Delcy Rodriguez

‘কারও দাসত্ব করব না’, মাদুরোর আসনে বসেই ট্রাম্পকে তোপ ডেলসি রডরিগেজের

কী জানালেন তিনি?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৬:২২

options
link
‘কারও দাসত্ব করব না’, মাদুরোর আসনে বসেই ট্রাম্পকে তোপ ডেলসি রডরিগেজের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজকেই (Delcy Rodriguez) দেশের অন্তবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসাবে বেছে নিয়েছে ভেনেজুয়েলার সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, এখন থেকে দেশের প্রশাসনিক প্রধান এবং সামগ্রিক প্রতিরক্ষার দায়িত্বে থাকবেন রডরিগেজ। কুর্সিতে বসেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভেনেজুয়েলা কারও দাসত্ব করবে না। অবিলম্বে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো (Nicolas Maduro) এবং তাঁর স্ত্রীর মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। 

Advertisement

দীর্ঘদিন ধরেই দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা চলছিল। আশঙ্কা সত্যি করে শনিবার ভোররাতে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস-সহ মিরান্ডা, আরাগুয়া এবং লা গুয়াইরা অঞ্চলে গোলাবর্ষণ করে মার্কিন সেনা। চালানো হয় বিমান হামলা। অন্ধকারে ঢেকে যায় ভেনেজুয়েলা। এরপরই মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীকে বন্দি করার কথা ঘোষণা করেন ট্রাম্প। বর্তমানে তাঁদের রাখা হয়েছে নিউ ইয়র্কের ডিটেনশন সেন্টারে। শনিবার থেকেই জল্পনা চলছিল ভেনেজুয়েলার অন্তবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে পারেন ডেলসি। তাতেই সিলমোহর দিল ভেনেজুয়েলার আদালত।

Advertisement

এদিকে ভেনেজুয়েলায় অভিযানের পর ভারতীয় সময় অনুযায়ী শনিবার রাতে সাংবাদিক বৈঠক করে সাফল্যের বিজয়ধ্বজা ওড়ান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ভেনেজুয়েলার শাসনভার কার্যত নিজেদের কুক্ষিগত করার ঘোষণা করে ট্রাম্প বার্তা, “যতক্ষণ না নিরাপদ, সঠিক এবং ন্যায়সঙ্গত ভাবে কাউকে ভেনেজুয়েলার ক্ষমতায় বসানোর সুযোগ হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরাই ভেনেজুয়েলা পরিচালনা করব। আপাতত আমরা অন্য কাউকে ক্ষমতায় বসাতে চাই না। গত দীর্ঘ সময় ধরে এখানে যে পরিস্থিতি ছিল, এখনও সেই অবস্থাই রয়েছে। তাই আমরাই দেশ চালাব।” ভেনেজুয়েলায় এই মার্কিন অভিযান এবং ট্রাম্পের মন্তব্যের কড়া নিন্দা করেন ডেলসি। তিনি বলেন, “ভেনেজুয়েলা কোনওদিন কোনও সাম্রাজ্যের উপনিবেশ হবে না। কারও দাসত্ব করবে না। মাদুরোই আমাদের একমাত্র নেতা। অবিলম্বে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে মুক্তি দিতে হবে।” 

Advertisement

ভেনেজুয়েলার অভিযোগ, এই হামলা আসলে মার্কিন আগ্রাসনের একটি ঘৃণ্য উদাহরণ। এদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র ভেনেজুয়েলার তেল ও খনিজ সম্পদ দখল করা। ভেনেজুয়েলায় হামলার পর সেখাকার প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে আমেরিকায় নিয়ে আসা হয়। জানা গিয়েছে, মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক সন্ত্রাস, কোকেন আমদানি ও মারণাস্ত্র রাখার মতো বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের হয়েছে মার্কিন আদালতে। সেই সবকিছু বিচারের জন্যই তাঁকে আমেরিকায় নিয়ে আসা হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.