Manchester City

ম্যাচের মাঝে ১৩ মিনিটের ইফতার, রোজা ভাঙায় চরম কটাক্ষের শিকার ফুটবলাররা

ফুটবলাররা সাইডলাইনে ইফতারে যোগ দেন। তখনই বিপত্তি। সমর্থকদের একাংশ গ্যালারি থেকে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। চরম বিদ্রুপের শিকার হন ফুটবলাররা। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন কোচ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২, ২০২৬, ১০:৪৮

options
link
ম্যাচের মাঝে ১৩ মিনিটের ইফতার, রোজা ভাঙায় চরম কটাক্ষের শিকার ফুটবলাররা
স্টেডিয়ামের জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা বন্ধ রাখার কারণ দেখানো হয়। ছবি সংগৃহীত।

দু’টো দিন আগের কথা। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে মুখোমুখি হয়েছিল ম্যাঞ্চেস্টার সিটি বনাম লিডস ইউনাইটেড। এল্যান্ড রোড স্টেডিয়াম অর্থাৎ ঘরের মাঠে ০-১ গোলে হেরে যায় লিডস। সিটির হয়ে গোল করেন আন্তনিও সেমেনেয়োর। এই পর্যন্ত সব ঠিকঠাক মনে হলেও ম্যাচ ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয় অন্য জায়গায়। ফুটবলারের ইফতারের বিরতি চলাকালীন গ্যালারি থেকে ভেসে আসে চরম কটাক্ষ।

Advertisement

ম্যাঞ্চেস্টার সিটির জার্সি গায়ে প্রথম একাদশে ছিলেন তিন মুসলিম ফুটবলার। রায়ান আইত নুরি, ওমর মারমুশ এবং রায়ান চেরকি। তাছাড়াও রিজার্ভ বেঞ্চে ছিলেন আবদুকোদির খুসানভ। খেলার মাঝে ১৩ মিনিটের ইফতারের সংক্ষিপ্ত বিরতি দেওয়া হয়। রোজাদার ফুটবলারদের রোজা ভাঙার সুযোগ দিতে খেলা বন্ধ রাখেন। স্টেডিয়ামের জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা বন্ধ রাখার কারণ দেখানো হয়। সেখানে লেখা হয়, ‘পবিত্র রমজান মাসে আজ রাতের খেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। খেলোয়াড়দের রোজা ভাঙার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য খেলা সংক্ষিপ্তভাবে স্থগিত করা হয়েছে।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এরপর ফুটবলাররা সাইডলাইনে ইফতারে যোগ দেন। তখনই বিপত্তি। লিডস সমর্থকদের একাংশ গ্যালারি থেকে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁদের নামে দুয়ো ধ্বনি দিতে থাকেন। চরম বিদ্রুপের শিকার হন সিটি ফুটবলাররা। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ম্যাঞ্চেস্টার সিটি কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা। ম্যাচের পর তিনি বলেন, “এটা তো আধুনিক বিশ্ব। চারদিকে কী ঘটছে দেখুন। প্রত্যেকেরই উচিত সমস্ত ধর্মকে সম্মান করা। বৈচিত্র্যকে সম্মান করুন। গ্যালারি থেকে এই ধরনের বিদ্রুপ অত্যন্ত দুঃখজনক।”

Advertisement

উল্লেখ্য, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে বেশ কয়েক বছর ধরেই পবিত্র রমজান মাসে ইফতার বিরতির অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। গোল কিক, ফাউল বা থোয়ের সময় এই ধরনের বিরতি দেওয়া হয় রেফারি এবং দুই দলের অধিনায়কের পারস্পরিক সম্মতিতে। ২০২১ সালে ক্রিস্টাল প্যালেস বনাম লেস্টার সিটি ম্যাচে প্রথম এমন বিরতি দেওয়া হয়েছিল। ঘটনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি লিডস ইউনাইটেড।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.