Ayatollah Ali Khamenei

খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে প্রতিশোধের আগুন! ট্রাম্পকে হত্যার আহ্বান ইরানবাসীর

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় খামেনেইয়ের। তার ১২৬ দিন পর তাঁর অন্ত্যেষ্টির আয়োজন করেছে ইরান। তেহরান থেকে শুরু হওয়া রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান কম, ইরাকের নাজাফ ও কারবালা শহর পেরিয়ে ইরানের মাশহাদে তা শেষ হবে। এখানেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন খামেনেই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২৬, ১৬:৫২

options
link
খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে প্রতিশোধের আগুন! ট্রাম্পকে হত্যার আহ্বান ইরানবাসীর
খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে তেহরানে জনপ্লাবন।

তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ‘ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে’ প্রয়াত আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের (Ayatollah Ali Khamenei) রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান চলছে। শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে উপস্থিত হাজার হাজার মানুষ। ইরানজুড়ে কার্যত জনপ্লাবন। প্রতিশোধের আগুনে ফুটছে প্রত্যেকেই। সমাবেশ থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার আহ্বান ইরানবাসীর।

Advertisement

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় খামেনেইয়ের। তার ১২৬ দিন পর তাঁর অন্ত্যেষ্টির আয়োজন করেছে ইরান। তেহরান থেকে শুরু হওয়া রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান কম, ইরাকের নাজাফ ও কারবালা শহর পেরিয়ে ইরানের মাশহাদে তা শেষ হবে। এখানেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন খামেনেই। রবিবার তেহরানে শোকানুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে লোকে লোকারণ্য হয়ে যায় রাজধানী। প্রত্যেকের হাতে ছিল দেশের পতাকা এবং আমেরিকা-ইজরায়েল বিরোধী প্ল্যাকার্ড। সেখানে লেখা – ‘প্রতিশোধের বাণী’।

Advertisement

জানাজা নমাজের আগে ইরানের এক কবি মহম্মদ রসৌলি বলেন, “এখন থেকে কফিনই আমাদের পোশাক। ট্রাম্পকে হত্যা করা আমাদের শপথ।” তিনি আরও বলেন, “ট্রাম্প কেন এখনও বেঁচে আছেন? খামেনেইয়ের মৃত্যুর জন্য যাঁরা দায়ী, তাঁদের হত্যা করা না হলে তা হবে চরম লজ্জাজনক।” তবে তাঁর এই মন্তব্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও, উপস্থিত অধিকাংশ মানুষই উচ্চস্বরে তা সম্মতি জানান। শোকে কাতর জনগণ স্লোগান তোলেন, ‘আমেরিকা, ইজরায়েলের মৃত্যু হোক।’, ‘ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহুকে হত্যা করা হোক।’, ‘আপস নয়,  আত্মসমর্পণ নয় – শুধুই প্রতিশোধ।” 

Advertisement

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেখা গিয়েছে, প্রয়াত আলি খামেনেইর তিনি সন্তান মোস্তফা, মেসাম এবং মাসুদ খামেনেইকে। বাবার কফিনের সামনে প্রার্থনার ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তাঁরা। এছাড়াও আলি খামেনেইর শেষকৃত্যে দেখা গিয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকের গালিবফ এবং ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর কমান্ডার-ইন-চিফ আহমেদ ভাহিদিওকে। তবে বাবার শেষকৃত্যে দেখা যায়নি তাঁর আরও এক পুত্র তথা ইরানের বর্তমান সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেইকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.