করে তাঁর নামটাই। তবুও ‘সর্বকালের সেরা’ তকমাটা অধরাই যেন থেকে গেল ক্রিশ্চিয়ানো রোনান্ডোর। কারণ বিশ্বকাপ নামক ট্রফির স্বাদ পাননি তিনি। লাস্ট ডান্সে হয়তো পাবেন। এই আশাতেই বুক বেঁধেছিল গোটা বিশ্ব। ঠিক যেমন গতবার মেসির হাতেই কাপ দেখতে চেয়েছিলেন ফুলবলপ্রেমীরা। এবার রোনাল্ডোকেই চ্যাম্পিয়নের মুকুট পরাতে চেয়েছিল তাঁর সবচেয়ে বড় শত্রুও। কিন্তু সব ইচ্ছে যে এক জন্মে পূরণ হয় না। তাই কাঁটার মুকুট নিয়েই চিরতরে বিশ্বের সেরা শো-কে আলবিদা জানালেন রোনাল্ডো। মাঠ ও মাঠের বাইরের শত্রু স্পেনের কাছে হেরেই আরও একবার পর্তুগালের স্বপ্নভঙ্গ (Portugal vs Spain Match Report)। ম্যাচ শেষে চোখের জল ধরে রাখতে পারলেন না শক্ত মনের সিআর সেভেন।  

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) শেষ ১৬-র সম্ভবত সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচ। আইবেরিয়ান ডার্বি। যেখানে বেশিরভাগ সময়ই পর্তুগালকে নাস্তানাবুদ করেছে স্প্যানিশ আর্মাডা। সেই ম্যাচেই এবার মুখোমুখি দুই প্রজন্ম। ৪১ বছরের ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো বনাম তরুণ স্প্যানিশ তুর্কি লামিনে ইয়ামাল। একদিকে নিজের শেষ বিশ্বকাপকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে মরিয়া ছিলেন সিআর সেভেন। অন্যদিকে ১৬ বছর পর দলকে চ্যাম্পিয়ন করে ইতিহাস গড়তে বদ্ধপরিকর ইয়ামাল। দুই ইগোর লড়াইয়ে তাই বেলাগাম আক্রমণ দিয়েই শুরুটা হয়। এ বলে আমায় দেখ তো ও বলে আমায়। কখনও দিয়েগো কোস্তার গ্লাভসই হয়ে উঠছে পর্তুগালের কাছে আশীর্বাদের হাত। আবার কখনও ছোঁ মেরে বল ছিনিয়ে স্পেনের ত্রাতা সিমন। রোনাল্ডোর গোল করার যাবতীয় প্রয়াস ব্যর্থ প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ভাবে।

Advertisement

দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য আক্রমণের ঝাঁজ সেভাবে চোখে পড়েনি। কেবল নিজেদের ঘাঁটি অক্ষুণ্ণ রাখার কাজটাই চালিয়ে যাচ্ছিল দুই দল। কিন্তু ইনজুরি টাইমে ব্রুনো ফার্নান্ডেজদের শিবিরে অতর্কিতে হামলা চালিয়ে সব সমীকরণ এলোমেলো করে দেন পরিবর্ত হিসেবে নাম মেরিনো। যাঁকে বল সাজিয়ে দিয়েছিলেন মিকেল ওয়ারজাবাল। ‘ক্লাচ’ প্লেয়ার হিসেবে পরিচিত মেরিনো ভুল করেননি। তাঁর গোলটাই যেন রোনাল্ডোর ভাগ্যলিখন হয়ে দাঁড়াল। শেষ আটে স্পেনের সূর্যোদয় তখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা।

কথায় বলে বাস্তব কল্পনার চেয়েও কঠিন। রোনাল্ডোর বিদায় যেন সেই কঠিন বাস্তব। যাঁকে আঁকড়ে এত স্বপ্ন, উন্মাদনা, আনন্দ আয়োজন, সব বৃথা করে চলে যাচ্ছেন পর্তুগিজ মহাতারকা। কেরিয়ারের সায়াহ্নে এসে রক্ত মাংসের মহামানবের এ যন্ত্রণা কে বুঝবে!       

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.