Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Ayushman Bharat

স্বাস্থ্যসাথীতে ‘না’, আয়ুষ্মান কার্ডে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হল হাঁটু-কোমর প্রতিস্থাপন

সুবিধা পেলেন আসানসোলের দিনমজুর সঞ্জিত পাসোয়ান ও রানিগঞ্জের নীতা দত্ত।

শেখর চন্দ্র
শেখর চন্দ্র

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ১৪:৩৪

link
শেখর চন্দ্র
শেখর চন্দ্র

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ১৪:৩৪

options
link
স্বাস্থ্যসাথীতে ‘না’, আয়ুষ্মান কার্ডে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হল হাঁটু-কোমর প্রতিস্থাপন zoom
'আয়ুষ্মান ভারত' প্রকল্পে রোগীদের বিনামূল্যে হাঁটু ও কোমর প্রতিস্থাপন, ছবি: প্রতীকী
Advertisement

রাজ্যে প্রশাসনিক পরিবর্তনের পর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার রূপান্তরে উপকৃত হচ্ছেন অসংখ্য নিম্নবিত্ত মানুষ। দীর্ঘদিন কোমর ও হাঁটু বিকল হয়ে পড়ে থাকা রোগীরা অবশেষে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ কার্ডের সহায়তায় বিনামূল্যে জটিল অস্ত্রোপচারের সুযোগ পেলেন। আসানসোলের দিনমজুর সঞ্জিত পাসোয়ান স্নান করতে গিয়ে কোমরের হিপ জয়েন্ট ভেঙে পঙ্গু হয়ে পড়েছিলেন। চিকিৎসকরা সম্পূর্ণ হিপ রিপ্লেসমেন্টের পরামর্শ দিলেও অর্থ সংকটে দেড় মাস তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন। পরবর্তীতে শল্য চিকিৎসক নির্ঝর মাজির সহায়তায় কেন্দ্রীয় সরকারের ‘আয়ুষ্মান ভারত’ কার্ডে তাঁর সফল চিকিৎসা সম্পন্ন হয়।

রোগী সঞ্জিত পাসোয়ান বলেন, ‘‘বাড়িতে একা পড়েছিলাম, অস্ত্রোপচারের টাকা ছিল না। এই কার্ড পেয়ে ডাক্তারবাবুর চিকিৎসায় নতুন জীবন পেলাম, ১-২ দিনের মধ্যে হাঁটতে পারব।” আরেক রোগী নীতা দত্ত বলেন, ‘‘বহুদিন ধরে কষ্ট পাচ্ছিলাম, স্বাস্থ্যসাথীতে হচ্ছিল না। এখন ডাক্তারবাবু খুব ভালো চিকিৎসা করেছেন। এবার মনে হচ্ছে আবার দাঁড়াতে পারব, স্বাভাবিক চলাচল করতে পারব।”

রানিগঞ্জের নীতা দত্তের দুটি হাঁটু নষ্ট হয়ে গেলেও স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে অস্ত্রোপচার সম্ভব হয়নি। আয়ুষ্মান কার্ডের মাধ্যমে তাঁর একটি হাঁটু প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। চিকিৎসক নির্ঝর মাজি বলেন, ‘‘স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে এই জটিল অস্ত্রোপচারগুলি করা যেত না। গত মাসের (আগস্ট) ১৬ তারিখ থেকে আয়ুষ্মান ভারত কার্ডের সুবিধা পেতে শুরু করেছেন রাজ্যবাসী। চিকিৎসা শুরু হওয়ায় দেড় মাস ধরে অপেক্ষা করা রোগীরা এখন সুস্থ হচ্ছেন।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রোগী সঞ্জিত পাসোয়ান বলেন, ‘‘বাড়িতে একা পড়েছিলাম, অস্ত্রোপচারের টাকা ছিল না। এই কার্ড পেয়ে ডাক্তারবাবুর চিকিৎসায় নতুন জীবন পেলাম, ১-২ দিনের মধ্যে হাঁটতে পারব।” আরেক রোগী নীতা দত্ত বলেন, ‘‘বহুদিন ধরে কষ্ট পাচ্ছিলাম, স্বাস্থ্যসাথীতে হচ্ছিল না। এখন ডাক্তারবাবু খুব ভালো চিকিৎসা করেছেন। এবার মনে হচ্ছে আবার দাঁড়াতে পারব, স্বাভাবিক চলাচল করতে পারব।” উল্লেখ্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, প্রথম এক মাসেই রাজ্যের ৫০ হাজারের বেশি মানুষ প্রায় ২৮ কোটি টাকার সুবিধা পেয়েছেন। এমনকি ১ হাজার ১০২ জন রোগী ভিন রাজ্যের হাসপাতালেও বিনামূল্যে চিকিৎসা করিয়েছেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.