দীর্ঘ কর্মসূচি, টানা সফর, ব্যস্ত সময়সূচি। বয়স ৭৬ পেরিয়েও প্রধানমন্ত্রীর জীবনযাপন ঘিরে কৌতূহল কম নয়। সেই ব্যস্ততার আড়ালে রয়েছে বেশ কিছু নিয়মিত অভ্যাস, যার কথা বিভিন্ন সময়ে নিজেই জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। যোগ থেকে প্রাণায়াম, হাঁটা থেকে উপোস, খাবারেও রয়েছে সরলতার ছাপ।

আরও পড়ুন:
যোগে শুরু
যোগ বহু বছর ধরেই মোদির দৈনন্দিন জীবনের অংশ। ছোটবেলা থেকেই যোগ ও প্রাণায়ামের সঙ্গে পরিচয়ের কথা তিনি জানিয়েছেন। তাঁর কাছে যোগ শুধু শরীরচর্চা নয়, শরীর ও মনের মধ্যে ভারসাম্য রাখারও একটি উপায়। নিয়মিত যোগাভ্যাসের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে তাঁকে নানা আসন ও যোগচর্চায় অংশ নিতে দেখা যায়।
হাঁটায় ভরসা
শরীরকে সচল রাখার ক্ষেত্রে হাঁটাকেও গুরুত্ব দেন তিনি। যোগাভ্যাসের পাশাপাশি হাঁটা ও অন্যান্য শারীরিক কার্যকলাপ তাঁর রুটিনের অংশ। এমনকী ‘পঞ্চতত্ত্ব’ ভাবনার সঙ্গে যুক্ত করে হাঁটার একটি বিশেষ অনুশীলনের কথাও প্রকাশ্যে এসেছে। অর্থাৎ, শরীরচর্চার জন্য সবসময় জটিল কোনও রুটিন নয়, নিয়মিত চলাফেরাকেও গুরুত্ব দেওয়া তাঁর অভ্যাসের অন্যতম দিক।

শ্বাসে ছন্দ
যোগের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে প্রাণায়াম। শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণের এই প্রাচীন পদ্ধতি তাঁর নিয়মিত অনুশীলনের অংশ। ব্যস্ত জীবনেও মানসিক স্থিরতা বজায় রাখার প্রসঙ্গে প্রাণায়ামের কথা উঠে এসেছে তাঁর বক্তব্যে।
উপোসে সংযম
উপোস তাঁর কাছে কোনও সাম্প্রতিক ‘ডায়েট ট্রেন্ড’ নয়। বরং বহু দশকের ব্যক্তিগত অভ্যাস। নবরাত্রি ও চাতুর্মাসের মতো সময়ে উপোসের কথা তিনি জানিয়েছেন। তাঁর নিজের বর্ণনায়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আধ্যাত্মিকতা, আত্মসংযম ও শৃঙ্খলা। তাই তাঁর উপোসকে শুধুমাত্র ওজন কমানোর প্রচলিত ‘ফাস্টিং’ পদ্ধতির সঙ্গে এক করে দেখা ঠিক নয়।

খাবারে সরলতা
খাবারের ক্ষেত্রেও খুব জটিল কোনও নিয়মের কথা তাঁর বক্তব্যে পাওয়া যায় না। তিনি নিরামিষভোজী। নির্দিষ্ট কোনও ডায়েট চার্ট নেই। পরিস্থিতি অনুযায়ী সাধারণ খাবারই খান। খিচুড়ির মতো ঘরোয়া খাবারের প্রতিও তাঁর পছন্দের কথা বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। অর্থাৎ, খাবারের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত আয়োজনের বদলে সরলতাই তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
সব মিলিয়ে যোগ, হাঁটা, প্রাণায়াম, উপোস এবং জাঁকজমকহীন খাদ্যাভ্যাস- এই পাঁচ অভ্যাসের মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্টভাবে দেখা যায়, নিয়মের প্রতি দীর্ঘদিনের আনুগত্য। তবে এগুলি প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবনযাপনের অভ্যাস। এগুলিকে সবার জন্য প্রযোজ্য কোনও স্বাস্থ্য-পরামর্শ বা নির্দিষ্ট ডায়েট হিসেবে নেওয়া উচিত নয়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘আত্মনির্ভর’ হবে ভারত, সৌরশক্তিতেই মিটবে জ্বালানি খিদে!
-
‘দ্রুঝবাদোস্তি’, মোদির জন্মদিন ঢালাও প্রশংসায় শুভেচ্ছাবার্তা পুতিনের, চাকা ঘুরছে বৈশ্বিক কূটনীতির!
-
‘এভাবে হিন্দি দূরে সরিয়ে রাখা যায় না’, ‘আগ্রাসন’ প্রশ্নে তামিলানাড়ু সরকারকে একহাত সুপ্রিম কোর্টের
-
বাতাসে বিষ! কারখানার দূষণ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বন্ধ, ‘তৃণমূল জমানার বদভ্যাস বরদাস্ত নয়’, হুঁশিয়ারি অগ্নিমিত্রার
-
‘অন্তত দেড় মাস টাকা থাকবে’, বিজেপি ছাড়ার পর শেহওয়াগের কাছে ‘চাকরি’ করছেন মুখপাত্র!