Bengal Election 2026

হুইল চেয়ারে বসে ভোট, অভিমান ভুলে মমতাকেই মসনদে চান নন্দীগ্রামের শহিদের মা

ফিরোজা বিবির ছেলে জহিরুল ইসলামও জানালেন, 'নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনের সময় থেকে আজকের দিন পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার আদর্শ।'

প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০২৬, ১৩:৫৪

options
link
হুইল চেয়ারে বসে ভোট, অভিমান ভুলে মমতাকেই মসনদে চান নন্দীগ্রামের শহিদের মা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই ফের মসনদে চান নন্দীগ্রামের শহিদজননী ফিরোজা বিবি।

সাময়িক অভিমান এখন অতীত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই (Mamata Banerjee) ফের বাংলার মসনদে দেখতে চান নন্দীগ্রামের শহিদ-মাতা ফিরোজা বিবি। বৃহস্পতিবার হুইল চেয়ারে বসেই নন্দীগ্রামের জাদুবাড়িচকে ভোট দিয়েছেন অসুস্থ বৃদ্ধা। সঙ্গে ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক ছেলেও। ভোটদানের পর ফিরোজা বিবি জানান, মান-অভিমান যতই থাক, মনেপ্রাণে চান, বাংলার মসনদে ফের বসুন তাঁর নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। একই কথা বলছেন ফিরোজা বিবির ছেলে জহিরুলও। জানালেন, মায়ের হাত ধরেই তাঁর তৃণমূল করা এবং সেইদিন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর আদর্শ।

Advertisement

২০২৬ সালের নির্বাচনে বিধায়কের প্রার্থীপদ থেকে নাম বাদ পড়ে ফিরোজা বিবির। তবে কিছুটা আশায় ছিলেন, হয়তো শহিদ পরিবার হিসাবে নাম থাকতে পারে। কিন্তু তা হয়নি। সেই সময় কিছুটা মান-অভিমান থাকলেও বিদায়ী বিধায়ক ফিরোজা মনেপ্রাণে চান আবারও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হন তাঁর নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

২০০৭ সালের ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনে প্রাণ গিয়েছিল ফিরোজা বিবির পুত্র শেখ ইমদাদুলের। তারপরও আন্দোলন থেকে সরে যায়নি ফিরোজা বিবির পরিবার। এরপর বাংলায় রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হলে ২০১১ সালে নন্দীগ্রামের বিধায়ক হন শহিদজননী ফিরোজা বিবি। পরেরবার, ২০১৬ সালে ফিরোজা বিবিকে নন্দীগ্রাম থেকে সরিয়ে পশ্চিম পাঁশকুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী করা হয়। সেখানেও তিনি জয়লাভ করেন। ২০২১ সালের নির্বাচনেও পশ্চিম পাঁশকুড়া থেকেই ফের বিধায়ক হন ফিরোজা বিবি। বিধায়ক থাকাকালীন তিনি পাঁশকুড়ায় উন্নয়নে নজির তৈরি করেছিলেন। তবে বয়সজনিত কারণে পরে ফিরোজা বিবি সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান। তাঁর পুত্র শেখ জহিরুল ইসলাম বিধায়ক প্রতিনিধি হিসাবে ২০১৬ সাল থেকে পাঁশকুড়ায় স্থায়ী বাসিন্দা হিসাবে সমাজসেবার কাজে যুক্ত হন। পাঁশকুড়ার মেছোগ্রাম পূর্ণ চন্দ্র বালিকা বিদ্যালয়ে ভোটদান করেন ফিরোজাপুত্র জহিরুল।

Advertisement

২০২৬ সালের নির্বাচনে (Bengal Election 2026) বিধায়কের প্রার্থীপদ থেকে নাম বাদ পড়ে ফিরোজা বিবির। তবে কিছুটা আশায় ছিলেন, হয়তো শহিদ পরিবার হিসাবে নাম থাকতে পারে। কিন্তু তা হয়নি। সেই সময় কিছুটা মান-অভিমান থাকলেও বিদায়ী বিধায়ক ফিরোজা মনেপ্রাণে চান আবারও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হন তাঁর নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার হুইল চেয়ারে বসা মাকে নিয়ে ভোটদানের পর জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘‘আমি তৃণমূল প্রথম দিন থেকে করি মায়ের সঙ্গে। নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনের সময় থেকে আজকের দিন পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার আদর্শ।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.