জনগণনার (Census) কাজে গৃহগণনায় কোনও গৃহ বাদ পড়বে না। ঘর বা ফ্ল্যাট বন্ধ থাকলে, গৃহস্থ ঘরে না থাকলেও দ্বিতীয়বার গণনাকর্মীরা যাবেন। বস্তুত সেই কারণে গণনাকর্মীদের স্টিকার দেওয়া হয়েছে। সোমবার সল্টলেকে পশ্চিমবঙ্গের জনগণনা কার্য নির্দেশক নিখিল পবন কল্যাণ জানান, “নাগরিকরা যাতে তাঁর বাড়িতে আসা গণনাকারীকে চিহ্নিত করে যোগাযোগ করতে পারেন, তার জন্য গণনাকারী দরজায় স্টিকার দিয়ে আসবেন। সেই স্টিকার মারফত যোগাযোগ করতে পারবেন।”
রবিবারই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তথ্য দিয়ে জানিয়েছিলেন, দেশের মধ্যে সর্বাধিক সংখ্যায় ‘সেলফ এনুমারেশন’ হয়েছে বাংলায়। আবাসিক গৃহের পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত ঘরগুলিও এই গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে আর এই লক্ষ্যে পৃথক প্রশ্নাবলি প্রস্তুত করা হয়েছে।
জনগণনার প্রথম ধাপে পশ্চিমবঙ্গে ৫৩ লাখেরও বেশি পরিবার স্ব-গণনা বা সেলফ এনুমারেশন সম্পন্ন করেছেন। এখন ১৬ আগস্ট থেকে দ্বিতীয় ধাপে গৃহ তালিকাভুক্তিকরণ অর্থাৎ ‘হাউস লিস্টিং’ শুরু হয়েছে, বাড়ি বাড়ি যেতে শুরু করেছেন গণনাকর্মীরা। এই পর্যায় চলবে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। সমস্ত গণনাকর্মীকে সাহায্য করতে জনগণের কাছে আবেদন করেন গণনা আধিকারিক। নিখিল পবন দাবি করেন, “দেশে সর্বোচ্চ ৫৩ লাখ পরিবার স্ব-গণনা নথিভুক্ত করেছে, যা রাজ্যের আনুমানিক পরিবার সংখ্যার এক-চতুর্থাংশ। তবে অংশগ্রহণকারী উত্তরদাতাদের ৯৩.৮৪ শতাংশ নাগরিক সফলভাবে অনলাইনে গণনা সম্পন্ন করেছেন।”
আরও পড়ুন:
টোল-ফ্রি হেল্পলাইন ১৮৫৫ নম্বরও চালু হয়েছে। গণনায় যুক্ত এক লক্ষ ৭০ হাজার এনুমারেটর ও ৩০ হাজার সুপারভাইজার। প্রতি এনুমারেটরকে ১৫০-২০০ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। কেউ ভুল করে একই বাড়িতে বসবাসকারী আলাদা পরিবারকে একটি হাউসহোল্ড উল্লেখ করলেও সংশোধনের সুযোগ থাকছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
খেলরত্নের ‘যোগ্য’ নেই কেউ! ১৭ জন অর্জুন, জীবনকৃতি পাচ্ছেন মোহনবাগানের প্রাক্তন ফুটবলার
-
যুবসমাজকে ‘নর্দমার আবর্জনা’ কটাক্ষ, রামদেবের ভক্ত হয়েও কঙ্গনার বিরোধীতায় যোগগুরু
-
ব্রাজিল ম্যাচের আগে সাজ সাজ রব কলকাতায়, কবে আসছেন ভিনিরা?
-
বিধানসভায় ডেপুটি স্পিকার নিয়োগের পথে শাসকদল, দৌড়ে এগিয়ে কে?
-
৩০ হাজারের ভিড় সামলেছে ৫ হাজার পুলিশ! যন্তর মন্তরে বলপ্রয়োগের অভিযোগ খারিজ দিল্লি পুলিশের