West Bengal Elections 2026

কত ফর্ম ৬ জমা পড়েছে? সিসিটিভি-সহ তালিকা দেবে কমিশন, জানাল তৃণমূল

গত ৩০ মার্চ, পুরুলিয়া সফর সেরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সিইও দপ্তরে যান। তিনি দাবি করেন, ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে রাজ্যের ভোটার তালিকায় বহিরাগতদের ঢোকানো হচ্ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ২০:০০

options
link
কত ফর্ম ৬ জমা পড়েছে? সিসিটিভি-সহ তালিকা দেবে কমিশন, জানাল তৃণমূল
সিইও দপ্তরে তৃণমূল প্রতিনিধি দল। ৩ এপ্রিল, ২০২৬। নিজস্ব চিত্র

এসআইআর আবহে ভোটমুখী বঙ্গে বিধানসভা ভোট নিয়ে তুঙ্গে উত্তেজনা। তারই মাঝে ফর্ম ৬ নিয়ে চলছে তীব্র টানাপোড়েন। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার সিইও দপ্তরে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়ালের সঙ্গে দেখা করেন তৃণমূলের তিন প্রতিনিধি। দেখা করার পর তাঁদের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজ-সহ কত ফর্ম ৬ জমা পড়েছে, তা জানাতে রাজি হয়েছে কমিশন।

Advertisement

অরূপ বিশ্বাস বলেন, “অবৈধভাবে সাড়ে ১০ হাজার ফর্ম ৬ জমা পড়েছে। প্রথমে কমিশন তা মানতে চাইছিল না। কিন্তু শুক্রবারের বৈঠকের পর সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করতে চেয়েছে কমিশন। কারা জমা দিলেন ফর্ম ৬ বিধানসভাভিত্তিক সেই তালিকাও দেওয়া হয়েছে।”

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অরূপ বিশ্বাস বলেন, “অবৈধভাবে সাড়ে ১০ হাজার ফর্ম ৬ জমা পড়েছে। প্রথমে কমিশন তা মানতে চাইছিল না। কিন্তু শুক্রবারের বৈঠকের পর সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করতে চেয়েছে কমিশন। কারা জমা দিলেন ফর্ম ৬ বিধানসভাভিত্তিক সেই তালিকাও দেওয়া হয়েছে।” বলে রাখা ভালো, গত কয়েকদিন ধরে জমা পড়া ফর্ম ৬ নিয়ে তালিকা প্রকাশের দাবি করেছিল। প্রমাণ হিসাবে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবিও করা হয়েছিল। তবে সেই সময় সেকথাও প্রায় কানই দেয়নি কমিশন। আচমকা অবস্থান বদলের নেপথ্যে কিছু কারণ লুকিয়ে রয়েছে বলেই মনে করছেন অরূপ বিশ্বাস। তাঁর কথায়, “ডাল মে কুছ কালা হ্যায়।”

Advertisement

উল্লেখ্য, গত ৩০ মার্চ, পুরুলিয়া সফর সেরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সিইও দপ্তরে যান। তিনি দাবি করেন, ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে রাজ্যের ভোটার তালিকায় বহিরাগতদের ঢোকানো হচ্ছে। তিনি দলীয় কর্মীদের নজরদারিরও নির্দেশ দেন। এরপর গত ৩১ মার্চ সিইও দপ্তরে যান শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ, সেই সময় পূর্ব মেদিনীপুরের এক বিজেপি নেতা ৪০০টি ফর্ম ৬ নিয়ে সিইও দপ্তরে ঢোকেন। তা নাকি ধরে ফেলেন শাসক দলের নেতা-কর্মীরা। তা নিয়ে সিইও দপ্তরের সামনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। বাইক ভাঙচুরও হয়। শাসক-বিরোধী দুই দলের প্রতিনিধিরা একে অপরকে স্লোগান দিতে থাকে। হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়। এই ঘটনায় তদন্ত হচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিশেষ সচিব। আগামী ৫ এপ্রিল রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.