West Bengal Assembly Election

রাজ্যে বাড়ল ৪ হাজার ৬৬০টি ভোটকেন্দ্র, কেন এমন নির্দেশ কমিশনের?

নির্বাচন কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ভোটগ্রহণ কেন্দ্র বৃদ্ধি কিংবা ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ঠিকানা বদলের হলে, সে খবর ভোটারদের কান পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া কমিশনেরই কাজ।

Advertisement
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২৬, ১২:৩০

options
link
রাজ্যে বাড়ল ৪ হাজার ৬৬০টি ভোটকেন্দ্র, কেন এমন নির্দেশ কমিশনের?
ফাইল ছবি।

বিধানসভা ভোটমুখী বাংলায় (West Bengal Assembly Election) বড়সড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। ভোটারদের সুবিধায় আরও বেশি ভোটগ্রহণ কেন্দ্র বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আরও ৪ হাজার ৬৬০টি পোলিং স্টেশন বাড়তে চলেছে। তার ফলে রাজ্যে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮৫ হাজার ৩৭৯টি।

Advertisement

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ১ হাজার ২০০ জনের বেশি ভোটার হলে অতিরিক্ত ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তৈরি করতে হবে। সেই অনুযায়ী আরও ৪ হাজার ৬৬০টি পোলিং স্টেশন বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া ৩২১টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রকে নতুন জায়গায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ১ হাজার ২০০ জনের বেশি ভোটার হলে অতিরিক্ত ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তৈরি করতে হবে। সেই অনুযায়ী আরও ৪ হাজার ৬৬০টি পোলিং স্টেশন বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া ৩২১টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রকে নতুন জায়গায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে ভোট (West Bengal Assembly Election) পরিচালনা করতে যাতে সমস্যা না হয়, সে কারণে অতিরিক্ত ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তৈরির সিদ্ধান্ত বলেই কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নির্বাচন কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ভোটগ্রহণ কেন্দ্র বৃদ্ধি কিংবা ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ঠিকানা বদলের হলে, সে খবর ভোটারদের কান পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া কমিশনেরই কাজ। সেক্ষেত্রে প্রত্যেক ভোটারকে জানাতে হবে। সংশ্লিষ্ট এলাকার রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের কাছেও সে খবর পৌঁছে দিতে হবে।

Advertisement

বলে রাখা ভালো, এর আগে বাংলায় এসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ভোটারদের স্বার্থে একগুচ্ছ পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেন। তিনি জানান, বুথে থাকবে বিশেষ সহয়তা ক্যাম্প। থাকবে নম্বরও। যেখানে যে কোনও রাজনৈতিক দল ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন। এছাড়াও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সমস্ত ভোটকেন্দ্রেই ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। আর তা কমিশন সম্পূর্ণ মনিটরিং করবে বলে জানিয়েছেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। নিরাপত্তার স্বার্থে মোবাইল নিয়ে বুথে ঢোকা যাবে না। তা বাইরে রেখেই ভোট দিতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এছাড়াও প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর ভোটের হার প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তা পাওয়া যাবে ECINET অ্যাপে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.