Bengal Election 2026

কর্তব্যে গাফিলতি! কমিশনের ‘রোষে’ ডায়মন্ড হারবারের একাধিক পুলিশকর্তা

বাংলার দ্বিতীয় দফার ভোটের মাত্র চারদিন আগে ফের পুলিশকর্তাদের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত নির্বাচন কমিশন। এবার কমিশনের রোষের মুখে ডায়মন্ড হারবারের একাধিক পুলিশকর্তা। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১৬:৫৩

options
link
কর্তব্যে গাফিলতি! কমিশনের ‘রোষে’ ডায়মন্ড হারবারের একাধিক পুলিশকর্তা
ডায়মন্ড হারবারের একাধিক পুলিশকর্তাকে 'শাস্তি' কমিশনের। ফাইল ছবি

বাংলার দ্বিতীয় দফার ভোটের মাত্র চারদিন আগে ফের পুলিশকর্তাদের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত নির্বাচন কমিশন। এবার কমিশনের রোষের মুখে ডায়মন্ড হারবারের একাধিক পুলিশকর্তা। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অ্যাডিশনাল এসপি, এসডিপিও ডায়মন্ড, আইসি ডায়মন্ড হারবার, আইসি ফলতা এবং আইসি উস্তি এদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিল নির্বাচন কমিশন। এসপি ডায়মন্ড হারবার ঈশানি পালকেও সতর্ক করা হয়েছ। এই অফিসারদের বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নিতে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। গোটা ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার আধিকারিকদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখায় ব্যর্থতা এবং নিজ কাজে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে।

Advertisement

ভোট ঘোষণার দিনই তাৎপর্যপূর্ণভাবে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ একাধিক পুলিশ কর্তাকে সরিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। এমনকী কলকাতা পুলিশ কমিশনার, ডিজি-সহ একাধিক জেলার পুলিশ সুপারকেও রাতারাতি বদল করার নির্দেশ দেয় কমিশন। সরানো হয়েছে রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, প্রেসিডেন্সি এবং জলপাইগুড়ির রেঞ্জের ডিআইজিকে। বদলি নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেই অভিযোগ উঠছে। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সুর চড়ান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করেই কেন শীর্ষ আধিকারিকদের বদল, তা নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও দেন। সেই ক্ষোভের জল গড়ায় কলকাতা হাই কোর্টে। পরবর্তীকালে সুপ্রিম কোর্টেও এঠে মামলাটি। তবে ধোপে টেকেনি। আধিকারিকদের বদলি নতুন কিছু নয় বলেই জানিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

Advertisement

চলতি বছর বাংলায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করতে মরিয়া নির্বাচন কমিশন। তাই একের পর এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ করেছে কমিশন। বারবারই কমিশনের তরফে পুলিশকর্তাকে নিজের কাজে অবহেলা না করার কথা বলা হয়েছে। কোনও রাজনৈতিক দলের নেতার হয়ে কাজ না করার নির্দেশিকা জারি হয়েছে। কর্তব্যে গাফিলতিতে কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিল কমিশন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.