মুহুর্মুহু গুলি। বিস্ফোরণে উড়ছে একের পর এক কনভয়। ফের বালোচ বিদ্রোহীদের নিশানায় পাক সেনা। জিয়ারত এবং সুরাব এলাকায় দু’টি পৃথক হামলায় মৃত্যু হয়েছে ২৫ জওয়ানের।হামলার দায় স্বীকার করেছে বালোচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)।
আরও পড়ুন:
ভয়ংকর এই হামলার পরই বিএলএ-র মুখপাত্র জিয়ন্দ বালোচ একটি বিবৃতি জারি করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার তাঁদের শাখা ‘ফতহ স্কোয়াড’-এর তরফে এই অভিযান চালানো হয়। বালোচিস্তানের জিয়ারত ক্রস এলাকায় পাক সেনা জওয়ানদের নিয়ে যাওয়া কনভয়, দু’টি গাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনায় নিহত হন ১৮ জন জওয়ান। অন্যদিকে, সুরাবের হাজিকা এলাকায় সংগঠনটির ‘স্পেশাল ট্যাকটিক্যাল অপারেশনস স্কোয়াড’ (এসটিওএস) বিস্ফোরণে উড়িয়ে দিয়েছে পাক সেনার আরও একটি কনভয়। এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ৭ পাক জওয়ান। দু’টি হামলারই ভিডিও প্রকাশ করেছে বিএলএ। জানা যাচ্ছে, হামলা দু’টি এতটাই জোরদার ছিল যে প্রত্যাঘাত করার সুযোগই পায়নি পাক সেনা।
উল্লেখ্য, বালোচিস্তানের পাকিস্তানি শাসনের শৃঙ্খল ভেঙে ফেলতে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করছে বালোচ লিবারেশন আর্মি। গত ১১ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের ঘোষণা করেছে বালোচিস্তান। বিদ্রোহীরা দাবি করেন, বালোচিস্তানের ৮৫ শতাংশ এলাকা তাঁদের নিয়ন্ত্রণে। বিরাট সেনাবল নিয়ে লড়াইয়ে নেমেও এই অঞ্চলে রীতিমতো নাকানি চোবানি খেতে হচ্ছে পাক সেনাকে। এই অবস্থায় পালটা গুমখুন, হত্যা ও ধর্ষণের মতো অমানুষিক অত্যাচার চালিয়ে বিদ্রোহের আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে ইসলামাবাদ। বিশেষ করে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর তৈরি হওয়ার পর থেকেই আরও অশান্ত হয়ে উঠেছে বালোচিস্তান। অভিযোগ, খনিজ সমৃদ্ধ প্রদেশটিকে কার্যত লুট করছে পাক প্রশাসন। প্রতিদানে বালোচ জনতা পেয়েছে শুধু নির্যাতন ও দারিদ্র। তারই প্রতিবাদে স্বাধীনতার মরণপণ লড়াইয়ে নামে সেখানকার মানুষ।
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের