Santosh Trophy

‘বদলি’ সায়নের গোলেই বাজিমাত, জয়ের হ্যাটট্রিকে সন্তোষ ট্রফির শেষ আটে বাংলা

তিন ম্যাচের সবক'টিতে জিতে সঞ্জয় সেনের দলের পয়েন্ট ৯। সব মিলিয়ে ৬টি গোল করেছেন রবি, সায়নরা। সবথেকে বড় ব্যাপার হল, কোনও গোল হজম করেনি বাংলা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৭:৩৩

options
link
‘বদলি’ সায়নের গোলেই বাজিমাত, জয়ের হ্যাটট্রিকে সন্তোষ ট্রফির শেষ আটে বাংলা
গোলের উচ্ছ্বাস। ছবি আইএফএ।

প্রথম দুই ম্যাচে জিতে আত্মবিশ্বাসী হয়েই রবিবার রাজস্থানের বিরুদ্ধে নেমেছিল বাংলা। জিতলে সন্তোষ ট্রফির (Santosh Trophy) কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যেত বাংলার। যদিও বিপক্ষ দলের বিরুদ্ধে লড়াইটা সহজ ছিল না সঞ্জয় সেনের দলের। মূলপর্বের প্রথম দুই ম্যাচে জিতে আত্মবিশ্বাসী থাকা রাজস্থানকে শেষে মুহূর্তের গোলে হারাল বাংলা। এই জয়ের ফলে গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচে জিতে শেষ আটে পৌঁছে গেলেন রবি হাঁসদা, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়রা। 

Advertisement

মূলপর্বে নাগাল্যান্ডের বিরুদ্ধে চার গোলের দুরন্ত জয় দিয়ে সন্তোষ ট্রফির মূলপর্ব শুরু করেছিল বাংলা। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে যথেষ্ট লড়াই করে তিন পয়েন্ট অর্জন করতে হয়েছিল বঙ্গ ব্রিগেডকে। রবিবাসরীয় দুপুরে প্রতিপক্ষের পাসিং ফুটবলকে নষ্ট করে প্রতি আক্রমণে গিয়ে খেলার নীতি নিয়েছিলেন রবি হাঁসদা, করণ রাইরা। এই ম্যাচে গোড়ালিতে হালকা চোটের কারণে প্রথম এগারোয় ছিলেন না বাংলার আক্রমণভাগের গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার উত্তম হাঁসদা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Hat-trick of wins sends Bengal into last eight of Santosh Trophy
ম্যাচের মুহূর্ত। ছবি আইএফএ।

গতবারও বাংলার গ্রুপে ছিল রাজস্থান। তাই প্রতিপক্ষের সম্পর্কে কিছুটা ধারণা ছিল সঞ্জয় সেনের। তারপর এবারের কয়েকটি ম্যাচের ভিডিও বিশ্লেষণ করে বাংলা কোচের মনে হয়েছিল গতবারের থেকেও এবারের রাজস্থান দল ভালো। সেই ‘ভালো’র প্রমাণ তারা প্রতি পদে পদে দিয়েছে। বাংলার সঙ্গে তাদের সেয়ানে সেয়ানে লড়াই যথেষ্ট উপভোগ্য ছিল। বেশ কয়েকবার বাংলার গোলরক্ষক সোমনাথ দত্তকে পরীক্ষার মুখেও পড়তে হয়। যদিও সমস্ত পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ণ হয়েছেন। বাংলাও তাদের ঝাঁজাল আক্রমণে প্রতিপক্ষকে টেক্কা দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা করে। তবে কিছুতেই ডেডলক ভাঙছিল না। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থায়।

Advertisement

মনে রাখতে হবে, বাংলার ডাগআউটে রয়েছেন সঞ্জয় সেনের মতো ‘বাঘা’ কোচ। তিনি উত্তম ছাড়া প্রথম একাদশে বিশেষ পরিবর্তন আনেননি। মনে করা হয়েছিল, বহু যুদ্ধের নায়ক গত ম্যাচের গোলদাতা নরহরি শ্রেষ্ঠা প্রথম একাদশে থাকবেন। অনেকটা অবাক করেই কোচ সঞ্জয় সেন তাঁকে প্রথম এগারোয় রাখেননি। বেঞ্চে ছিলেন আরেক তুরুপের তাস সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেই সায়নই ৮৯ মিনিটে অনবদ্য গোল করে বাংলাকে জয় এনে দিলেন। তিন ম্যাচের সবক’টিতে জিতে সঞ্জয় সেনের দলের পয়েন্ট ৯। সব মিলিয়ে ৬টি গোল করেছেন রবি, সায়নরা। সবথেকে বড় ব্যাপার হল, কোনও গোল হজম করেনি বাংলা। এই জয়ের ফলে সন্তোষের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলল বাংলা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.