Donald Trump

শুল্কনীতি নিয়ে সিদ্ধান্তের ক্ষমতাই নেই ট্রাম্পের! মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বড় ধাক্কা

দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট পদে বসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক স্তরে নয়া শুল্কনীতি লাগু করা বেআইনি, স্পষ্ট জানিয়ে দিল সে দেশের শীর্ষ আদালত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ২৩:২৫

options
link
শুল্কনীতি নিয়ে সিদ্ধান্তের ক্ষমতাই নেই ট্রাম্পের! মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বড় ধাক্কা
ট্রাম্পের শুল্কনীতি অবৈধ ঘোষণা মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের।

শুল্কনীতি নিয়ে ভিনদেশের উপর ছড়ি ঘোরানোর দিন শেষ! মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বড়সড় ধাক্কা খেলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার ট্রাম্পের শুল্কনীতি সংক্রান্ত এক মামলায় সে দেশের শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দিল, প্রেসিডেন্ট পদে বসে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইচ্ছেমতো আন্তর্জাতিক স্তরে নয়া শুল্ক লাগু করার কোনও ক্ষমতা নেই তাঁর। যা করেছেন, তা সম্পূর্ণ বেআইনি। মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের এই রায় স্বাভাবিকভাবেই আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে বড়সড় প্রভাব ফেলবে। তার চেয়েও বড় কথা, এতদিন ট্রাম্পের শুল্কবাণের ফলে যে যে বদল এসেছে কিংবা এর উপর ভিত্তি করে যে নতুন বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে, সেসবের ভবিষ্যৎ কী হবে, এই প্রশ্ন উঠছেই।

Advertisement

শুক্রবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বাধীন ন’জন বিচারপতির বেঞ্চ ট্রাম্পের শুল্কনীতির পর্যালোচনা করে। ভোটাভুটি হলে ফল দাঁড়ায় ৬-৩। অর্থাৎ শুল্কনীতির বিরুদ্ধেই বেশি ভোট পড়েছে। এরপরই প্রধান বিচারপতি জানান, ‘‘জরুরি অবস্থার দোহাই দিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া একক সিদ্ধান্তে আমদানির উপর বিশাল অঙ্কের শুল্ক আরোপ করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের নেই। তিনি যা করেছেন, তা নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।’’ এ প্রসঙ্গে ১৯৭৭ সালের ইন্টারন্যাশনাল এমারজেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট বা আইইইপিএ-র প্রসঙ্গ তুলে বিচারপতিদের বক্তব্য, ওই আইন প্রেসিডেন্টকে এককভাবে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেয়নি। শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে একেবারেই না। কোন দেশে থেকে আমদানি করা কোন পণ্যে কত শতাংশ শুল্ক চাপানো যাবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা একা প্রেসিডেন্টের নয়, মার্কিন কংগ্রেসের। মনে করা হচ্ছে, মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের ফলে আমদানিকারকদের বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরাতে হবে ট্রাম্প সরকারকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এ প্রসঙ্গে ১৯৭৭ সালের ইন্টারন্যাশনাল এমারজেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট বা আইইইপিএ-র প্রসঙ্গ তুলে বিচারপতিদের বক্তব্য, ওই আইন প্রেসিডেন্টকে এককভাবে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেয়নি। শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে একেবারেই না। কোন দেশে থেকে আমদানি করা কোন পণ্যে কত শতাংশ শুল্ক চাপানো যাবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা একা প্রেসিডেন্টের নয়, মার্কিন কংগ্রেসের। মনে করা হচ্ছে, মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের ফলে আমদানিকারকদের বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরাতে হবে ট্রাম্প সরকারকে।

সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ে নিঃসন্দেহে জটিলতা বাড়ল। বিশেষত আতান্তরে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিগুলি। ভারতের মতো যারা ট্রাম্পের সঙ্গে কার্যত দর কষাকষির পর চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে, তারা কি সুবিধা পাবে? প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একনায়ক এবং আগ্রাসী মনোভাব কি সহজে সুপ্রিম কোর্টের এই রায় গ্রহণ করবে নাকি নতুন করে সংবিধান সংশোধনের পথে হেঁটে প্রেসিডেন্টের একক ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবে, তাও বড় প্রশ্ন। যদিও এখনও পর্যন্ত ডোনাল্ড ট্রাম্প বা হোয়াইট হাউসের তরফে এনিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.