Asian Games 2026

‘নিকৃষ্টতম’ এশিয়ান গেমসে মেলেনি মাথার উপর ছাদ, লবিতেই ঘুমিয়ে ভার‍তীয় দল!

ব্যাডমিন্টন, টেবল টেনিস, রোয়িং, অ্যাথলেটিক্স, শুটিংয়ের মতো খেলার স্কোয়াড ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে আইচি-নাগোয়ায়। কিন্তু সেখানে গিয়ে থাকার ঘর পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েছেন ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ১১:৫২

options
link
‘নিকৃষ্টতম’ এশিয়ান গেমসে মেলেনি মাথার উপর ছাদ, লবিতেই ঘুমিয়ে ভার‍তীয় দল!
বহু ক্রীড়াবিদ গেমস সেন্টারের লবিতে থাকা সোফাতেই ঘুমিয়ে পড়েছেন।

আইচি-নাগোয়ায় প্রতিযোগিতা শুরু হতে এখনও দিন তিনেক বাকি। কিন্তু তার আগেই বিতর্কে জর্জরিত এশিয়ান গেমসের আয়োজক শহর। বিশেষত থাকার জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়ছেন অ্যাথলিটরা। যা নিয়ে সরব হয়েছেন তাঁরা। সেই তালিকায় শুধু ভারত নয়, রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার বা থাইল্যান্ডের মতো দেশও। দক্ষিণ কোরিয়ার তরফে তো এবারের আয়োজনকে ‘নিকৃষ্টতম’ আখ্যাও দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

এশিয়ান গেমসের জন্য বিভিন্ন ভাগে জাপান রওনা হয়েছে ভারতের একাধিক খেলার দল। ব্যাডমিন্টন, টেবল টেনিস, রোয়িং, অ্যাথলেটিক্স, শুটিংয়ের মতো খেলার স্কোয়াড ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে আইচি-নাগোয়ায়। কিন্তু সেখানে গিয়ে থাকার ঘর পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েছেন ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা। বিশেষত রোয়িং বা শুটিংয়ের মতো যে সব খেলার দল সবার আগে পৌঁছে গিয়েছে, তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে সবচেয়ে বেশি। ঘর পাওয়ার জন্য অনেককেই কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে। দেখা গিয়েছে, দীর্ঘযাত্রার ক্লান্তির জেরে বিভিন্ন দেশের বহু ক্রীড়াবিদ গেমস সেন্টারের লবিতে থাকা সোফাতেই ঘুমিয়ে পড়েছেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সূত্রের খবর, মঙ্গলবারই আইচি-নাগোয়ায় পৌঁছে গিয়েছিল ভারতের শুটিং দল। কিন্তু ঘর দেওয়া হয়নি তাদের। ফলে সারা রাত লবিতেই কাটিয়েছেন শুটাররা। অবশেষে ভোরের দিকে ঘর বরাদ্দ করা হয় তাঁদের জন্য। ক্রীড়াবিদদের থেকেও খারাপ অবস্থা সাপোর্ট স্টাফদের। কারণ, তাঁদের ঘর পেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে আরও বেশি সময়। ভারতের এক কোচ আইচি-নাগোয়া থেকে হোয়াটসঅ্যাপ কলে বলছিলেন, “আমরা বুধবার এসেছি। যারা মঙ্গলবার এসেছে, সবচেয়ে বেশি ভুগেছে তারা। কারণ প্রথমদিকে একেবারে অচলাবস্থা ছিল। আমরা যখন এসেছি, পরিস্থিতি সামান্য হলেও উন্নত হয়েছে। তারপরও আমাদের প্লেয়াররা ঘণ্টা দু’য়েক অপেক্ষা করেছে ঘর পাওয়ার জন্য। ওদের ক্রুজে রাখা হয়েছে। কিন্তু আমাদের ঘর তখন দেওয়া হয়নি। জায়গা পেলাম রাতের দিকে। আমরা এসেছি স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টা নাগাদ। আর আমাদের ঘর দেওয়া হল রাত দশটার দিকে। তাও আবার গেমস সেন্টার থেকে অনেকটা দূরে। সেন্টার থেকে বাসে করে রাত এগারোটার দিকে হোটেলে এসেছি।”

Advertisement

ভারতীয় দলের ডেপুটি শেফ দ্য মিশন শরথ কমলের সঙ্গে বার বার যোগাযোগ করার পর অবশেষে তাঁরা ঘর পেয়েছেন বলে জানান ওই কোচ। ওই হোটেলে ভারতীয় দলের একাংশকে রাখা হয়েছে। যদিও সেখানে কতদিন থাকতে পারবেন, জানেন না তাঁরা। ওই কোচের কথায়, “যতদূর জানি, এখানে এক রাতের জন্য বুকিং রয়েছে। কাল সকালে উঠে খোঁজ নিতে হবে, পরবর্তীতে কী হবে তা নিয়ে।” এহেন আয়োজন নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ তিনি। বলছিলেন, “আমি প্লেয়ার আর কোচ হিসেবে বহু বড় প্রতিযোগিতায় গিয়েছি। অলিম্পিক, এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমসের মতো প্রতিযোগিতায় উপস্থিত থেকেছি। কিন্তু এমন অব্যবস্থা কোথাও দেখিনি।” এমনকী প্রতিযোগিতার আগে দল কোথায় অনুশীলন করবে, তাও এখনও জানা নেই ওই কোচের।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.