ডিলিমিটেশন বিল (Delimitation Bill) পাশ করাতে ফের বেনজির পদক্ষেপের পথে মোদি সরকার। আগামী সপ্তাহেই ফের বসতে পারে সংসদের অধিবেশন! এক সংবাদমাধ্যমের দাবি, বিজেপি চাইছে পিতৃপক্ষ শুরুর আগেই মহাগুরুত্বপূর্ণ ওই সংবিধান সংশোধনী আইন পাশ করিয়ে নিতে। সেজন্য দিন তিনেকের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে। অবশ্য বিশেষ অধিবেশন বলাটা ভুল হবে। কারণ সংসদের ওই অধিবেশনটি বাদল অধিবেশনেরই বর্ধিত অংশ হিসাবে গণ্য হবে। খাতায় কলমে বাদল অধিবেশন এখনও শেষ হয়নি।
আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে যাবে পিতৃপক্ষ। ওই এক পক্ষ কালে কোনও শুভকাজ বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া এড়িয়ে যেতে দেখা যায় বিজেপি নেতৃত্বকে। তাই পিতৃপক্ষের দু’দিনের বিশেষ অধিবেশন ডেকে সরকার লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস বিলটি পাশ করিয়ে নিতে পারে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে। বাদল অধিবেশন শেষ হয়ে যাওয়ার প্রায় পাঁচ সপ্তাহ পরেও অধিবেশন শেষের বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি কেন্দ্র। সূত্রের খবর, সরকার চাইছে পিতৃপক্ষের আগেই ৩ দিনের জন্য ফের অধিবেশন ডেকে ডিলিমিটেশন বিলটি পাশ করাতে।
আরও পড়ুন:
১৩ আগস্ট লোকসভা ও রাজ্যসভা উভয়ই অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি করা হয়েছিল। সাধারণত, পরবর্তী তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই অধিবেশনটি আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। এখনও পর্যন্ত বাদল অধিবেশন স্থগিতের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত বা মূলতবি করা হলেও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন বা অবসানের ঘোষণা না আসায় আইনিভাবে অধিবেশন শেষ হয়নি।
এনডিএর একাধিক শরিক দলের নেতার দাবি, সরকার বিশেষ অধিবেশনের প্রস্ততি নিচ্ছে। এমনকী ডিলিমিটেশন বিল পাশ করাতে যে সংখ্যাবল দরকার, সেটাও সরকার জোগাড় করে ফেলেছে। বিরোধী শিবিরকে খানিকটা অন্ধকারে রেখেই খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিলটি পেশ করতে পারে কেন্দ্র। সরকারি শিবিরের একাধিক সূত্রের দাবি, ডিএমকে শেষ পর্যন্ত বিলটির বিরোধিতা না করলে সরকারের পক্ষে প্রয়োজনীয় সংখ্যার অনেকটাই জোগাড় হয়ে যাবে। তবে তাতেও পুরো অঙ্ক মিলবে না। তাই কয়েকজন বিরোধী সাংসদের ক্রস ভোটিং অথবা ভোটদানে বিরত থাকার সম্ভাবনাকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
আসন পুনর্বিন্যাস বিল পাশের জন্য প্রয়োজন সংবিধান সংশোধনী। সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠতায় কাজ হবে না, চাই দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন। লোকসভায় সংখ্যাটা ৩৬০। এই মুহূর্তে সরকারিভাবে এনডিএর হাতে রয়েছে ৩১৭ জন সাংসদের সমর্থন। ইতিমধ্যেই একবার ব্যর্থ হয়েছে এই বিল পাশের প্রচেষ্টা। আবারও সেটা হোক, মোটেই চাইছে না মোদি সরকার। তাই পাঁচ বিধানসভায় ভোট মেটার পর থেকেই একাধিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বিজেপি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বালি ব্যবসায়ীর থেকে তোলাবাজির অভিযোগ, বর্ধমানে বিজেপি নেতাকে বেঁধে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের
-
‘সবার ভিড়ে যেন হারিয়ে না যাই’, মোদির জন্মদিনে অভিনব শুভেচ্ছা তৃণমূল সাংসদের! সুস্বাস্থ্য কামনায় সেলেবরাও
-
১৭ দিন আগে বিয়ে, আমেরিকায় রহস্যমৃত্যু হায়দরাবাদের ইঞ্জিনিয়রের, এক্স হ্যান্ডেলে কাতর আবেদন পরিবারের
-
প্রেসক্রিপশন ছাড়া আরও ওষুধ বিক্রি নয়, বেনিয়ম রুখতে অভিনব ভাবনা কেন্দ্রের
-
স্বাস্থ্যসাথীতে ‘না’, আয়ুষ্মান কার্ডে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হল হাঁটু-কোমর প্রতিস্থাপন