Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
UPI Payments charge

মুখেই বিরোধিতা রাহুলের, সংসদীয় কমিটিতে UPI চার্জে আপত্তি জানায়নি কংগ্রেসও

সংসদীয় কমিটিতে কংগ্রেসের পাঁচ সদস্য রয়েছেন। বৈঠকে পাঁচ জনের কেউ চার্জ বসানোতে বিন্দুমাত্র আপত্তি জানাননি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ০৯:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ০৯:০২

options
link
মুখেই বিরোধিতা রাহুলের, সংসদীয় কমিটিতে UPI চার্জে আপত্তি জানায়নি কংগ্রেসও zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার ইউপিআই লেনদেনে ২০০০ টাকার বেশি লেনদেনে চার্জ বসানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতেই গেল গেল রব। রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে কংগ্রেসের তাবড় নেতারা বলছেন, মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছে সরকার। রাহুল গান্ধীর সাফ দাবি, প্রধানমন্ত্রী ‘কমপ্রোমাইজড’। ইউপিআই ট্যাক্স প্রত্যাহার করতে হবে। কিন্তু মজার কথা হল, যখন সময় ছিল এই কংগ্রেসই ইউপিআই চার্জের বিরোধিতা করেনি।

‘পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট’-এ সংশোধনী পাশ হয়েছে বাদল অধিবেশনে। ওই সংশোধনীতেই প্রস্তাব ছিল, অনলাইন আর্থিক লেনদেনে ফি আরোপ করা হবে। অনলাইন লেনদেনের উপর এমডিআর বসানো হবে। এই এমডিআর বিষয়টি কী? যখন কোনও ব্যবসায়ী অনলাইনে অর্থ গ্রহণ করেন, তার জন্য ব্যাঙ্ককে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি প্রদান করেন। এই এমডিআর তথা মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট বিষয়টি ২০২০ সালের পর থেকে আর ভারতের বাজারে কার্যকর ছিল না। সেসময় থেকেই ভারতে অনলাইন লেনদেনের পরিমাণ বাড়তে থাকে। এবার ফিরছে এমডিআর। মঙ্গলবার নির্দেশিকা প্রকাশ্যে আসতেই কংগ্রেস দাবি করে, এটা স্রেফ পথ তৈরি করা হল আগামী দিনে সমস্ত অনলাইন পেমেন্টে ফি বসানোর জন্য।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গত আগস্টে অর্থ বিষয়ক সংসদীয় কমিটির প্রধান তথা বিজেপি সাংসদ ভর্ত্রুহরি মাহাতো জানান, ইউপিআই ইন্ডাস্ট্রির খরচ চালাতে চার্জ বসানো দরকার। তিনি জানান, বাজেটে ইউপিআই ইন্ডাস্ট্রির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ২ হাজার কোটি টাকা। অথচ ওই ইন্ডাস্ট্রির অপারেশনাল কস্ট অর্থাৎ কাজ চালানোর খরচই ২০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। কমিটির তরফে প্রস্তাব দেওয়া হয়, ২০০০ টাকার বেশি মার্চেন্ট লেনদেনে অর্থাৎ ব্যবসায়ীদের লেনদেনে ০.০৪ শতাংশ চার্জ বসানো দরকার।

তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ওই সংসদীয় কমিটিতে কংগ্রেসের পাঁচ সদস্য রয়েছেন। যাঁদের মধ্যে পি চিদম্বরম, মণীশ তিওয়ারি, গৌরব গগৈ, কিশোরীলাল ত্রিপাঠী এবং কে গোপীনাথন ওই বৈঠকে যোগ দেন। সূত্রের দাবি, আগস্ট মাসের ওই বৈঠকে পাঁচ জনের কেউ চার্জ বসানোতে বিন্দুমাত্র আপত্তি জানাননি। এটা ঠিক যে, কংগ্রেস সাংসদরা বিরোধিতা করলেও ইউপিআইতে চার্জ বসানোর ওই প্রস্তাব পাশ হয়ে যেত। কিন্তু তাতে অন্তত ‘ডিসেন্ট নোট’ হিসাবে ওই প্রতিবাদ নথিভুক্ত থাকত। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সংসদীয় কমিটিতে বিরোধিতা না করে এখন চার্জ কার্যকর করার নির্দেশিকা জারির পর আদৌ নৈতিকভাবে বিরোধিতা করতে পারে কি কংগ্রেস?

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.